সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

দর্শনার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি, সেক্রেটারি,সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, সাবেক এমপির দু’ভাইসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আলী আজগার টগরের ভাই দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু অপর ভাই ফারুক হোসেন ও কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ ও তার ছেলে সৌমিক হাসান রুপমসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগে দর্শনা থানায় মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টায় দর্শনা পৌর এলাকার পরানপুর মসজিদপাড়ার জহির উদ্দীনের ছেলে পৌর বিএনপির নেতা রবিউল ইসলাম রবি বাদী হয়ে দর্শনা থানায় ৬৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৮০-৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দর্শনা পৌর এলাকার পরানপুর মসজিদ পাড়ায় বাদীর বাস ভবনের সামনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় তার নিজ বাড়ীতে আসামীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে এবং বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় বাড়ীতে থাকা নগদ ৭০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর ব্যবহার করা দু’ভরি স্বর্ণের গলার চেইন ও হাতের বালা ছিনিয়ে নিয়ে যায় ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। সে সময় তার স্ত্রী জীবন রক্ষার্থে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। এসময় সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশী অস্ত্র রামদা, চাপাতি ও দিয়ে তাকে ধাওয়া করে। কিছু দূর পালিয়ে যাওয়া অবস্থায় সে পড়ে যায়। এরপর সন্ত্রাসীরা তাকে ধরে হত্যার উদ্দেশ্য আলী মুনছুর বাবুর বাসভবনে নিয়ে এসে অমানুষিক ভাবে রাতভর নির্যাতন করে। নির্যাতনের কারণে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর তার জ্ঞান ফেরার পর তিনি দেখতে পান তার ডান পা ভেঙ্গে গেছে। আলী মুনছুর বাবুর বাসভবনে তার পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করতে গেলে পা ভাঙ্গা অবস্থায় তারা তাকে ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর সকালে দর্শনা থানায় পুলিশের কাছে দেয়। পুলিশ তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা আদালতে সোপর্দ করে। বাদী জানায়, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হয়রানী, নির্যাতন ও জীবন নাশের হুমকি ও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার কারনে সে এজাহার ও মামলা করতে সাহস পায়নি।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হলেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রুস্তম আলী, সেক্রেটারী সাবেক এমপি আলী আজগর টগরের সহদর সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দর্শনা পুরাতন বাজারের আব্দুল ওহাব ওস্তাগারের ছেলে দামুড়হুদা উপজেলা আলী মুনসুর বাবু (৫৭) এবং তার ভাই ফারুক হোসেন (৫০),পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক ও দর্শনা ইসলাম বাজারের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মানিচেঞ্জার গোলাম ফারুক আরিফ (৫৫) এমপির বোনের ছেলে আশফাকুর রহমান মুন, শ্যামপুর গ্রামের তনু মল্লিকের ছেলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান ছোট (৫৬), ঈশ্বরচন্দ্রপুরের বেদের আলীর ছেলে মিঠু (৫৫), দর্শনা আজমপুরের নান্নু মিয়ার ছেলে রাসেল (৩৫), একই পাড়ার হারুন অর রশীদের ছেলে অপু (৩৫), দক্ষিণ চাঁদপুরের কুটে মল্লিকের ছেলে ও যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন নফর (৪৭), কেরুজ মিলপাড়ার তহির জোয়ার্দ্দারের ছেলে ও কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ (৬০),তার পুত্র সৌমিক হাসান রুপম(৩৬), কেরুজ কর্পোরেশন লাইনের সাইদ ড্রাইভার (৪৫), দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের জিয়ার ছেলে মিল্লাত (৩৫), একই পাড়ার আজিবরে ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫), কেরুজ ইউনিয়ন লাইনের দাউদ আলী (৩৫), ঈদ্বরচন্দ্রপুরের ইয়াহিয়া আলীর ছেলে ডালিম (৪০), একই পাড়ার হাশেমের ছেলে খাইরুল (৪০), আমিরের ছেলে রাশেদ (৪০), ইসলামপাড়ার মরহুম লুৎফর রহমানের ছেলে লাল্টু (৪২), ইসলাম বাজারের দুলালের ছেলে জুয়েল (৩৮), চটকাতলার কালু কসাইয়ের ছেলে শরীফ (৫০), দর্শনার আজমপুরের আব্দুল জলিল (৫৫), মোবারকপাড়ার আমির হোসেনের ছেলে রানা (৩০), একই পাড়ার মৃত হানিফের ছেলে আক্তার (৩০), ইমারতের ছেলে আশিক (২৮), মারুফ বিল্লাল জিসান (২৫), মেমনগরের জমিরের ছেলে ইকবাল (৫৫), একই এলাকার মৃত ডাবির ছেলে নোমান (৪২) খেদেরের ছেলে রেজাউল (৩২), মোবারকপাড়ার পিয়াস (২০), রামনগরের মনু সর্দারের ছেলে পিকু (২০), মোবারকপাড়ার আমির হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৫০), একই পাড়ার মরহুম করিমের ছেলে শেখ আসলাম তোতা (৫০), পরানপুরের ইজার ছেলে সানি (২৮), পুরাতন বাজারের স’মিল পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে ও পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাকারিয়া আলম (৫৫), রামনগরের আফসার আলীর ছেলে ছলেমান (৫৫) ও শাহ আলী (৩০) দর্শনা সিএ্যান্ডবি পাড়ার আবু তাহেরের ছেলে আব্দুল হাকিম (৫৫),বাসস্ট্যান্ড পাড়ার বদর উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৫৫), বাসস্ট্যান্ড মাস্টারপাড়ার টিপু ডাক্তারের ছেলে সাধন (৪৪), ইসলাম বাজারের মরহুম সুন্নত আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী (৫৫), দর্শনা বাসস্ট্যান্ড সিএ্যান্ডবি পাড়ার হায়দার আলী (৫৫), বাসস্ট্যান্ড মাস্টারপাড়ার মান্দার ডাক্তারের ছেলে শহীদুল ইসলাম (৫০), আমতলাপাড়ার হিরন (৫০),আজমপুরের আব্দুল কাদেরের ছেলে আব্দুল জলিল (৪০), কলেজপাড়ার ছোটর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৪০), মেমনগরের রমজান আলীর ছেলে ফয়সাল (৪৫), একই এলাকার রমজান আলীর ছেরে ফলেহার (৩৫), কেরুজ হাসপাতালপাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সুমন (৩০), দক্ষিণ চাঁদপুরের ছেলে তপু (৩৫), কলেজপাড়ার পারভেজ (৩৫), কেরুজ স্কুলপাড়ার শাহ আলম ড্রাইভার (৬০), হঠাৎপাড়ার আব্দুস সাত্তারের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫), দুধপাতিলা দক্ষিণপাড়ার ইউসুফের ছেলে সুমন (৩০), কেরুজ প্রাইমারী স্কুলপাড়ার আজিজুর রহমানের ছেলে রিপন (৩৫), আজমপুরের মরহুম ফজলুল করিমের ছেলে ফরহাদ হোসেন, (৪০), কেরুজ হাসপাতাল পাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে ফারদিন সোহেল (৪০), মরহুম আপু জোয়ার্দ্দারের ছেলে হবা জোয়ার্দ্দার (৫৫), মরহুম কাউসার আলীর ছেলে মামুন শাহ (৪৩), দক্ষিণ চাঁদপুরের হুজুর আলীর ছেলে মাসুম (৩৫), আজমপুরের মরহুম শহর আলীর ছেলে রবিউল হক সুমন (৫০), শ্যামপুরের জোড়াবটতলার রবজেল মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন (৫৫), দর্শনা থানাপাড়ার মরহুম মঞ্জুর ছেলে ফাহিম (২০), কেরুজ প্রাইমারী স্কুলপাড়ার খাদিমুল হকের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৪২), আনোয়ারপুরের ফৌজোর ছেলে নাসির (৪৫) ও আজিজ ড্রাইভার (৬০), কেরুজ হাসপাতালপাড়ার মরহুম বাদশা মিয়ার ছেলে সান্টু (৫৫), এবং ইসলাম বাজারের মরহুম রওশন কাসাড়ীর ছেলে রহমান (৪৫)।
