২২ Jul ২০২৪, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি, সোমবার, ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
বিরামপুরে পরকীয়ায় আসক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর থানায় অভিযোগ

বিরামপুরে পরকীয়ায় আসক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর থানায় অভিযোগ

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি-দিনাজপুরের বিরামপুরে পরকীয়ায় আসক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর থানায় অভিযোগ করেছে।
আজ শুক্রবার (২১ জুন) পরকীয়ায় আসক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা যায়। ঘটনা সরজমিনে বিরামপুর থানা সূত্রে জানা যায়,উপজেলার দিওড় গ্রামের মৃত মনসুর আলীর মেয়ে তাছমিন নাহার (২৪) একই মহল্লার মোঃ আমিনুল ইসলামের ছেলে মোঃ আরিফুল ইসলাম (২৬) এর সহিত গত ২০ শে অক্টোবর ২০১৬ তারিখ ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। দীর্ঘ দিনের ঘর সংসারে তাদের ঔষসে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। পুত্র সন্তান আসাদুল্লাহ আল গালিব (৪ বছর দুই মাস) বিবাদী আরিফুল ইসলাম ৩নং বিবাদী আমিনুল ইসলামের মদদে বাদিনীর নিকট থেকে এক লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। অভিযুক্ত বাদিনি এবিষয়ে অপারোগতা প্রকাশ করলে আরিফুল ইসলাম তার স্ত্রীর উপর বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এরই ধারাবাহিকতায়,১নং বিবাদী আরিফুল ইসলাম ২নং বিবাদী বড় গোপালপুর মহল্লার মোজাহার আলীর মেয়ে ময়না বেগমের সহিত পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। বিবাদী আরিফুল ইসলাম আইন অমান্য করে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই গোপনীয় ভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানান। ২নং বিবাদী ময়না বেগম বলেন,আমাদের সম্পর্ক দুই বছরের বিয়ে হয়েছে প্রায় ছয় মাস হয়েছে। আমরা উভয়ে আদালত এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছে।
এমন ঘটনায় বাদিনী তাসমিন নাহার তার স্বামী আরিফুল ইসলামের নিকট ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারপিট করেন।
এরই জের ধরে গত ২০ শে জুন ২০২৪ সকাল আনুমানিক ১১ ঘটিকার সময় বাদিনীর উপর তার স্বামী আরিফুল ইসলাম পূনরায় অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এসময় তার ডাক চিৎকারে বিবাদীর বড় ভাই সহ
স্হানীয় গ্রাম মহল্লার লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন বলে জানান বাদিনী তাসমিন নাহার। তাসমিন নাহার জানান,আমি ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিরামপুর থানায় অভিযোগ করেছি। আমার দেওয়া অভিযোগে যেন ন্যায় বিচার আমি পাই এই প্রত্যাশা রাখি বলে জানান। স্হানীয় ভাবে আরও জানা যায়,২নং বিবাদী ময়না বেগম পূর্বের স্বামীর ২টি সন্তানও রয়েছে। তারপরও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশলে বিভিন্ন ছেলেদের সহিত এ ধরনের কাজ থাকেন। বিবাদী আরিফুল ইসলামের বাড়ি গিয়ে জানা যায় পিতা মাতা অভিযোগের বিষয়ে দূঃখ প্রকাশ করে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
উল্লেখ্য এবিষয়ে স্হানীয় ভাবে আরও জানা যায়,উক্ত ঘটনা কে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষ ছেলের বাড়িতে বসছিলেন।
সেই সালিশ বৈঠকে স্থানীয় ওয়ার্ড নাম্বার সহ গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার সমস্যার সমাধানের জন্য তারা একমাস সময় দিয়েছিল। আইন উপেক্ষা করে দ্বিতীয় বিয়ে সরজমিনের সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত কঠোর ব্যবস্থার জোর দাবি জানিয়েছেন বাদীনি তাসমিন নাহার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019