০৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, ১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, শনিবার, ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মোহাম্মদ আলী, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নে ডেনমার্কভিত্তিক সহায়তা প্রতিষ্ঠান ডেনিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিস (ডানিডা) প্রকল্পের সুফল পেতে শুরু করেছে স্থানীয় প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।
ওই প্রকল্পের আওতায় একটি রাস্তা তিন যুগ পরে পুনঃ নির্মাণ করায় দুই গ্রামের ৫০০ পরিবারের দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রহমতপুর ইউনিয়নের রাজগুরু (নতুনচর ) গ্রামের মোঃ স্বপন হাওলাদার এর বাড়ি থেকে করিমের খেয়াঘাট পর্যন্ত এক কিলোমিটারের অধিক রাস্তা মাটি দ্বারা পুনঃ নির্মাণের কাজ করা হয়েছে। এতে ব্যায় হয়েছে প্রায় ১২ লাখ টাকা।
রহমতপুর ইউনিয়নের রাজগুরু গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শাহজাহান বেপারী বলেন, বিগত ৩৬ বছরেও এখানে কোনো রাস্তা ছিল না। চলতি বছর চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় রাস্তা পেয়েছি। এখন আমাদের ছেলে-মেয়েরা ভোগান্তি ছাড়া নতুন রাস্তা দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে ও যেতে পারবে।
একই এলাকার বাসিন্দা মোঃ নূর হোসেন বলেন, আমরা আসলেই ভাগ্যবান। একটা ভালো রাস্তা পেয়েছি। এই রাস্তা দিয়ে বর্ষা মৌসুমে যাতায়াত করা যেত না। পানিতে তলিয়ে থাকতো। নতুন করে রাস্তা নির্মান করায় এখন আমরা অনায়াসে যাতায়াত করতে পারি। গ্রামীণ মানুষের অনেক উপকার হয়েছে। এখন চিকিৎসাসেবা, বাজার করা, পণ্য বিক্রিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব কাজই সহজতর হয়েছে। দুই গ্রাম (ছানি কেদারপুর ও রাজগুরু) গ্রামে বসবাসরত ৫০০ পরিবারের দীর্ঘদিনের একটা সমস্যার সমাধান হয়েছে।
ওই সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ওবায়দুল হক বলেন, আমি নির্বাচিত একজন ইউপি সদস্য এবং রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মৃধা মুহাম্মদ আক্তার উজ জামান মিলনের নির্দেশনায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর ওই মাটির রাস্তাটি অধিক গুরুত্ব দিয়ে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। কাজটি করতে পেরে সত্যিকার অর্থে আমার ভালো লাগছে।
রহমতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মৃধা মুহাম্মদ আক্তার উজ জামান মিলন বলেন, নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সঠিক এবং নীতিমালা অনুযায়ী করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তিন যুগ পরে ওই রাস্তাটি পুনঃনির্মাণ করে দুই গ্রাম (ছানি কেদারপুর ও রাজগুরু নতুনচর) গ্রামের ৫০০ পরিবারের দীর্ঘদিনের একটা সমস্যার সমাধান করতে পেরেছি, এতেই আমি খুশি।