এ বিষয়ে দর্শনা থানার ইন্সেপেক্টর তদন্ত শফিউল ইসলাম বলেন দর্শনা থানায় একটি এজাহার দাখিল হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দর্শনার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি, সেক্রেটারি,সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, সাবেক এমপির দু’ভাইসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা

আপডেট সময় : ০৯:০৬:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আলী আজগার টগরের ভাই দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু অপর ভাই ফারুক হোসেন ও কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ ও তার ছেলে সৌমিক হাসান রুপমসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগে দর্শনা থানায় মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টায় দর্শনা পৌর এলাকার পরানপুর মসজিদপাড়ার জহির উদ্দীনের ছেলে পৌর বিএনপির নেতা রবিউল ইসলাম রবি বাদী হয়ে দর্শনা থানায় ৬৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৮০-৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দর্শনা পৌর এলাকার পরানপুর মসজিদ পাড়ায় বাদীর বাস ভবনের সামনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় তার নিজ বাড়ীতে আসামীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে এবং বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় বাড়ীতে থাকা নগদ ৭০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর ব্যবহার করা দু’ভরি স্বর্ণের গলার চেইন ও হাতের বালা ছিনিয়ে নিয়ে যায় ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। সে সময় তার স্ত্রী জীবন রক্ষার্থে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। এসময় সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশী অস্ত্র রামদা, চাপাতি ও দিয়ে তাকে ধাওয়া করে। কিছু দূর পালিয়ে যাওয়া অবস্থায় সে পড়ে যায়। এরপর সন্ত্রাসীরা তাকে ধরে হত্যার উদ্দেশ্য আলী মুনছুর বাবুর বাসভবনে নিয়ে এসে অমানুষিক ভাবে রাতভর নির্যাতন করে। নির্যাতনের কারণে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর তার জ্ঞান ফেরার পর তিনি দেখতে পান তার ডান পা ভেঙ্গে গেছে। আলী মুনছুর বাবুর বাসভবনে তার পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করতে গেলে পা ভাঙ্গা অবস্থায় তারা তাকে ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর সকালে দর্শনা থানায় পুলিশের কাছে দেয়। পুলিশ তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা আদালতে সোপর্দ করে। বাদী জানায়, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হয়রানী, নির্যাতন ও জীবন নাশের হুমকি ও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার কারনে সে এজাহার ও মামলা করতে সাহস পায়নি।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হলেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রুস্তম আলী, সেক্রেটারী সাবেক এমপি আলী আজগর টগরের সহদর সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দর্শনা পুরাতন বাজারের আব্দুল ওহাব ওস্তাগারের ছেলে দামুড়হুদা উপজেলা আলী মুনসুর বাবু (৫৭) এবং তার ভাই ফারুক হোসেন (৫০),পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক ও দর্শনা ইসলাম বাজারের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মানিচেঞ্জার গোলাম ফারুক আরিফ (৫৫) এমপির বোনের ছেলে আশফাকুর রহমান মুন, শ্যামপুর গ্রামের তনু মল্লিকের ছেলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান ছোট (৫৬), ঈশ্বরচন্দ্রপুরের বেদের আলীর ছেলে মিঠু (৫৫), দর্শনা আজমপুরের নান্নু মিয়ার ছেলে রাসেল (৩৫), একই পাড়ার হারুন অর রশীদের ছেলে অপু (৩৫), দক্ষিণ চাঁদপুরের কুটে মল্লিকের ছেলে ও যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন নফর (৪৭), কেরুজ মিলপাড়ার তহির জোয়ার্দ্দারের ছেলে