সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপিত বানারীপাড়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মামুন -উর রশিদ স্বপন কারাগারে ঘোড়াঘাটে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভান্ডারিয়ায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ঘোড়াঘাটে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য হা ডু ডু খেলা বাবুগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা চুয়াডাঙ্গায় ট্রাক্টর চাপায় মটরসাইকেল চালক কলেজ প্রভাষকের মৃত্যু ভান্ডারিয়ায় ভুয়া তথ্য দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করে ভোটার হওয়ার চেষ্টা, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইউএনওর ঘোড়াঘাটে এক দিনের ৩৬ তম প্রবীণ দিবস পালিত ঘোড়াঘাটে ফুটবল মাঠ পরিদর্শনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ও যুব ক্রীড়া মন্ত্রী

ফের বাংলাবান্ধায় পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তেঁতুলিয়া(পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ উপজেলার বাংলাবান্ধায় ফের পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেল বোম্ব সদৃশ্য মর্টারশেল। এর আগে আরও দু’টি পরিত্যাক্ত মর্টারসেল উদ্ধারের পর নিঃস্কৃয় করা হয়। এটি পাথর সাইটে পাওয়া তৃতীয় মর্টারশেল।
স্থানীয়রা জানান, রোববার দুপুরের পর এক নারী শ্রমিক ক্র্যাশিং পাথরের সাইটে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা মর্টারশেলটি কুড়িয়ে পায়। পরে সেটি ভারি লোহা মনে করে স্থানীয় বাংলাবান্ধা বাজারের আল আমিন ওয়ার্কশপের দোকানে সামনে নিয়ে আসে। এ সময় আলম নামের এক ভাঙারির দোকানদার তা কেজি দরে কিনে নিলে দোকানদার মর্টারশেল বলে চিনতে পেরে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে ইউপি সদস্য বিজিবি ও থানা পুলিশকে খবর দেন। স্থানীয়দের ধারনা এটি বিশ্বযুদ্ধের সময় ভূটান ও ভারতের কোন স্থানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল এবং সেই দেশের পাথরের ট্রাকে বাংলাদেশে চলে এসেছে।
ভাঙারির দোকানদার আলম জানান, আমি প্রথমে না বুঝে সেটি লোহা হিসেবে সেটা ১৫০ টাকায় ক্রয় করি। এর আগেও এমন দু’টি লোহার সাদৃশ্য বস্তু সেনাবাহিনীর বোম্প ডিসপোজার ইউনিট ধ্বংস করেছিল। তা থেকে মনে হয় সেটি মর্টারশেল। পরে ইউপি সদস্য বুলবুলের মাধ্যমে বিজিবিকে জানাই।
উল্লেখ্য যে, চলতি বছরে আগেও বাংলাবান্ধায় পাথর ক্র্যাশিং সাইট থেকে দুটি পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছিল। সর্বশেষ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে একই ইউনিয়নের সিপাইপাড়া বাজারে ভাঙারির দোকান থেকে একটি মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজার টীম এসে মর্টারসেল দুটিকে নিঃস্কৃয় করে।

তেঁতুলিয়া মডেল থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আরমান আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানের সামনে থেকে মর্টার সেলটি উদ্ধার করে বালির বস্তা দিয়ে সংরক্ষিত স্থানে রাখা হয়েছে। পরে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহায়তায় সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি বলেন, এর আগে আরও দু’টি পরিত্যাক্ত মর্টারসেল উদ্ধার হয়েছিল। যা প্রশাসনের সহযোগিতায় পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট নিঃস্কৃয় করেছিল। এটিও তাই করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফের বাংলাবান্ধায় পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:২০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

তেঁতুলিয়া(পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ উপজেলার বাংলাবান্ধায় ফের পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেল বোম্ব সদৃশ্য মর্টারশেল। এর আগে আরও দু’টি পরিত্যাক্ত মর্টারসেল উদ্ধারের পর নিঃস্কৃয় করা হয়। এটি পাথর সাইটে পাওয়া তৃতীয় মর্টারশেল।
স্থানীয়রা জানান, রোববার দুপুরের পর এক নারী শ্রমিক ক্র্যাশিং পাথরের সাইটে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা মর্টারশেলটি কুড়িয়ে পায়। পরে সেটি ভারি লোহা মনে করে স্থানীয় বাংলাবান্ধা বাজারের আল আমিন ওয়ার্কশপের দোকানে সামনে নিয়ে আসে। এ সময় আলম নামের এক ভাঙারির দোকানদার তা কেজি দরে কিনে নিলে দোকানদার মর্টারশেল বলে চিনতে পেরে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে ইউপি সদস্য বিজিবি ও থানা পুলিশকে খবর দেন। স্থানীয়দের ধারনা এটি বিশ্বযুদ্ধের সময় ভূটান ও ভারতের কোন স্থানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল এবং সেই দেশের পাথরের ট্রাকে বাংলাদেশে চলে এসেছে।
ভাঙারির দোকানদার আলম জানান, আমি প্রথমে না বুঝে সেটি লোহা হিসেবে সেটা ১৫০ টাকায় ক্রয় করি। এর আগেও এমন দু’টি লোহার সাদৃশ্য বস্তু সেনাবাহিনীর বোম্প ডিসপোজার ইউনিট ধ্বংস করেছিল। তা থেকে মনে হয় সেটি মর্টারশেল। পরে ইউপি সদস্য বুলবুলের মাধ্যমে বিজিবিকে জানাই।
উল্লেখ্য যে, চলতি বছরে আগেও বাংলাবান্ধায় পাথর ক্র্যাশিং সাইট থেকে দুটি পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছিল। সর্বশেষ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে একই ইউনিয়নের সিপাইপাড়া বাজারে ভাঙারির দোকান থেকে একটি মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজার টীম এসে মর্টারসেল দুটিকে নিঃস্কৃয় করে।

তেঁতুলিয়া মডেল থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আরমান আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানের সামনে থেকে মর্টার সেলটি উদ্ধার করে বালির বস্তা দিয়ে সংরক্ষিত স্থানে রাখা হয়েছে। পরে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহায়তায় সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি বলেন, এর আগে আরও দু’টি পরিত্যাক্ত মর্টারসেল উদ্ধার হয়েছিল। যা প্রশাসনের সহযোগিতায় পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট নিঃস্কৃয় করেছিল। এটিও তাই করা হবে।