পাথরঘাটা থানার বিতর্কিত ওসি ক্লোজ! সর্ব মহলে প্রশংসায় ভাসছেন রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান
- আপডেট সময় : ০৭:১০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

সাম্প্রতি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এর দায়িত্বহীন পরিচয় দিয়ে বাদিনীকে নিয়ে ওসির অশ্লীল কথার একটি ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে বরিশাল রেঞ্জের সৎ, আদর্শবান,নির্ভীক, কর্মদক্ষ পুলিশ অফিসার বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সেই বিতর্কিত পাথরঘাটা থানার অফিসার ইন চার্জ কে প্রশাসনিক কারণে ক্লোজ করে বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় সংযুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করেন।উক্ত তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয় পাথরঘাটা থানার সার্কেল,
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহেদ চৌধুরী কে।যদি তদন্তের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যা যা করা দরকার তা করবেন বলে প্রতিবেদককে জানান বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি।বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি আরো বলেন পাথরঘাটা থানার বিতর্কিত ওসির বিরুদ্ধে যে সকল সাংবাদিক বন্ধুরা সত্য ঘটনা জাতির কাছে তুলে ধরেছেন তাদেরকে তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির এই দ্রুত অ্যাকশনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে সর্ব মহলের প্রশংসায় ভূষিত হন বর্তমান বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি চৌকশ পুলিশ অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান।
বরিশাল রেঞ্জে মোস্তাফিজুর রহমান যোগদান করার পর থেকে আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা সহ বরিশাল রেঞ্জে কোন ধরনের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে ব্যাপারে তিনি সর্বদা সজাগ থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।সেই সাথে বরিশাল রেঞ্জ পুলিশ যাতে তাদের পুলিশের সেবা সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে সে ব্যাপারেও গুরুত্বের সাথে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের সকল সদস্যরা যাতে সততা ও নিষ্ঠার সাথে মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য অঙ্গীকার আবদ্ধ হয় সেই ব্যাপারেও গুরুত্বের সাথে কাজ করছেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির সততা, দক্ষতা ও তৎপরতায় বরিশাল রেঞ্জের সকল পুলিশ দুর্নীতি মুক্ত হিসাবে ইতিমধ্যেই বরিশাল রেঞ্জের সকল মহলে কাছে পরিচিতি পেয়েছে।বাংলাদেশের জন্য একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিলক্ষি হচ্ছে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির ভালো মানবিক সেবামূলক কর্মকান্ড।
সম্প্রতি যেই কারণে পাথরঘাটার থানার অফিসার ইনচার্জ কে বদলি করা হয় সেই ঘটনাটি হলো, বরগুনার পাথরঘাটায় আদালতের নির্দেশে করা একটি মামলার নারী বাদী ফাতিমা জোমাদ্দার অর্পার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মামলার প্রধান আসামি বাদশা আকনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনার আগে মামলা গ্রহণে বিলম্ব এবং বাদীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও উঠেছে পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ এনামের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরদুয়ানী এলাকা থেকে পাথরঘাটা থানায় আসার পথে অর্পার পথরোধ করে তাকে মারধর এবং একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মোহাম্মদ শাহেদ চৌধুরী বলেন, হামলার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় এবং বাদীকে উদ্ধার করা হয়েছে।অর্পার অভিযোগ, মামলার প্রধান আসামিকে বুধবার রাতে পুলিশ আটক করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর পরদিনই তিনি হামলার শিকার হন। হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মে বরগুনার এসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুর রহমান ফাতিমা জোমাদ্দার অর্পার দায়ের করা অভিযোগকে এফআইআর হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে পাথরঘাটা থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।তবে বাদীর দাবি, আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মামলা নিতে বিলম্ব করা হয়। এমনকি আদালতের আদেশ নিয়ে থানায় গেলে সহযোগিতার পরিবর্তে অপমানজনক আচরণের মুখোমুখি হতে হয় তাকে।
অর্পার ভাষ্য অনুযায়ী, ওসি মোহাম্মদ এনাম তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি সেই মাল? ইবলিস যেন কোথাকার’। এ ঘটনায় তিনি নিজেকে অপমানিত ও বিব্রত বোধ করেন। ওই সময় সাবেক পাথরঘাটা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির নেত্রী মরিয়ম চৌধুরী জেবু উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে মরিয়ম চৌধুরী জেবু বলেন, ‘আমার উপস্থিতিতে ওসি মামলার বাদী অর্পাকে উদ্দেশ করে ‘আপনি সেই মাল?’ বলে মন্তব্য করেন। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মুখে এমন কথা শুনে উপস্থিত সবাই বিব্রত হয়েছিল। আদালতের নির্দেশনা যথাসময়ে বাস্তবায়ন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে হয়তো পরবর্তী ঘটনা এড়ানো যেত।’
অর্পা আরও অভিযোগ করেন, গত ১৪ জুন মামলার বিষয়ে কথা বলতে ওসির সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া পাননি। পরে ব্যক্তিগত নম্বরে যোগাযোগ করলে মামলার বিষয়ে কথা না বলে কেন ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করা হয়েছে, তা নিয়ে তাকে জবাবদিহি করতে বলা হয়। এ সংক্রান্ত একটি অডিও রেকর্ডও তার কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি প্রতিবেদককে বলেন, পাথরঘাটা থানার ওসির অপকর্মের দায় বাংলাদেশ পুলিশ নিবে না,তিনি যদি কোন অপকর্ম করে থাকেন তার দায়ভার তার নিজেকেই নিতে হবে এবং সেই অপকর্মের শাস্তিও পাবে।




















