প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি, শিক্ষক আটক
প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি, শিক্ষক আটক
- আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি করার অভিযোগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে গোলাম কিবরিয়া লালন নামে এক স্কুলশিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ভেড়ামারা-প্রাগপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক গোলাম কিবরিয়া লালন প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বাংলা ক্লাস নিচ্ছিলেন বাংলা শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালন। এ সময় তিনি সম্প্রতি জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাংলা ভাষণের প্রসঙ্গ তুলে বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করেন ক্লাসের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই সময় শিক্ষক প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে ক্লাসে অসন্তোষ তৈরি হয়। ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের কাছে ঘটনাটি জানালে তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কয়েকজন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন ও শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল বলেন, বিষয়টি তিনি মঙ্গলবার রাতে জানতে পারেন। বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ওই শিক্ষককে বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালন কটূক্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকার কারণে বাংলা ভাষার উচ্চারণ কিছুটা অস্পষ্ট হয়েছে এমন বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানান প্রধান শিক্ষক। পরে পুলিশ এসে শিক্ষক লালনকে আটক করে নিয়ে যায়।
ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন ঢাকা পোস্টকে জানান, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা শিক্ষক গোলাম কিবরিয়াকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আসলে সেই মুহূর্তে যে রকম জনরোষের সৃষ্টি হয়েছিল তাকে আমরা সেভ করেছি। শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। তিনি আমাদের হেফাজতেই আছেন।























