সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

বাবুগঞ্জে শ্বশুরের হামলায় জামাতা আহত ! থানায় অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২ ৮১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জে শ্বশুরের হামলায় জামাতা গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বাবুগঞ্জ থানায় আহত জামাতা বাদী হয়ে শ্বশুরকে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলা ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি ও বাবুগঞ্জ কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম হোসেন এর ছোট বোন মোসাম্মৎ মরিয়ম বেগমের মেয়ে লাইজুন নাহার এর সাথে বাদী (লাইজুন নাহার পপির স্বামী) সাইফুল হাওলাদার সোহান এর সাথে পারিবারিক বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের খানপুরা গ্রামের হালিম হাওলাদার এর পুত্র মোঃ সাইফুল হাওলাদার সোহানকে ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের বাসিন্দা ও বাবুগঞ্জ স্টিল ব্রিজ এলাকার বাবুগঞ্জ বিল্ডার্স এর স্বত্বাধিকারীরা বিবাদী মোঃ আরাফাত হোসেন ফরিদ বাদী মোঃ সাইফুল ইসলাম হাওলাদারকে মোবাইলে ফোন করে দোকানে ডেকে আনেন। এসময় আরাফাত হোসেন ফরিদ ১ নং বিবাদী বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি গোলাম হোসেনকে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে আনেন। পরে আরাফাত হোসেন ফরিদ ও অধ্যাপক মোঃ গোলাম হোসেন তাঁর আপন বোনের মেয়ে জামাতা মোঃ সাইফুল হাওলাদার সোহানকে আদালতের মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। বাদী মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ার অধ্যাপক মোঃ গোলাম হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে বাদী সাইফুল হাওলাদার সোহানকে কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এসময় সাইফুল হাওলাদার সোহান গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় তাঁকে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি গোলাম হোসেন এলোপাতাড়ি কিল,ঘুষি ও চর থাপ্পড় মারেন। এমনকি দোকানের লোহার রড দিয়ে বাদীকে আঘাত করেন। এসময় তার সাথে হামলায় সরাসরি অংশগ্রহন করেন বাবুগঞ্জ বিল্ডার্স এর স্বত্বাধিকারী আরাফাত হোসেন ফরিদ। এক পর্যায়ে বিবাদীরা সাইফুল হাওলাদার সোহানের উপর হামলা করে তাকে গুরুতর আহত করেন। পরে বাদী সাইফুল হাওলাদার সোহান ডাকচিৎকার দিলে পথচারীরা এসে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে প্রেরণ করেন। ভুক্তভোগী সাইফুল হাওলাদার সোহান বলেন, অধ্যাপক গোলাম হোসেন আমার স্ত্রীর মামা এবং আরাফাত হোসেন ফরিদ আমার স্ত্রীর মামাতো ভাই। ২০১৮ সালে খানপুরা গ্রামের সুলতান আহমেদ এর মেয়ে লাইজুন নাহার পপির সাথে আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পরে শান্তিপূর্ণ ভাবে ঘর সংসার করি। পরবর্তীতে আমার স্ত্রীর সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহের সৃষ্টি হয় এবং স্ত্রীর সাথে আমার সম্পর্কের অবনতি হয়। যা এক পর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। যা এখনো আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২ টার দিকে আরাফাত হোসেন ফরিদ ও আমার মামা শ্বশুর ধ্যাপক মোঃ গোলাম হোসেন বাবুগঞ্জ স্টীলব্রিজ এলাকায় বাবুগঞ্জ বিল্ডার্স নামে একটি দোকানে ডেকে এনে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এ হামলার বিষয়ে বিবাদী গোলাম হোসেন মারধরের কথা অস্বীকার করে বলেন, সাইফুল হাওলাদার আমার আত্নীয় স্বজনদের নিয়ে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ করায় তাকে শাসিয়ে দিয়েছি। মারধর করিনি।

বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে হামলার ঘটনায় বাবুগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন কার হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে শ্বশুরের হামলায় জামাতা আহত ! থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জে শ্বশুরের হামলায় জামাতা গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বাবুগঞ্জ থানায় আহত জামাতা বাদী হয়ে শ্বশুরকে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলা ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি ও বাবুগঞ্জ কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম হোসেন এর ছোট বোন মোসাম্মৎ মরিয়ম বেগমের মেয়ে লাইজুন নাহার এর সাথে বাদী (লাইজুন নাহার পপির স্বামী) সাইফুল হাওলাদার সোহান এর সাথে পারিবারিক বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের খানপুরা গ্রামের হালিম হাওলাদার এর পুত্র মোঃ সাইফুল হাওলাদার সোহানকে ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের বাসিন্দা ও বাবুগঞ্জ স্টিল ব্রিজ এলাকার বাবুগঞ্জ বিল্ডার্স এর স্বত্বাধিকারীরা বিবাদী মোঃ আরাফাত হোসেন ফরিদ বাদী মোঃ সাইফুল ইসলাম হাওলাদারকে মোবাইলে ফোন করে দোকানে ডেকে আনেন। এসময় আরাফাত হোসেন ফরিদ ১ নং বিবাদী বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি গোলাম হোসেনকে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে আনেন। পরে আরাফাত হোসেন ফরিদ ও অধ্যাপক মোঃ গোলাম হোসেন তাঁর আপন বোনের মেয়ে জামাতা মোঃ সাইফুল হাওলাদার সোহানকে আদালতের মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। বাদী মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ার অধ্যাপক মোঃ গোলাম হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে বাদী সাইফুল হাওলাদার সোহানকে কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এসময় সাইফুল হাওলাদার সোহান গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় তাঁকে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি গোলাম হোসেন এলোপাতাড়ি কিল,ঘুষি ও চর থাপ্পড় মারেন। এমনকি দোকানের লোহার রড দিয়ে বাদীকে আঘাত করেন। এসময় তার সাথে হামলায় সরাসরি অংশগ্রহন করেন বাবুগঞ্জ বিল্ডার্স এর স্বত্বাধিকারী আরাফাত হোসেন ফরিদ। এক পর্যায়ে বিবাদীরা সাইফুল হাওলাদার সোহানের উপর হামলা করে তাকে গুরুতর আহত করেন। পরে বাদী সাইফুল হাওলাদার সোহান ডাকচিৎকার দিলে পথচারীরা এসে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে প্রেরণ করেন। ভুক্তভোগী সাইফুল হাওলাদার সোহান বলেন, অধ্যাপক গোলাম হোসেন আমার স্ত্রীর মামা এবং আরাফাত হোসেন ফরিদ আমার স্ত্রীর মামাতো ভাই। ২০১৮ সালে খানপুরা গ্রামের সুলতান আহমেদ এর মেয়ে লাইজুন নাহার পপির সাথে আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পরে শান্তিপূর্ণ ভাবে ঘর সংসার করি। পরবর্তীতে আমার স্ত্রীর সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহের সৃষ্টি হয় এবং স্ত্রীর সাথে আমার সম্পর্কের অবনতি হয়। যা এক পর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। যা এখনো আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২ টার দিকে আরাফাত হোসেন ফরিদ ও আমার মামা শ্বশুর ধ্যাপক মোঃ গোলাম হোসেন বাবুগঞ্জ স্টীলব্রিজ এলাকায় বাবুগঞ্জ বিল্ডার্স নামে একটি দোকানে ডেকে এনে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এ হামলার বিষয়ে বিবাদী গোলাম হোসেন মারধরের কথা অস্বীকার করে বলেন, সাইফুল হাওলাদার আমার আত্নীয় স্বজনদের নিয়ে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ করায় তাকে শাসিয়ে দিয়েছি। মারধর করিনি।

বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে হামলার ঘটনায় বাবুগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন কার হবে।