সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

চুয়াডাঙ্গায় ইউনিয়নে ভূয়া জন্ম প্রস্তুতকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তা গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভুয়া জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগে পুলিশ পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তাকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার সকাল ৮ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নে পরিষদে অভিযান চালিয়ে
বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা মালোপাড়ার মৃত রজব আলীর ছেলে
মো. রায়হান মাহমুদ (৩৫) ও উদ্যোক্তা বেগমপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (৩০)কে গ্রেফতার করে। তারা দীর্ঘদিন অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার বাসিন্দাদের ভুয়া ঠিকানায় জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করে আসছিলেন। তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলার লোকজনকে বেগমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা দেখিয়ে ডিজিটাল জন্মসনদ তৈরি করে দিতো। ৭ মে এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসিয়াল নম্বরে অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্তে নামে উপজেলা প্রশাসন।
সরেজমিন তদন্তে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশ্চিত হন- যাদের নামে জন্মনিবন্ধন করা হয়েছে তারা কেউই বেগমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নন, এমনকি স্থানীয়রাও তাদের চেনেন না। ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত নিবন্ধন আইডি অপব্যবহার করে উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম নিজেই জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
এদিকে জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে অসদুপায়ে জন্মনিবন্ধন তৈরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। প্রশাসনের ধারণা, এই চক্রের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ভুয়া জন্মসনদ তৈরি হয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এর পরেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় মামলা করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার ইতোমধ্যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই পুরো নেটওয়ার্ককে আইনের আওতায় আনা হবে।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) হিমেল রানা বলেন, ইউএনও তিথি মিত্র কর্তৃক তদন্ত শেষে মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গায় ইউনিয়নে ভূয়া জন্ম প্রস্তুতকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভুয়া জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগে পুলিশ পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তাকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার সকাল ৮ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নে পরিষদে অভিযান চালিয়ে
বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা মালোপাড়ার মৃত রজব আলীর ছেলে
মো. রায়হান মাহমুদ (৩৫) ও উদ্যোক্তা বেগমপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (৩০)কে গ্রেফতার করে। তারা দীর্ঘদিন অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার বাসিন্দাদের ভুয়া ঠিকানায় জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করে আসছিলেন। তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলার লোকজনকে বেগমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা দেখিয়ে ডিজিটাল জন্মসনদ তৈরি করে দিতো। ৭ মে এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসিয়াল নম্বরে অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্তে নামে উপজেলা প্রশাসন।
সরেজমিন তদন্তে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশ্চিত হন- যাদের নামে জন্মনিবন্ধন করা হয়েছে তারা কেউই বেগমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নন, এমনকি স্থানীয়রাও তাদের চেনেন না। ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত নিবন্ধন আইডি অপব্যবহার করে উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম নিজেই জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
এদিকে জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে অসদুপায়ে জন্মনিবন্ধন তৈরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। প্রশাসনের ধারণা, এই চক্রের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ভুয়া জন্মসনদ তৈরি হয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এর পরেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় মামলা করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার ইতোমধ্যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই পুরো নেটওয়ার্ককে আইনের আওতায় আনা হবে।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) হিমেল রানা বলেন, ইউএনও তিথি মিত্র কর্তৃক তদন্ত শেষে মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে।