সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরবনে উত্তাল সাগর, ইলিশের সংকট ও জেলেদের দীর্ঘশ্বাস বাবুগঞ্জে এক গাছেই ১০ জাতের আম দামুড়হুদায় বিলে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোকের ছায়া বাবুগঞ্জে প্রবল বর্ষণে সড়কে ধস, যান চলাচলে বিঘ্ন। যে কারণে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বার্থী এলাকা মৃত্যুফাঁদে পরিনত ১ মাসের মাথায় উঠে যাচ্ছে নতুন পিচ: ঝালকাঠি পৌরসভায় নিম্নমানের কাজের অভিযোগ ​ সিলেট বিভাগের ৬ নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়েছে, প্লাবিত হচ্ছে নিন্ম এলাকা বরিশালে নিজের মাথা নিজেই ফাটালেন আসামি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৬ পুলিশ সদস্য আহত মোরেলগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৯ শয্যার ভবনে চলছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, চিকিৎসক সংকট থাকলেও থেমে নেই সেবা, মানোন্নয়নে তৎপর চিকিৎসকরা বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বাগেরহাটে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

বাবুগঞ্জে এক গাছেই ১০ জাতের আম

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় রহমতপুুর হট্টিকালচার সেন্টারে এক গাছেই কলম সংযোজনের মাধ্যমে ধরছে ১০ জাতের আম।

এছাড়াও এক গাছে ২০ জাতের আমের ফলনের গবেষণা চলছে। বিষয়টি এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আগামীতে অধিক ফলনের আশা করছে হট্টিকালচার সেন্টার কতৃপক্ষ। দেশি প্রজাতির আম গাছে কলমের মাধ্যমে বিশ্বখ্যাত জাপানের আম মিয়াজাকি, বিশ্ব সুমিষ্ট স্বাদের আম ন্যামডকমাই, রেড আইভরি, টকমাই, থ্রি টেস্ট, ও দেশি আম্রপালি, বারিভোগ,বারি ১১ সহ ১০ জাতের আমের ফলন হচ্ছে। এমন গাছের চারা রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্চার সাথে চারা ক্রয়কারীকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে হট্টিকালচার সেন্টার থেকে।

হট্টিকালচার সেন্টারের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের রহমতপুুর হট্টিকালচার সেন্টারে একটি গাছে কলম সংযোজনকৃত ১০ জাতের আমের চারা পাওয়া যায়। এছাড়াও এটাকে ১৫ থেকে ২০ জাত পর্যন্ত বাড়াতে কলমের কার্যক্রম চলছে। ১০ জাতের মধ্যে বারিভোগ, আম্রপালি,মিয়াজাকি, ক্যাটিমন,ব্যানানা ইত্যাদি রয়েছে।

তিনি বলেন, আপনি এক গাছে যত জাতের আম চান তা যুক্ত করতে পারবেন। আমরা ইতিমধ্যেই এটা প্রকাশ করছি। আগ্রহীরা আসছেন, চারা কিনছেন। এমন একটি আমের গাছ একটি পরিবারের সবার স্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টিগুণ সরবরাহ করবে বলে জানানো হয়েছে।

হট্টিকালচার সেন্টারের উদ্যান তত্ত্ববিদ ফেরদোউস আরা মিতা বলেন, আমরা বছর জুড়ে আমাদের দেশিও আম খাচ্ছি। এতোদিন আমরা পুষ্টিগুণ না জেনেই খেয়েছি। এতে প্রচুর ভিটামিন এ আছে, আর কাঁচা আমে মিলছে ভিটামিন সি। বড় গাছে কম আম প্রাপ্তির চেয়ে আমরা কলম গাছে বেশি আমের ফলনের দিকে ঝুঁকছি। আমরা এ আমের ফলন নিয়ে ছাদবাগানে গিয়েছি। একটি পরিবারের আমের চাহিদা একটি গাছ দিয়েই পূরণ হবে।

রহমতপুুর হট্টিকালচার সেন্টার থেকে বছরে আড়াই লাখ ফলজ গাছের চারা বিক্রি হয়ে থাকে। এ বছরের (২০২৬) পরিসংখ্যানে এসব চারার মধ্যে দের লাখ চারাই হচ্ছে এক গাছে বহুজাত আমের চারা।
আজ শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে ক্রেতাদের আমের চারা কিনতে দেখা গেছে।

আমের চারা কিনতে আসা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, এখানে এসে দেখলাম যে একই স্থানে ৭৪ ধরনের আমের চারা রয়েছে। আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো যে,একটি গাছে ১০ জাতের আম আছে। এটা আমাদেরকে খুবই অবাক করেছে।