ও কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ (৬০),তার পুত্র সৌমিক হাসান রুপম(৩৬), কেরুজ কর্পোরেশন লাইনের সাইদ ড্রাইভার (৪৫), দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের জিয়ার ছেলে মিল্লাত (৩৫), একই পাড়ার আজিবরে ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫), কেরুজ ইউনিয়ন লাইনের দাউদ আলী (৩৫), ঈদ্বরচন্দ্রপুরের ইয়াহিয়া আলীর ছেলে ডালিম (৪০), একই পাড়ার হাশেমের ছেলে খাইরুল (৪০), আমিরের ছেলে রাশেদ (৪০), ইসলামপাড়ার মরহুম লুৎফর রহমানের ছেলে লাল্টু (৪২), ইসলাম বাজারের দুলালের ছেলে জুয়েল (৩৮), চটকাতলার কালু কসাইয়ের ছেলে শরীফ (৫০), দর্শনার আজমপুরের আব্দুল জলিল (৫৫), মোবারকপাড়ার আমির হোসেনের ছেলে রানা (৩০), একই পাড়ার মৃত হানিফের ছেলে আক্তার (৩০), ইমারতের ছেলে আশিক (২৮), মারুফ বিল্লাল জিসান (২৫), মেমনগরের জমিরের ছেলে ইকবাল (৫৫), একই এলাকার মৃত ডাবির ছেলে নোমান (৪২) খেদেরের ছেলে রেজাউল (৩২), মোবারকপাড়ার পিয়াস (২০), রামনগরের মনু সর্দারের ছেলে পিকু (২০), মোবারকপাড়ার আমির হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৫০), একই পাড়ার মরহুম করিমের ছেলে শেখ আসলাম তোতা (৫০), পরানপুরের ইজার ছেলে সানি (২৮), পুরাতন বাজারের স’মিল পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে ও পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাকারিয়া আলম (৫৫), রামনগরের আফসার আলীর ছেলে ছলেমান (৫৫) ও শাহ আলী (৩০) দর্শনা সিএ্যান্ডবি পাড়ার আবু তাহেরের ছেলে আব্দুল হাকিম (৫৫),বাসস্ট্যান্ড পাড়ার বদর উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৫৫), বাসস্ট্যান্ড মাস্টারপাড়ার টিপু ডাক্তারের ছেলে সাধন (৪৪), ইসলাম বাজারের মরহুম সুন্নত আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী (৫৫), দর্শনা বাসস্ট্যান্ড সিএ্যান্ডবি পাড়ার হায়দার আলী (৫৫), বাসস্ট্যান্ড মাস্টারপাড়ার মান্দার ডাক্তারের ছেলে শহীদুল ইসলাম (৫০), আমতলাপাড়ার হিরন (৫০),আজমপুরের আব্দুল কাদেরের ছেলে আব্দুল জলিল (৪০), কলেজপাড়ার ছোটর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৪০), মেমনগরের রমজান আলীর ছেলে ফয়সাল (৪৫), একই এলাকার রমজান আলীর ছেরে ফলেহার (৩৫), কেরুজ হাসপাতালপাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সুমন (৩০), দক্ষিণ চাঁদপুরের ছেলে তপু (৩৫), কলেজপাড়ার পারভেজ (৩৫), কেরুজ স্কুলপাড়ার শাহ আলম ড্রাইভার (৬০), হঠাৎপাড়ার আব্দুস সাত্তারের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫), দুধপাতিলা দক্ষিণপাড়ার ইউসুফের ছেলে সুমন (৩০), কেরুজ প্রাইমারী স্কুলপাড়ার আজিজুর রহমানের ছেলে রিপন (৩৫), আজমপুরের মরহুম ফজলুল করিমের ছেলে ফরহাদ হোসেন, (৪০), কেরুজ হাসপাতাল পাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে ফারদিন সোহেল (৪০), মরহুম আপু জোয়ার্দ্দারের ছেলে হবা জোয়ার্দ্দার (৫৫), মরহুম কাউসার আলীর ছেলে মামুন শাহ (৪৩), দক্ষিণ চাঁদপুরের হুজুর আলীর ছেলে মাসুম (৩৫), আজমপুরের মরহুম শহর আলীর ছেলে রবিউল হক সুমন (৫০), শ্যামপুরের জোড়াবটতলার রবজেল মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন (৫৫), দর্শনা থানাপাড়ার মরহুম মঞ্জুর ছেলে ফাহিম (২০), কেরুজ প্রাইমারী স্কুলপাড়ার খাদিমুল হকের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৪২), আনোয়ারপুরের ফৌজোর ছেলে নাসির (৪৫) ও আজিজ ড্রাইভার (৬০), কেরুজ হাসপাতালপাড়ার মরহুম বাদশা মিয়ার ছেলে সান্টু (৫৫), এবং ইসলাম বাজারের মরহুম রওশন কাসাড়ীর ছেলে রহমান (৪৫)।
এ বিষয়ে দর্শনা থানার ইন্সেপেক্টর তদন্ত শফিউল ইসলাম বলেন দর্শনা থানায় একটি এজাহার দাখিল হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।