সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

আবাসিক ভবনে ১৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে ১৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না রাখার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মজুত তেল সরিয়ে নেওয়া এবং আবাসিক ভবনে তেল বিক্রি স্থায়ীভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে আগামী ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুত রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিল। তাদের খুচরা তেল বিক্রির লাইসেন্স থাকলেও পরবর্তীতে আবাসিক ভবনের নিচতলায় প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। সেখানে অভিযানকালে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুত পাওয়া যায়। এছাড়াও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।

অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আবাসিক ভবনে ১৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে ১৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না রাখার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মজুত তেল সরিয়ে নেওয়া এবং আবাসিক ভবনে তেল বিক্রি স্থায়ীভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে আগামী ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুত রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিল। তাদের খুচরা তেল বিক্রির লাইসেন্স থাকলেও পরবর্তীতে আবাসিক ভবনের নিচতলায় প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। সেখানে অভিযানকালে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুত পাওয়া যায়। এছাড়াও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।

অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।