সংবাদ শিরোনাম ::
দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠি জেলা পরিষদের জমি ইজারা নিয়ে গণশুনানি, অবৈধ দখল উচ্ছেদের ঘোষণা বিষখালী নদীতে মৎস্য অভিযান, আটক ৫ ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জনের কারাদণ্ড অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটার মামলার ১ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার ভাণ্ডারিয়ায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধ মঞ্চ থেকে ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লিফলেট প্রদান বরিশালে থানার সংখ্যা দ্বিগুণের পরিকল্পনা, হবে আরও ৪ থানা বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা স্থগিত, তদন্ত কমিটি গঠন

চুয়াডাঙ্গায় রেলে কাটা ছেলের দাফনের দেড় মাসের মাথায় ঈদে ছেলে হাজির,কৌতুহল চারিদিকে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় রেলে কেটে মারা যাওয়া ছেলের দাফনের আড়াই মাস পর ঈদের ছুটিতে বাড়ি হাজির,মারা যাওয়ার ঘটনা ছেলে জানেই না।
শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে নিজ গ্রাম চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের আবু সাইদের ছেলে তোফাজ্জেল(১৪) আড়াই মাস আগেবাবা-মায়ের ওপর অভিমান করে বাড়ি ছাড়েন। বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা নিকটতম আত্মীয়দের বাড়িতে ছেলের খোঁজ করেন কিন্তু তারা ছেলেকে পাননি। ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় ছেলের পিতা বাদী হয়ে চলতি বছর জানুয়ারিতে আলমডাঙ্গা থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডাইরি করেন।নিখোঁজের একমাস পর একটি কিশোরের গাইবান্ধা থেকে ট্রেনেকাটা মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ। তোফাজ্জেলের পরিবার জানতে পেরে, একটি মরদেহকে নিজের ছেলের মতো বলে মনে হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের ছেলেকে চিহ্নিত করে এবং মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে এসে দাফন সম্পন্ন করেন।দাফনের দেড়মাস পর আবারও সুস্থ শরীরে ওই কিশোর ঈদে তার নিজ বাড়িতে ফিরে আসলে এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তোফাজ্জেলের বাবা আবু সাঈদ জানান, তারা প্রথমে এই ভেবে সান্ত্বনা খুঁজে নিচ্ছিলেন যে ছেলে মারা গেলেও মরদেহ তো অন্তত পেয়েছেন। কিন্তু তারা জানতেন না, ছেলে তোফান বেঁচে রয়েছে। ছেলে ফিরে আসায় তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন।তোফাজ্জেল বলেন আলমডাঙ্গার এক বন্ধুর সাথে রাজধানী ঢাকায় চলে যাই। ঢাকার শ্যামলীতে একটি লোহার দোকানে কাজ করি। সেখানেই থাকতে হতো। সামনে ঈদ আসায় ছুটিতে বাড়িতে চলে আসি। তিনি আরও বলেন, আমি যে মারা গেছি সেটি আমি জানিই না।এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান, শুক্রবার সকালে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর জানতে পেরেছি দাফনের দেড় মাস পর নিখোঁজ কিশোর বাড়িতে ফিরে এসেছে। এ বিষয়ে গাইবান্ধা থানা পুলিশকে অবগত করা হবে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় নিখোঁজের বিষয়ে মেসেজ দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গায় রেলে কাটা ছেলের দাফনের দেড় মাসের মাথায় ঈদে ছেলে হাজির,কৌতুহল চারিদিকে

আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় রেলে কেটে মারা যাওয়া ছেলের দাফনের আড়াই মাস পর ঈদের ছুটিতে বাড়ি হাজির,মারা যাওয়ার ঘটনা ছেলে জানেই না।
শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে নিজ গ্রাম চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের আবু সাইদের ছেলে তোফাজ্জেল(১৪) আড়াই মাস আগেবাবা-মায়ের ওপর অভিমান করে বাড়ি ছাড়েন। বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা নিকটতম আত্মীয়দের বাড়িতে ছেলের খোঁজ করেন কিন্তু তারা ছেলেকে পাননি। ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় ছেলের পিতা বাদী হয়ে চলতি বছর জানুয়ারিতে আলমডাঙ্গা থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডাইরি করেন।নিখোঁজের একমাস পর একটি কিশোরের গাইবান্ধা থেকে ট্রেনেকাটা মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ। তোফাজ্জেলের পরিবার জানতে পেরে, একটি মরদেহকে নিজের ছেলের মতো বলে মনে হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের ছেলেকে চিহ্নিত করে এবং মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে এসে দাফন সম্পন্ন করেন।দাফনের দেড়মাস পর আবারও সুস্থ শরীরে ওই কিশোর ঈদে তার নিজ বাড়িতে ফিরে আসলে এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তোফাজ্জেলের বাবা আবু সাঈদ জানান, তারা প্রথমে এই ভেবে সান্ত্বনা খুঁজে নিচ্ছিলেন যে ছেলে মারা গেলেও মরদেহ তো অন্তত পেয়েছেন। কিন্তু তারা জানতেন না, ছেলে তোফান বেঁচে রয়েছে। ছেলে ফিরে আসায় তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন।তোফাজ্জেল বলেন আলমডাঙ্গার এক বন্ধুর সাথে রাজধানী ঢাকায় চলে যাই। ঢাকার শ্যামলীতে একটি লোহার দোকানে কাজ করি। সেখানেই থাকতে হতো। সামনে ঈদ আসায় ছুটিতে বাড়িতে চলে আসি। তিনি আরও বলেন, আমি যে মারা গেছি সেটি আমি জানিই না।এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান, শুক্রবার সকালে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর জানতে পেরেছি দাফনের দেড় মাস পর নিখোঁজ কিশোর বাড়িতে ফিরে এসেছে। এ বিষয়ে গাইবান্ধা থানা পুলিশকে অবগত করা হবে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় নিখোঁজের বিষয়ে মেসেজ দেওয়া হবে।