সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

বিএনপি কর্মীর বাসা থেকে বিপুলসংখ্যক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের এক বিএনপির কর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বন্দুকসহ বিপুলসংখ্যক ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্ট্যাম্প ও ১৫টি কার্তুজ। বিএনপির ওই কর্মীর নাম মুহাম্মদ কামাল(৫০)। তিনি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খায়েজ আহমদের ছেলে ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী। এ ঘটনায় বিএনপির ওই কর্মীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়েজ আহমদের বাড়িতে র‍্যাব অভিযান চালায়। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কামাল ছাড়াও তাঁর চাচাতো ভাই মুহাম্মদ সোহেল (৪৮) ও পরিবারের এক কিশোর সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, অভিযানে গাঁজা ও বিদেশি মদও উদ্ধার করা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ির আঙিনা, পুকুর পাড় এবং আলমারি থেকে এসব অস্ত্র ও মাদক লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার বিএনপির কর্মী কামালের বিরুদ্ধে মারামারি ও চাঁদাবাজির তিনটি মামলা রয়েছে। তিনি গত বছর ৫ আগস্টের পর বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন। এলাকায় তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিবারের দাবি, তাঁরা কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত নন। ৫ আগস্টের পর নোয়াপাড়ায় চাঁদাবাজি ও মারামারির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল একটি পক্ষ। এসব অস্ত্র তাঁর বাড়িতে প্রতিপক্ষের লোকজন লুকিয়ে রেখেছে।

জানতে চাইলে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাঁরা আজ সকাল থেকে অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করেছেন। গ্রেপ্তার তিনজনকে থানা-পুলিশের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিএনপি কর্মীর বাসা থেকে বিপুলসংখ্যক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

আপডেট সময় : ১২:০২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের এক বিএনপির কর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বন্দুকসহ বিপুলসংখ্যক ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্ট্যাম্প ও ১৫টি কার্তুজ। বিএনপির ওই কর্মীর নাম মুহাম্মদ কামাল(৫০)। তিনি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খায়েজ আহমদের ছেলে ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী। এ ঘটনায় বিএনপির ওই কর্মীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়েজ আহমদের বাড়িতে র‍্যাব অভিযান চালায়। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কামাল ছাড়াও তাঁর চাচাতো ভাই মুহাম্মদ সোহেল (৪৮) ও পরিবারের এক কিশোর সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, অভিযানে গাঁজা ও বিদেশি মদও উদ্ধার করা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ির আঙিনা, পুকুর পাড় এবং আলমারি থেকে এসব অস্ত্র ও মাদক লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার বিএনপির কর্মী কামালের বিরুদ্ধে মারামারি ও চাঁদাবাজির তিনটি মামলা রয়েছে। তিনি গত বছর ৫ আগস্টের পর বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন। এলাকায় তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিবারের দাবি, তাঁরা কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত নন। ৫ আগস্টের পর নোয়াপাড়ায় চাঁদাবাজি ও মারামারির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল একটি পক্ষ। এসব অস্ত্র তাঁর বাড়িতে প্রতিপক্ষের লোকজন লুকিয়ে রেখেছে।

জানতে চাইলে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাঁরা আজ সকাল থেকে অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করেছেন। গ্রেপ্তার তিনজনকে থানা-পুলিশের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হবে।’