সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

হঠাৎই পিঁয়াজের বাজারে ধস ২০ টাকায় নেমে এসেছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২০ ৩২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
এক সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎই পিঁয়াজের বাজারে ধস নেমেছে। এক সপ্তাহ পূর্বে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও আজকের বাজারে ২০ টাকায় নেমে এসেছে। এতে করে অস্বস্তি প্রকাশ করছে কৃষকরা। শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) নাটোরের নলডাঙ্গা হাটে এই চিত্র দেখা গেছে। এতে পিঁয়াজ চাষিরা দিশে হারা প্রায়। কৃষকরা বলছেন, ভারত থেকে পিঁয়াজ আসার খবরে নাটোরের নলডাঙ্গা হাটে পিঁয়াজ পাইকারি প্রতিকেজিতে দাম কমল ৩০-৩৫ টাকা। এখন পাইকারি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকায়। যা গত মঙ্গলবার হাটে প্রতিকেজি পিঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৭০-৮০ টাকা দরে। সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও হঠাৎ এ দরপতনে হতাশ পিয়াজ চাষিরা।

অনেকদিন যাবত উচ্চ দাম থাকার পরে কৃষকরা ভেবেছিল এবার তারা গতবারের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে। কিন্তু বাজারে এমন ধস নামায় তাদের ভেতর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা আক্কাস আলী জানান, আজকে এত দাম পড়ে যাবে জানলে পিয়াজ ওঠাতাম না। আমাদের ধারণা ছিল পিঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ টাকা কমতে পারে। গত বছর ভরা মৌসুমে পাঁচ টাকা কেজি পিয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছিলাম। এবার ভেবেছিলাম সেই ক্ষতিটা পুষিয়ে নিতে পারব।

আরেক কৃষক বশির উদ্দিন জানান, এবার কন্দ পিয়াজ উৎপাদনে খরচ অনেক বেশি পড়েছে। এবার পিয়াজের বীজ কিনতে ৭ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। সেই তুলনায় দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে থাকলে কৃষক কিছুটা স্বস্তি পেতো। এদিকে বাজারে এক ক্রেতা স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, এতদিন পিয়াজ কম খেয়েছি। অনেক সময় পিয়াজ ছাড়াই তরকারি রান্না করতে হয়েছে। এই দাম থাকলে তাদের খুব একটা সমস্যা হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হঠাৎই পিঁয়াজের বাজারে ধস ২০ টাকায় নেমে এসেছে।

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
এক সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎই পিঁয়াজের বাজারে ধস নেমেছে। এক সপ্তাহ পূর্বে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও আজকের বাজারে ২০ টাকায় নেমে এসেছে। এতে করে অস্বস্তি প্রকাশ করছে কৃষকরা। শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) নাটোরের নলডাঙ্গা হাটে এই চিত্র দেখা গেছে। এতে পিঁয়াজ চাষিরা দিশে হারা প্রায়। কৃষকরা বলছেন, ভারত থেকে পিঁয়াজ আসার খবরে নাটোরের নলডাঙ্গা হাটে পিঁয়াজ পাইকারি প্রতিকেজিতে দাম কমল ৩০-৩৫ টাকা। এখন পাইকারি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকায়। যা গত মঙ্গলবার হাটে প্রতিকেজি পিঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৭০-৮০ টাকা দরে। সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও হঠাৎ এ দরপতনে হতাশ পিয়াজ চাষিরা।

অনেকদিন যাবত উচ্চ দাম থাকার পরে কৃষকরা ভেবেছিল এবার তারা গতবারের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে। কিন্তু বাজারে এমন ধস নামায় তাদের ভেতর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা আক্কাস আলী জানান, আজকে এত দাম পড়ে যাবে জানলে পিয়াজ ওঠাতাম না। আমাদের ধারণা ছিল পিঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ টাকা কমতে পারে। গত বছর ভরা মৌসুমে পাঁচ টাকা কেজি পিয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছিলাম। এবার ভেবেছিলাম সেই ক্ষতিটা পুষিয়ে নিতে পারব।

আরেক কৃষক বশির উদ্দিন জানান, এবার কন্দ পিয়াজ উৎপাদনে খরচ অনেক বেশি পড়েছে। এবার পিয়াজের বীজ কিনতে ৭ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। সেই তুলনায় দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে থাকলে কৃষক কিছুটা স্বস্তি পেতো। এদিকে বাজারে এক ক্রেতা স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, এতদিন পিয়াজ কম খেয়েছি। অনেক সময় পিয়াজ ছাড়াই তরকারি রান্না করতে হয়েছে। এই দাম থাকলে তাদের খুব একটা সমস্যা হবে না।