সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

বন্যার্তদের জন্য টাকা তোলার দ্বন্দ্বে শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪ ১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
রাজধানীর পশ্চিম রামপুরার ওয়াবদা রোড এলাকায় বন্যার্তদের জন্য ত্রাণের টাকা তোলা নিয়ে দ্বন্দ্বে মো. হাফিজ (২১) নামে এক শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।

শনিবার (২৪ আগস্ট ) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত হাফিজ সিদ্ধেশ্বরী কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তিনি পশ্চিম রামপুরার লুৎফুর রহমানের ছেলে।

নিহতের বন্ধু নাঈম বলেন, আমরা বানভাসি মানুষের সাহায্যের জন্য ত্রাণের টাকা তুলছিলাম। আমাদের গ্রুপটিতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। রামপুরার উলন এলাকার আরেকটি গ্রুপ তারা আমাদের সাথে ত্রাণের জন্য টাকা তুলতে চায় এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে ত্রাণ দেওয়ার জন্য বলে। আমাদের সিনিয়ররা তাদের জানায় আমাদের গ্রুপে অনেক লোকজন আছে আমরা আপনাদের গ্রুপে নিতে চাই না। এই নিয়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আজ সন্ধ্যার দিকে আমরা টাকা তুলছিলাম। এ সময় হাফিজ চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ করে ১৫ থেকে ২০ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হাফিজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে চলে যায়। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান হাফিজ আর বেঁচে নেই।

তিনি আরও জানান, আজ রাতে আমাদের ত্রাণ নিয়ে নোয়াখালী ও ফেনী যাওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যেই কী থেকে কী হয়ে গেল! আমি হামলাকারীদের চিনি কিন্তু নাম বলতে পারছি না, তারা উলন এলাকায় থাকে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বন্যার্তদের জন্য টাকা তোলার দ্বন্দ্বে শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪

আজকের ক্রাইম ডেক্স
রাজধানীর পশ্চিম রামপুরার ওয়াবদা রোড এলাকায় বন্যার্তদের জন্য ত্রাণের টাকা তোলা নিয়ে দ্বন্দ্বে মো. হাফিজ (২১) নামে এক শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।

শনিবার (২৪ আগস্ট ) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত হাফিজ সিদ্ধেশ্বরী কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তিনি পশ্চিম রামপুরার লুৎফুর রহমানের ছেলে।

নিহতের বন্ধু নাঈম বলেন, আমরা বানভাসি মানুষের সাহায্যের জন্য ত্রাণের টাকা তুলছিলাম। আমাদের গ্রুপটিতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। রামপুরার উলন এলাকার আরেকটি গ্রুপ তারা আমাদের সাথে ত্রাণের জন্য টাকা তুলতে চায় এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে ত্রাণ দেওয়ার জন্য বলে। আমাদের সিনিয়ররা তাদের জানায় আমাদের গ্রুপে অনেক লোকজন আছে আমরা আপনাদের গ্রুপে নিতে চাই না। এই নিয়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আজ সন্ধ্যার দিকে আমরা টাকা তুলছিলাম। এ সময় হাফিজ চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ করে ১৫ থেকে ২০ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হাফিজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে চলে যায়। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান হাফিজ আর বেঁচে নেই।

তিনি আরও জানান, আজ রাতে আমাদের ত্রাণ নিয়ে নোয়াখালী ও ফেনী যাওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যেই কী থেকে কী হয়ে গেল! আমি হামলাকারীদের চিনি কিন্তু নাম বলতে পারছি না, তারা উলন এলাকায় থাকে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।