সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বিজয়নগরে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সবুজ হবে বাংলাদেশ— বাবুগঞ্জের কেদারপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য

ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নথিতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুদান এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা সংশ্লিষ্ট একটি চাঞ্চল্যকর গোয়েন্দা প্রতিবেদন ইতিমধ্যে হাতে এসে পৌঁছেছে। ওই গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এসব আর্থিক অসংগতি ও দ্বৈত বাজেটের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অধিকতর তদন্তের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানকে সভাপতি করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে দুদক এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তাদের আগামী ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদেশের সবচেয়ে আলোচিত অংশটি হলো তিন নম্বর পয়েন্ট। সেখানে বিশেষভাবে সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র ও আর্থিক লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করা এবং জড়িতদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের তথ্য যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংস্থাগুলোকে।

এই গুরুতর অভিযোগ ও কালবেলার হাতে আসা গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি এ বিষয়ে তিনি আমাদের কোনো ধরনের সহযোগিতাও করেননি।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা ওই নথিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিল স্মারক নম্বর এবং উপসচিব মোহাম্মদ গোলাম কবিরের স্বাক্ষর দেখা যাচ্ছে। তবে ইন্টারনেটে অনেক সময় ভুয়া সরকারি আদেশ ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা থাকায় এই স্পর্শকাতর নথির আনুষ্ঠানিক সত্যতা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা মূলধারার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এই আদেশের শতভাগ সত্যতা নিশ্চিত করা কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

আপডেট সময় : ০৪:০৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নথিতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুদান এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা সংশ্লিষ্ট একটি চাঞ্চল্যকর গোয়েন্দা প্রতিবেদন ইতিমধ্যে হাতে এসে পৌঁছেছে। ওই গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এসব আর্থিক অসংগতি ও দ্বৈত বাজেটের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অধিকতর তদন্তের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানকে সভাপতি করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে দুদক এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তাদের আগামী ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদেশের সবচেয়ে আলোচিত অংশটি হলো তিন নম্বর পয়েন্ট। সেখানে বিশেষভাবে সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র ও আর্থিক লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করা এবং জড়িতদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের তথ্য যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংস্থাগুলোকে।

এই গুরুতর অভিযোগ ও কালবেলার হাতে আসা গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি এ বিষয়ে তিনি আমাদের কোনো ধরনের সহযোগিতাও করেননি।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা ওই নথিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিল স্মারক নম্বর এবং উপসচিব মোহাম্মদ গোলাম কবিরের স্বাক্ষর দেখা যাচ্ছে। তবে ইন্টারনেটে অনেক সময় ভুয়া সরকারি আদেশ ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা থাকায় এই স্পর্শকাতর নথির আনুষ্ঠানিক সত্যতা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা মূলধারার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এই আদেশের শতভাগ সত্যতা নিশ্চিত করা কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।