বরিশাল রহমতপুুর হট্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ অলিউল রহমান বলেন, আমাদেরকে এই গবেষণা সেন্টারে ৭৪ জাতের আমের চারা সফল হয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, বিশ্বের সবচেয়ে সুমিষ্ট আম ন্যামডকমাই গত দু বছর ধরে জেলায় ভালো ফলন দিচ্ছে। সরকারি মূল্যে যে কোন কৃষক এখান থেকে উচ্চ ফলনশীল আমের চারা কিনতে পরেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাবুগঞ্জে এক গাছেই ১০ জাতের আম

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় রহমতপুুর হট্টিকালচার সেন্টারে এক গাছেই কলম সংযোজনের মাধ্যমে ধরছে ১০ জাতের আম।

এছাড়াও এক গাছে ২০ জাতের আমের ফলনের গবেষণা চলছে। বিষয়টি এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আগামীতে অধিক ফলনের আশা করছে হট্টিকালচার সেন্টার কতৃপক্ষ। দেশি প্রজাতির আম গাছে কলমের মাধ্যমে বিশ্বখ্যাত জাপানের আম মিয়াজাকি, বিশ্ব সুমিষ্ট স্বাদের আম ন্যামডকমাই, রেড আইভরি, টকমাই, থ্রি টেস্ট, ও দেশি আম্রপালি, বারিভোগ,বারি ১১ সহ ১০ জাতের আমের ফলন হচ্ছে। এমন গাছের চারা রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্চার সাথে চারা ক্রয়কারীকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে হট্টিকালচার সেন্টার থেকে।

হট্টিকালচার সেন্টারের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের রহমতপুুর হট্টিকালচার সেন্টারে একটি গাছে কলম সংযোজনকৃত ১০ জাতের আমের চারা পাওয়া যায়। এছাড়াও এটাকে ১৫ থেকে ২০ জাত পর্যন্ত বাড়াতে কলমের কার্যক্রম চলছে। ১০ জাতের মধ্যে বারিভোগ, আম্রপালি,মিয়াজাকি, ক্যাটিমন,ব্যানানা ইত্যাদি রয়েছে।

তিনি বলেন, আপনি এক গাছে যত জাতের আম চান তা যুক্ত করতে পারবেন। আমরা ইতিমধ্যেই এটা প্রকাশ করছি। আগ্রহীরা আসছেন, চারা কিনছেন। এমন একটি আমের গাছ একটি পরিবারের সবার স্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টিগুণ সরবরাহ করবে বলে জানানো হয়েছে।

হট্টিকালচার সেন্টারের উদ্যান তত্ত্ববিদ ফেরদোউস আরা মিতা বলেন, আমরা বছর জুড়ে আমাদের দেশিও আম খাচ্ছি। এতোদিন আমরা পুষ্টিগুণ না জেনেই খেয়েছি। এতে প্রচুর ভিটামিন এ আছে, আর কাঁচা আমে মিলছে ভিটামিন সি। বড় গাছে কম আম প্রাপ্তির চেয়ে আমরা কলম গাছে বেশি আমের ফলনের দিকে ঝুঁকছি। আমরা এ আমের ফলন নিয়ে ছাদবাগানে গিয়েছি। একটি পরিবারের আমের চাহিদা একটি গাছ দিয়েই পূরণ হবে।

রহমতপুুর হট্টিকালচার সেন্টার থেকে বছরে আড়াই লাখ ফলজ গাছের চারা বিক্রি হয়ে থাকে। এ বছরের (২০২৬) পরিসংখ্যানে এসব চারার মধ্যে দের লাখ চারাই হচ্ছে এক গাছে বহুজাত আমের চারা।
আজ শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে ক্রেতাদের আমের চারা কিনতে দেখা গেছে।

আমের চারা কিনতে আসা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, এখানে এসে দেখলাম যে একই স্থানে ৭৪ ধরনের আমের চারা রয়েছে। আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো যে,একটি গাছে ১০ জাতের আম আছে। এটা আমাদেরকে খুবই অবাক করেছে।

বরিশাল রহমতপুুর হট্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ অলিউল রহমান বলেন, আমাদেরকে এই গবেষণা সেন্টারে ৭৪ জাতের আমের চারা সফল হয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, বিশ্বের সবচেয়ে সুমিষ্ট আম ন্যামডকমাই গত দু বছর ধরে জেলায় ভালো ফলন দিচ্ছে। সরকারি মূল্যে যে কোন কৃষক এখান থেকে উচ্চ ফলনশীল আমের চারা কিনতে পরেছেন।