সংবাদ শিরোনাম ::
কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ দামুড়হুদায় ১৫শ বস্তা সার জব্দ, অবৈধ পন্থায় মজুদ, গোডাউন সিলগালা পিরোজপুরে মন্দিরের ভূমিতে জামায়াত নেতার ধান চাষ! দখলের অভিযোগ মিথ্যা ডায়েরির প্রতিবাদ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী গ্রামবাসীর ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ নেই ৩ মাসে ১৮৮ কি স্বাভাবিক প্রসব বন্ধ সিজারিয়ান রাজনীতি ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা, জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ মৃধা। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একই ইউনিয়ন এ দেশের বৃহত্তম দুইটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত তবুও লোডশেডিংয়ে নাকাল উপজেলাবাসি.....

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একই ইউনিয়ন এ দেশের বৃহত্তম দুইটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত তবুও লোডশেডিংয়ে নাকাল উপজেলাবাসি…..

কুয়াকাটা প্রতিনিধি মোঃ নাঈম হাওলাদার।
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের ৯নম্বর ও ৭নম্বর ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুইটি অবস্থিত। যার প্রথমে ১৩২০ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১৪ সালে প্রায় ১হাজার একর ভূমি অধিগ্রহণ করে সরকার।যাতে প্রায় ১৩০ টি পরিবার তাদের বসত ভিটা হারিয়েছেন। দীর্ঘ ৫থেকে ৬বছর নির্মাণ কাজ শেষে ২০২০সালে জানুয়ারি মাসে বানিজ্যিক ভাবে বিদুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। এবং দেশের মোট বিদুৎ চাহিদার ১০ থেকে ১২%পারসেন্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।এরপর ১৩২০পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশেই পটুয়াখালী ১৩২০ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ২০১৯ সালে আবার ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়।সেখানেও প্রায় ৯১৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়। এবং প্রায় ২৫০ পরিবার বসত ভিটা হারিয়ে বাস্ত হারা হয়। এরপর পটুয়াখালী ১৩২০তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দীর্ঘ কয়েক বছর নির্মাণ কাজ শেষে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম ইউনিট ও ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দ্বিতীয় ইউনিট পরীক্ষামূলকভাবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিদুৎ উৎপাদন শুরু করে।জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে দুইটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র মিলে দেশের মোট বিদুৎ চাহিদার প্রায় ২০%পারসেন্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে এখান থেকে। স্থানীয়রা বলেন দেশের উন্নয়নের সার্থে বসত ভিটা জমি দিয়েছি তুলনামূলক আমাদের জীবনমান উন্নয়ন হয়নি। তবে উপজেলাবাসী নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবার দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একই ইউনিয়ন এ দেশের বৃহত্তম দুইটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত তবুও লোডশেডিংয়ে নাকাল উপজেলাবাসি.....

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একই ইউনিয়ন এ দেশের বৃহত্তম দুইটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত তবুও লোডশেডিংয়ে নাকাল উপজেলাবাসি…..

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের ৯নম্বর ও ৭নম্বর ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুইটি অবস্থিত। যার প্রথমে ১৩২০ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১৪ সালে প্রায় ১হাজার একর ভূমি অধিগ্রহণ করে সরকার।যাতে প্রায় ১৩০ টি পরিবার তাদের বসত ভিটা হারিয়েছেন। দীর্ঘ ৫থেকে ৬বছর নির্মাণ কাজ শেষে ২০২০সালে জানুয়ারি মাসে বানিজ্যিক ভাবে বিদুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। এবং দেশের মোট বিদুৎ চাহিদার ১০ থেকে ১২%পারসেন্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।এরপর ১৩২০পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশেই পটুয়াখালী ১৩২০ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ২০১৯ সালে আবার ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়।সেখানেও প্রায় ৯১৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়। এবং প্রায় ২৫০ পরিবার বসত ভিটা হারিয়ে বাস্ত হারা হয়। এরপর পটুয়াখালী ১৩২০তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দীর্ঘ কয়েক বছর নির্মাণ কাজ শেষে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম ইউনিট ও ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দ্বিতীয় ইউনিট পরীক্ষামূলকভাবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিদুৎ উৎপাদন শুরু করে।জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে দুইটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র মিলে দেশের মোট বিদুৎ চাহিদার প্রায় ২০%পারসেন্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে এখান থেকে। স্থানীয়রা বলেন দেশের উন্নয়নের সার্থে বসত ভিটা জমি দিয়েছি তুলনামূলক আমাদের জীবনমান উন্নয়ন হয়নি। তবে উপজেলাবাসী নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবার দাবি জানান।