সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

স্বর্ণের বিস্কুটগুলো গেল কোথায়? বিরামপুরে পুলিশের ভূমিকায় উঠছে একের পর এক প্রশ্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকায় কথিত স্বর্ণের বিস্কুট উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনমনে সৃষ্টি হয়েছে চরম কৌতূহল, উদ্বেগ ও ক্ষোভ। একদিকে পুলিশ প্রশাসনের “না জানার” অবস্থান, অন্যদিকে স্থানীয়দের একাধিক বক্তব্য—সব মিলিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে মোট সাতটি স্বর্ণের বিস্কুট ছিল। তবে বর্তমানে সেই স্বর্ণ কোথায় রয়েছে, তা নিয়েই ঘুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন। কেউ বলছেন, বিস্কুটগুলো পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, আবার কেউ দাবি করছেন পরে সেগুলো তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীর মুখে এখন একটাই প্রশ্ন—
“উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ গেল কোথায়?”
অভিযোগ রয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিরামপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণ পাচারের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রামচন্দ্রপুর গ্রামের স্বপন চন্দ্রের স্ত্রী শ্যামলী রানীর বাড়ির পাশের ডোবায় স্বর্ণের বিস্কুট ফেলে দেওয়ার নাটক সাজান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কাটলা ইউনিয়নের দক্ষিণ দাউদপুর গ্রামের মিরাজ উদ্দিনের ছেলে জামিল ওরফে “মিস্টার”-এর নাম এ ঘটনায় উঠে আসে। গ্রাম পুলিশ সদস্য মনছুর আলী দাবি করেন, জামিল তাকে জানিয়েছেন—উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের প্রকৃত মালিক তিনি নন; বরং দক্ষিণ দাউদপুর সমতুল্যা পাড়ার মৃত নইমুদ্দিনের ছেলে জিল্লুর রহমান এবং উত্তর দাউদপুর বেপারীপাড়ার সাইফুল ইসলামের ছেলে সাহেব আলী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিল্লুর রহমান ও সাহেব আলী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ঘটনার পর স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেই যদি সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় ন্যায়বিচার পাবে?
স্থানীয়দের আরও দাবি, থানার আওতাধীন কোনো অভিযান সাধারণত অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর অনুমতি ছাড়া পরিচালিত হওয়ার কথা নয়। ফলে বিরামপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সরকার এ অভিযানের বিষয়ে অবগত ছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
ঘটনা সূত্রে আরও জানা যায়, বিরামপুর থানার বেতার বার্তা অপারেটর রাশেদুজ্জামান ও হাকিমপুর থানার কনস্টেবল সাইফুল ইসলামের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। যদিও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে রাশেদুজ্জামান কল কেটে দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তাকে ইতোমধ্যেই ঢাকায় ক্লোজড করা হয়েছে।
এদিকে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিরামপুর থানার এক পুলিশ সদস্য দাবি করেন, বিষয়টি ওসি সাইফুল ইসলাম সরকার জানতে পারার পর অভিযানে থাকা দুই পুলিশ সদস্য উদ্ধার হওয়া দুটি সোনার বার তাঁর কাছে জমা দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, এ বিষয়ে কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ওসি তিন দিনের ছুটিতে চলে যান।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাটিতে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য জড়িত থাকতে পারেন। এমনকি অভিযোগ রয়েছে, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দ না করে তা গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পরও ওসি কোনো তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ছুটিতে চলে যাওয়ায় জনমনে নতুন করে সন্দেহ ও রহস্যের জন্ম দিয়েছে। বিরামপুর রেলস্টেশনে থানার গাড়ি রেখে দ্রুত ট্রেনে ওঠার ঘটনাও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (হাকিমপুর সার্কেল) আনম নিয়ামত উল্লাহ জানান, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা পুলিশ সদস্য যদি উদ্ধারকৃত আলামত গোপন, আত্মসাৎ কিংবা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া সরিয়ে ফেলার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তবে তা দণ্ডবিধি, দুর্নীতি দমন আইন এবং সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এলাকাবাসী সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, পুলিশ সদর দপ্তর, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত সকল ব্যক্তি—তারা যেই হোক না কেন—তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্বর্ণের বিস্কুটগুলো গেল কোথায়? বিরামপুরে পুলিশের ভূমিকায় উঠছে একের পর এক প্রশ্ন

আপডেট সময় : ১০:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকায় কথিত স্বর্ণের বিস্কুট উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনমনে সৃষ্টি হয়েছে চরম কৌতূহল, উদ্বেগ ও ক্ষোভ। একদিকে পুলিশ প্রশাসনের “না জানার” অবস্থান, অন্যদিকে স্থানীয়দের একাধিক বক্তব্য—সব মিলিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে মোট সাতটি স্বর্ণের বিস্কুট ছিল। তবে বর্তমানে সেই স্বর্ণ কোথায় রয়েছে, তা নিয়েই ঘুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন। কেউ বলছেন, বিস্কুটগুলো পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, আবার কেউ দাবি করছেন পরে সেগুলো তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীর মুখে এখন একটাই প্রশ্ন—
“উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ গেল কোথায়?”
