সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

জিয়াউর রহমানের নাম নিলে বেহেশত নিশ্চিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫ ১৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল ওই ভিডিওতে কামরুল হুদাকে বলতে শোনা যায়, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাম প্রতি দিন নিলে বেহেশত নিশ্চিত।’

বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তার ওই বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ভাইরাল হওয়া বক্তব্যে কামরুল হুদাকে বলতে শোনা যায়, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম প্রতি দিন নিলেই বেহেশত নিশ্চিত, আমি বিশ্বাস করি। কারণ উনি দেশের জনগণের সঙ্গে হঠকারিতা করেননি।’

এ সময় কামরুল হুদা আরও বলেন, ‘শেখ সেলিম, শেখ হেলালসহ এই শেখ পরিবার লুট করে দেশটাকে শেষ করেছে, এই শেখ পরিবারে কেউ মুক্তিযোদ্ধা নন। যুদ্ধ না করেই আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দল হয় কী করে? ৯৬ সালের নির্বাচনের পর আবেদন করে আওয়ামী লীগের অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন। শেখ হাসিনা সাড়ে তিন শ মন্ত্রী-এমপি নিয়ে পালিয়েছেন।’

জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটা দল (জামায়াত) আমাদের সঙ্গে ছিল। তারা অতীতে আমাদের ওপর ভর করে ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছিল। চৌদ্দগ্রামবাসী জানে তাদের ভোটের হার কত। আগামী নির্বাচনের সময় প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য ২০০ করে ছোট লাঠি প্রস্তুত রাখতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সভায় উপস্থিত দলের একাধিক নেতা বলেন, কোনো মুসলিম এমন বক্তব্য দিতে পারে? তার এমন বক্তব্যে আমরা বিস্মিত, দলের প্রতি অতি আবেগ দেখাতে গেলে যা হয়। যেখানে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, এর পাশেই মসজিদ। জোহরের নামাজের সময় হলে তিনি (কামরুল হুদা) মোয়াজ্জিনকে মাইকের পরিবর্তে মুখে আজান দিতে বলেন। এ সময় অনুষ্ঠানের বিরতি না দিয়েই চলমান রাখা হয়। এতে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন বিএনপি নেতা কামরুল হুদা। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মক্কায় হাজিদের সুবিধার্থে বেশ কিছু নিম গাছ লাগিয়েছিলেন। ওই কারণে উনার নাম নিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে, এটা কি ভুল বলেছি?

এ বিষয়ে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, আমি এমন বক্তব্য এখনো শুনিনি, ভিডিওটি দেখে পরে এ বিষয়ে জানাতে পারব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জিয়াউর রহমানের নাম নিলে বেহেশত নিশ্চিত

আপডেট সময় : ০৪:৩১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল ওই ভিডিওতে কামরুল হুদাকে বলতে শোনা যায়, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাম প্রতি দিন নিলে বেহেশত নিশ্চিত।’

বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তার ওই বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ভাইরাল হওয়া বক্তব্যে কামরুল হুদাকে বলতে শোনা যায়, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম প্রতি দিন নিলেই বেহেশত নিশ্চিত, আমি বিশ্বাস করি। কারণ উনি দেশের জনগণের সঙ্গে হঠকারিতা করেননি।’

এ সময় কামরুল হুদা আরও বলেন, ‘শেখ সেলিম, শেখ হেলালসহ এই শেখ পরিবার লুট করে দেশটাকে শেষ করেছে, এই শেখ পরিবারে কেউ মুক্তিযোদ্ধা নন। যুদ্ধ না করেই আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দল হয় কী করে? ৯৬ সালের নির্বাচনের পর আবেদন করে আওয়ামী লীগের অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন। শেখ হাসিনা সাড়ে তিন শ মন্ত্রী-এমপি নিয়ে পালিয়েছেন।’

জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটা দল (জামায়াত) আমাদের সঙ্গে ছিল। তারা অতীতে আমাদের ওপর ভর করে ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছিল। চৌদ্দগ্রামবাসী জানে তাদের ভোটের হার কত। আগামী নির্বাচনের সময় প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য ২০০ করে ছোট লাঠি প্রস্তুত রাখতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সভায় উপস্থিত দলের একাধিক নেতা বলেন, কোনো মুসলিম এমন বক্তব্য দিতে পারে? তার এমন বক্তব্যে আমরা বিস্মিত, দলের প্রতি অতি আবেগ দেখাতে গেলে যা হয়। যেখানে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, এর পাশেই মসজিদ। জোহরের নামাজের সময় হলে তিনি (কামরুল হুদা) মোয়াজ্জিনকে মাইকের পরিবর্তে মুখে আজান দিতে বলেন। এ সময় অনুষ্ঠানের বিরতি না দিয়েই চলমান রাখা হয়। এতে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন বিএনপি নেতা কামরুল হুদা। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মক্কায় হাজিদের সুবিধার্থে বেশ কিছু নিম গাছ লাগিয়েছিলেন। ওই কারণে উনার নাম নিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে, এটা কি ভুল বলেছি?

এ বিষয়ে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, আমি এমন বক্তব্য এখনো শুনিনি, ভিডিওটি দেখে পরে এ বিষয়ে জানাতে পারব।