খুলনা বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ১৩ জন নিহত
- আপডেট সময় : ০৩:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর-কনেসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এতে বর সাব্বির, তার বাবা আব্দুর রাজ্জাক, কনে মার্জিয়া আক্তার (মিতু), মিতুর বোন-নানি ও মাইক্রোবাসচালকসহ মোট ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলাইব্রিজ এলাকায় দ্রুতগতিতে আসা নৌবাহীনির একটি বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
নিহত কনে মার্জিয়া আক্তারের (মিতু) মামা আবু তাহের জানান, দুপুরে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা এলাকায় আমার ভাগ্নি মার্জিয়ার সঙ্গে মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শেলাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আ. রাজ্জাকের ছেলে সাব্বিরের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর বরযাত্রীদের নিয়ে মাইক্রোবাসটি মার্জিয়ার শ্বশুরবাড়ি থেকে মোংলার উদ্দেশে রওনা দেয়।
পথে রামপালে এলে এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে মার্জিয়া, তার বোন লামিয়া ও নানি নিহত হয়েছেন। এছাড়া বরের সঙ্গে আরও আটজন নিহত হন।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কে এম হাসানুজ্জামান জানান, নৌবাহিনীর বাসটি খুলনার দিকে যাচ্ছিল আর মাইক্রোবাসটি ছিল মোংলাগামী।
পথে বেলাইব্রিজ এলাকায় দুটি যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। হতাহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানান, দুর্ঘটনায় নিহত চারজনের লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। আহত কয়েকজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খুমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মেহেনাজ মোশাররফ বলেন, এ পর্যন্ত আমাদের এখানে নয়জনের লাশ আনা হয়েছে। এর মধ্যে তিন শিশু, তিন নারী ও দুজন পুরুষ। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি থাকা আরও একজন নিহত হয়েছেন।

