অভিযোগ রয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিরামপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণ পাচারের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রামচন্দ্রপুর গ্রামের স্বপন চন্দ্রের স্ত্রী শ্যামলী রানীর বাড়ির পাশের ডোবায় স্বর্ণের বিস্কুট ফেলে দেওয়ার নাটক সাজান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কাটলা ইউনিয়নের দক্ষিণ দাউদপুর গ্রামের মিরাজ উদ্দিনের ছেলে জামিল ওরফে “মিস্টার”-এর নাম এ ঘটনায় উঠে আসে। গ্রাম পুলিশ সদস্য মনছুর আলী দাবি করেন, জামিল তাকে জানিয়েছেন—উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের প্রকৃত মালিক তিনি নন; বরং দক্ষিণ দাউদপুর সমতুল্যা পাড়ার মৃত নইমুদ্দিনের ছেলে জিল্লুর রহমান এবং উত্তর দাউদপুর বেপারীপাড়ার সাইফুল ইসলামের ছেলে সাহেব আলী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিল্লুর রহমান ও সাহেব আলী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ঘটনার পর স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেই যদি সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় ন্যায়বিচার পাবে?
স্থানীয়দের আরও দাবি, থানার আওতাধীন কোনো অভিযান সাধারণত অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর অনুমতি ছাড়া পরিচালিত হওয়ার কথা নয়। ফলে বিরামপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সরকার এ অভিযানের বিষয়ে অবগত ছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
ঘটনা সূত্রে আরও জানা যায়, বিরামপুর থানার বেতার বার্তা অপারেটর রাশেদুজ্জামান ও হাকিমপুর থানার কনস্টেবল সাইফুল ইসলামের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। যদিও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে রাশেদুজ্জামান কল কেটে দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তাকে ইতোমধ্যেই ঢাকায় ক্লোজড করা হয়েছে।
এদিকে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিরামপুর থানার এক পুলিশ সদস্য দাবি করেন, বিষয়টি ওসি সাইফুল ইসলাম সরকার জানতে পারার পর অভিযানে থাকা দুই পুলিশ সদস্য উদ্ধার হওয়া দুটি সোনার বার তাঁর কাছে জমা দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, এ বিষয়ে কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ওসি তিন দিনের ছুটিতে চলে যান।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাটিতে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য জড়িত থাকতে পারেন। এমনকি অভিযোগ রয়েছে, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দ না করে তা গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পরও ওসি কোনো তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ছুটিতে চলে যাওয়ায় জনমনে নতুন করে সন্দেহ ও রহস্যের জন্ম দিয়েছে। বিরামপুর রেলস্টেশনে থানার গাড়ি রেখে দ্রুত ট্রেনে ওঠার ঘটনাও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (হাকিমপুর সার্কেল) আনম নিয়ামত উল্লাহ জানান, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা পুলিশ সদস্য যদি উদ্ধারকৃত আলামত গোপন, আত্মসাৎ কিংবা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া সরিয়ে ফেলার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তবে তা দণ্ডবিধি, দুর্নীতি দমন আইন এবং সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এলাকাবাসী সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, পুলিশ সদর দপ্তর, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত সকল ব্যক্তি—তারা যেই হোক না কেন—তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি উঠেছে।