চুয়াডাঙ্গাযর জীবননগরে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত,স্বামী গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ১১:৫০:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে ঘুমন্ত স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে স্বামীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গুরুতর হামলায় আহত স্ত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বালিরহুদা ষষ্ঠীতলা গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে রোজিনা খাতুন( ১৮) পিতার বাড়িতে সে ও তার স্বামী গড়াইটুপি গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে রাতুল রাতে শুয়ে ছিল। রাত ২টার দিকে সবাই ঘুমিয়ে থাকাকালে রাতুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে রোজিনার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
রোজিনার চিৎকারে তার বাবা-মা ও আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রাতুলকে আটক করেন এবং পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতুলকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। আন্যদিকে আহত রোজিনাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রোজিনার মা রেশমা খাতুন বলেন,বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে রোজিনার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন স্বামী রাতুল। নির্যাতনের কারণে প্রায় দুই মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন।শনিবার সন্ধ্যায় রাতুল শ্বশুরবাড়িতে আসেন। তাকে আপ্যায়ন করে রাতে বাড়িতেই থাকার ব্যবস্থা করেন। গভীর রাতে, আনুমানিক রাত ২টার দিকে সবাই ঘুমিয়ে থাকাকালে রাতুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে রোজিনার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।পরে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতুলকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। আহত রোজিনাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হাসিব উদ্দিন জানান, ভোর ৫টার দিকে আহত রোজিনাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর আঘাতের প্রকৃত মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, অভিযুক্ত রাতুল হেফাজতে রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে আহত রোজিনার সঙ্গে কথা বলেছে। তবে এখনো পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
























