সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

ঠাকুরগাঁওয়ে তালাক দেওয়ার ৩মাস পর স্ত্রীকে বাড়িতে ডেকে হত্যা। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ে তালাক দেওয়ার ৩মাস পর গৃহবধূকে বাড়িতে ডেকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।১৭ ফেব্রুয়ারী সোমবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ে সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের খালপাড়া গ্রামে নাজমা আক্তারকে (২২) হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১৮ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে সাবেক স্বামী সাদ্দাম হোসেনের বাড়ির পাশে গাছে নাজমার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গাছ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

নাজমা ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার গোয়ালকারী গ্রামের নাজমুল হকে মেয়ে। নাজমার ৯ মাস বয়সী একজন কন্যা সন্তান রয়েছে।

নাজমার মামা সামশুল জানান, প্রায় দুই বছর আগে সদর উপজেলার রহিমানপুর খালপাড়া গ্রামের বাচ্চা বাবুর ছেলে সাদ্দামের সঙ্গে বিয়ে হয় নাজমার। তিন মাস আগে সাদ্দামের সঙ্গে শালিসে নাজমার তালাক হয়।

তিনি আরও জানান, বিয়ের সময় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক নিলেও তালাকের সময় ৮০ হাজার টাকা নাজমার পরিবারকে ফেরত দেয় সাদ্দাম। মেয়েকে দেখার কথা বলে সাদ্দাম নাজমাকে ১৫ ফেব্রুয়ারি বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর নাজমার পরিবারের কাছে সেই ৮০ হাজার টাকার জন্য চাপ দেয়। আমরা টাকা দিতে রাজি না হলে সোমবার রাতে নাজমাকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখে সাদ্দামের পরিবার। খবর পাওয়ার পরে সাদ্দামের বাবা বাবুকে আটক করে পুলিশে দিয়েছি। এ ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষ দোষীদের বিচার চাই।

তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাকিলা বলেন, নাজমার মরদের উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। সেইসঙ্গে তদন্ত চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁওয়ে তালাক দেওয়ার ৩মাস পর স্ত্রীকে বাড়িতে ডেকে হত্যা। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ১০:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ে তালাক দেওয়ার ৩মাস পর গৃহবধূকে বাড়িতে ডেকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।১৭ ফেব্রুয়ারী সোমবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ে সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের খালপাড়া গ্রামে নাজমা আক্তারকে (২২) হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১৮ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে সাবেক স্বামী সাদ্দাম হোসেনের বাড়ির পাশে গাছে নাজমার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গাছ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

নাজমা ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার গোয়ালকারী গ্রামের নাজমুল হকে মেয়ে। নাজমার ৯ মাস বয়সী একজন কন্যা সন্তান রয়েছে।

নাজমার মামা সামশুল জানান, প্রায় দুই বছর আগে সদর উপজেলার রহিমানপুর খালপাড়া গ্রামের বাচ্চা বাবুর ছেলে সাদ্দামের সঙ্গে বিয়ে হয় নাজমার। তিন মাস আগে সাদ্দামের সঙ্গে শালিসে নাজমার তালাক হয়।

তিনি আরও জানান, বিয়ের সময় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক নিলেও তালাকের সময় ৮০ হাজার টাকা নাজমার পরিবারকে ফেরত দেয় সাদ্দাম। মেয়েকে দেখার কথা বলে সাদ্দাম নাজমাকে ১৫ ফেব্রুয়ারি বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর নাজমার পরিবারের কাছে সেই ৮০ হাজার টাকার জন্য চাপ দেয়। আমরা টাকা দিতে রাজি না হলে সোমবার রাতে নাজমাকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখে সাদ্দামের পরিবার। খবর পাওয়ার পরে সাদ্দামের বাবা বাবুকে আটক করে পুলিশে দিয়েছি। এ ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষ দোষীদের বিচার চাই।

তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাকিলা বলেন, নাজমার মরদের উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। সেইসঙ্গে তদন্ত চলছে।