সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

ভিডিও : হেলিকপ্টারের রশিতে ঝুলে প্রাণে বাঁচলেন নেপালের মন্ত্রীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেপালে তরুণ প্রজন্মের সরকারবিরোধী সহিংস আন্দোলনের সময় দেশটির একাধিক মন্ত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে উত্তেজিত জনতার মারধরের বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্টসহ সরকারের অনেক মন্ত্রী ও এমপির বাসভবনে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা। এ সময় বাসাবাড়িতে আটকে পড়া সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা, মন্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সামরিক হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করা হয়।

সহিংসতায় জর্জরিত নেপালের সবচেয়ে আলোচিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মন্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সেনা হেলিকপ্টারের রশিতে ঝুলে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুত ভয়াবহ সহিংসতায় রূপ নেয় মঙ্গলবার। রাজধানী কাঠমান্ডুতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। পরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারির পাশাপাশি সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়।

বুধবার রাজধানীর রাস্তায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সেনাবাহিনী। এর আগে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

মঙ্গলবার জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলনকারীদের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষ দেশটির সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা এবং সংসদ ভবনে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় দেশটির তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী পৃথী সুব্বা গুরুঙ্গের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু পাউডেলের বাসভবনে ভাঙচুর, নেপালের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের গভর্নর বিশ্ব পাউডেল ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের বাড়িতে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা এক ভিডিওতে দেখা যায়, অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু পাউডেলকে রাস্তায় ধাওয়া দিয়ে মারধর করছেন বিক্ষোভকারীরা। আরেকটি ভিডিওতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরজু রানা দেউবা ও তার স্বামী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও নেপালি কংগ্রেসের প্রধান শের বাহাদুর দেউবাকে কাঠমান্ডুর বাড়িতে মারপিট করতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের।

ভিডিওতে রক্তাক্ত শের বাহাদুর দেউবাকে মাঠের মাঝে অসহায়ভাবে বসে থাকতে দেখা যায়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করেন। অপর একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার রেসকিউ বাস্কেটে করে কয়েকজন মন্ত্রী ও সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাকে তুলে নিয়ে কাঠমান্ডুর একটি হোটেলের ছাদে নামিয়ে দিচ্ছে। এ সময় ওই এলাকার আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।

সূত্র: এনডিটিভি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভিডিও : হেলিকপ্টারের রশিতে ঝুলে প্রাণে বাঁচলেন নেপালের মন্ত্রীরা

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেপালে তরুণ প্রজন্মের সরকারবিরোধী সহিংস আন্দোলনের সময় দেশটির একাধিক মন্ত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে উত্তেজিত জনতার মারধরের বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্টসহ সরকারের অনেক মন্ত্রী ও এমপির বাসভবনে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা। এ সময় বাসাবাড়িতে আটকে পড়া সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা, মন্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সামরিক হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করা হয়।

সহিংসতায় জর্জরিত নেপালের সবচেয়ে আলোচিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মন্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সেনা হেলিকপ্টারের রশিতে ঝুলে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুত ভয়াবহ সহিংসতায় রূপ নেয় মঙ্গলবার। রাজধানী কাঠমান্ডুতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। পরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারির পাশাপাশি সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়।

বুধবার রাজধানীর রাস্তায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সেনাবাহিনী। এর আগে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

মঙ্গলবার জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলনকারীদের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষ দেশটির সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা এবং সংসদ ভবনে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় দেশটির তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী পৃথী সুব্বা গুরুঙ্গের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু পাউডেলের বাসভবনে ভাঙচুর, নেপালের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের গভর্নর বিশ্ব পাউডেল ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের বাড়িতে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা এক ভিডিওতে দেখা যায়, অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু পাউডেলকে রাস্তায় ধাওয়া দিয়ে মারধর করছেন বিক্ষোভকারীরা। আরেকটি ভিডিওতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরজু রানা দেউবা ও তার স্বামী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও নেপালি কংগ্রেসের প্রধান শের বাহাদুর দেউবাকে কাঠমান্ডুর বাড়িতে মারপিট করতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের।

ভিডিওতে রক্তাক্ত শের বাহাদুর দেউবাকে মাঠের মাঝে অসহায়ভাবে বসে থাকতে দেখা যায়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করেন। অপর একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার রেসকিউ বাস্কেটে করে কয়েকজন মন্ত্রী ও সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাকে তুলে নিয়ে কাঠমান্ডুর একটি হোটেলের ছাদে নামিয়ে দিচ্ছে। এ সময় ওই এলাকার আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।

সূত্র: এনডিটিভি।