সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

​তেঁতুলিয়ার শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্নের প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তেঁতুলিয়া ​(পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: তেঁতুলিয়ার শালবাহান দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্নের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এলাকাবাসী ও অভিভাবকবৃন্দ। সম্প্রতি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার হয়ে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে গত ২০ মে আশপাশের অন্যান্য বিদ্যালয়ের কয়েকজন প্রধান শিক্ষক শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে এসে দুই সহকারী শিক্ষকের মাঝে দ্বন্দ্বের মিমাংসা করে দেয়। এতে সাবেক শিক্ষার্থী সহ অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দুই সহকারী শিক্ষকের মাঝে নকল বানিজ্য ও ভুয়া সার্টিফিকেট চাকরি করার অভিযোগে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব কেন তারা বিদ্যালয়কে ব্যবহার করল। আবার কেনই বা আপোষ হলো সঠিক তদন্ত ছাড়াই।
রোববার দুপুর আয়োজিত মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন। বক্তারা বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষায় অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
সাবেক শিক্ষার্থী ও সাবেক অভিভাবক সদস্য এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বেগম খালেদা জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, শালবাহান দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক নইমুল হক, অভিভাবক মুসলিম উদ্দিন, মিজানুর রহমান মুকুল, সেকেন্দার আলী, কামাল উদ্দিন প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
এ সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী দাবি করেন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সাবেক প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামকে প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক কাবুল মানববন্ধনে আকস্মিক প্রবেশ করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন । এতে উপস্থিত জনতার মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং মানববন্ধনস্থলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে হেয় প্রতিপন্ন করতে আসিনি। বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষা এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের স্বার্থে শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন করছি। কিন্তু একজন সম্মানিত শিক্ষককে প্রকাশ্যে অশালীন ভাষায় অপমান করা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিদ্যালয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকা উচিত। আমরা চাই অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
মানববন্ধনে কয়েকজন বক্তা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের জমি, দোকান ভাড়া, তাজা পুকুরসহ বিভিন্ন খাতের বার্ষিক আয়ের টাকা আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন কাবুল মাস্টার। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

​তেঁতুলিয়ার শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্নের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

তেঁতুলিয়া ​(পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: তেঁতুলিয়ার শালবাহান দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্নের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এলাকাবাসী ও অভিভাবকবৃন্দ। সম্প্রতি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার হয়ে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে গত ২০ মে আশপাশের অন্যান্য বিদ্যালয়ের কয়েকজন প্রধান শিক্ষক শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে এসে দুই সহকারী শিক্ষকের মাঝে দ্বন্দ্বের মিমাংসা করে দেয়। এতে সাবেক শিক্ষার্থী সহ অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দুই সহকারী শিক্ষকের মাঝে নকল বানিজ্য ও ভুয়া সার্টিফিকেট চাকরি করার অভিযোগে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব কেন তারা বিদ্যালয়কে ব্যবহার করল। আবার কেনই বা আপোষ হলো সঠিক তদন্ত ছাড়াই।
রোববার দুপুর আয়োজিত মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন। বক্তারা বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষায় অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
সাবেক শিক্ষার্থী ও সাবেক অভিভাবক সদস্য এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বেগম খালেদা জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, শালবাহান দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক নইমুল হক, অভিভাবক মুসলিম উদ্দিন, মিজানুর রহমান মুকুল, সেকেন্দার আলী, কামাল উদ্দিন প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
এ সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী দাবি করেন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সাবেক প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামকে প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক কাবুল মানববন্ধনে আকস্মিক প্রবেশ করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন । এতে উপস্থিত জনতার মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং মানববন্ধনস্থলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে হেয় প্রতিপন্ন করতে আসিনি। বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষা এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের স্বার্থে শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন করছি। কিন্তু একজন সম্মানিত শিক্ষককে প্রকাশ্যে অশালীন ভাষায় অপমান করা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিদ্যালয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকা উচিত। আমরা চাই অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
মানববন্ধনে কয়েকজন বক্তা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের জমি, দোকান ভাড়া, তাজা পুকুরসহ বিভিন্ন খাতের বার্ষিক আয়ের টাকা আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন কাবুল মাস্টার। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।