১ মাসের মাথায় উঠে যাচ্ছে নতুন পিচ: ঝালকাঠি পৌরসভায় নিম্নমানের কাজের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৩:৩২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; sv:16.1.6.1.W20; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 0;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 33;

ঝালকাঠি পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কারের মাত্র ১ মাসের মাথায় পিচ (সিলকোট) উঠে যাচ্ছে। নিম্নমানের কাজের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কজুড়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দা, যানবাহন চালক ও সাধারণ পথচারীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অভিযোগের কেন্দ্রে নিম্নমানের কাজ
স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি শহরের ফায়ার সার্ভিস থেকে কলেজ মোড় এবং কামারপট্টি থেকে কলেজ খেয়াঘাট পর্যন্ত সড়কগুলোতে আরসিসি ঢালাইয়ের ওপর পাথরের কুচি ও বিটুমিনের সিলকোট দেওয়া হয়। কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ছিল নীরব। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী:
নির্ধারিত মান উপেক্ষা: চুক্তিতে ৭ মিলি সিলকোট দেওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২-৩ মিলির বেশি দেয়নি।পাথরের কুচির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সিলেট বালু।
সঠিক অনুপাতে বিটুমিন ব্যবহার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই উঠে আসছে সিলকোট।
প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই সংস্কার কাজ এখন জনমনে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। সড়কের পিচ উঠে খোয়া বেরিয়ে আসায় যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির দিনে গর্তগুলোতে পানি জমে থাকায় প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। ভুক্তভোগীদের আক্ষেপ, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সড়ক সংস্কার হলেও তা সপ্তাহ পার হতে না হতেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী টি এম রেজাউল হক রেজভী বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। যেসব সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নিজস্ব অর্থায়নে দ্রুত সংস্কার করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
কেবল দায়সারাভাবে সংস্কার করলেই হবে না বলে মনে করছে সচেতন মহল। তাদের মতে, সরকারি অর্থের এই অপচয় রোধে শুধু ঠিকাদারকে পুনরায় কাজ করতে বললে হবে না; বরং কাজের গুণমান নিশ্চিত করতে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান এমন নিম্নমানের কাজ করার সাহস না পায়।




















