সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

৫৪ কোটি টাকা আত্মসাত:ডোমার পৌর মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানু কারাগারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুজন মহিনুল,ক্রাইম রিপোর্টার।।৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় নীলফামারীর ডোমার পৌরসভার মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানুকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
সোমবার(১০ অক্টোবর)দুপুরে নীলফামারীর বিশেষ জজ মাহমুদুল করিমের আদালতে হাজির হয়ে মেয়র আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামমঞ্জুর করে মেয়রকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।দুদক রংপুর সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হোসাইন শরীফ ২৩ আগস্ট বাদী হয়ে মেয়রের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলেন।উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিনে ছিলেন মেয়র দানু।
একই মামলায় নীলফামারী অগ্রণী ব্যাংক শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক রথীন্দ্র নাথ সরকার ও কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামকেও আসামি করা হয়।মামলায় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,ডোমার পৌর মেয়র দানু শাওন অটো ব্রিকস লিমিটেডের নামে অগ্রণী ব্যাংক নীলফামারী শাখা থেকে ২০১৪ সালে ১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ঋণ নেন।সে সময় ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক রথীন্দ্র নাথ সরকার ও কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের যোগসাজসে নিয়ম ভেঙ্গে একসঙ্গে সেই টাকা উত্তোলন করেন।২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়র সুদে-আসলে ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছেন।এরপর ২০১৬ সালে ব্রিকস ফিল্ডের জন্য এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে যন্ত্রপাতি আমদানি করেও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বন্দর থেকে ওই মালামাল উত্তোলন করেননি মেয়র দানু।এতে বন্দর কর্তৃপক্ষের পাওনা দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ১০ লাখ টাকা।ব্যাংক ঋণ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের পাওনাসহ মোট ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয় দুদকের ওই মামলায়।
এ বিষয়ে আসামি পক্ষের আইনজীবী আবু মোহাম্মদ সোয়েম বলেন, মেয়র তার ইটভাটার যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানির জন্য অগ্রণী ব্যাংক থেকে ঋণ নেন।তিনি ওই যন্ত্রপাতি বন্দর থেকে কিছু উত্তোলন করলেও অর্থ সংকটে অবশিষ্ট যন্ত্রপাতি উত্তোলন করতে পারেননি।আমরা উচ্চ আদালতে যাব।
নীলফামারী জজ আদালতের সরকার পক্ষের আইনজীবী কামরুজ্জামান শাসন বলেন, ডোমার পৌরসভার মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানু তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য অগ্রণী ব্যাংক নীলফামারী শাখা থেকে যে ঋণ নিয়েছিলেন সেটাকে যেভাবে ব্যবহার করার কথা তা তিনি করেননি।এ বিষয়ে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই মামলায় তিনি মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৫৪ কোটি টাকা আত্মসাত:ডোমার পৌর মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানু কারাগারে

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২

সুজন মহিনুল,ক্রাইম রিপোর্টার।।৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় নীলফামারীর ডোমার পৌরসভার মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানুকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
সোমবার(১০ অক্টোবর)দুপুরে নীলফামারীর বিশেষ জজ মাহমুদুল করিমের আদালতে হাজির হয়ে মেয়র আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামমঞ্জুর করে মেয়রকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।দুদক রংপুর সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হোসাইন শরীফ ২৩ আগস্ট বাদী হয়ে মেয়রের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলেন।উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিনে ছিলেন মেয়র দানু।
একই মামলায় নীলফামারী অগ্রণী ব্যাংক শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক রথীন্দ্র নাথ সরকার ও কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামকেও আসামি করা হয়।মামলায় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,ডোমার পৌর মেয়র দানু শাওন অটো ব্রিকস লিমিটেডের নামে অগ্রণী ব্যাংক নীলফামারী শাখা থেকে ২০১৪ সালে ১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ঋণ নেন।সে সময় ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক রথীন্দ্র নাথ সরকার ও কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের যোগসাজসে নিয়ম ভেঙ্গে একসঙ্গে সেই টাকা উত্তোলন করেন।২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়র সুদে-আসলে ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছেন।এরপর ২০১৬ সালে ব্রিকস ফিল্ডের জন্য এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে যন্ত্রপাতি আমদানি করেও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বন্দর থেকে ওই মালামাল উত্তোলন করেননি মেয়র দানু।এতে বন্দর কর্তৃপক্ষের পাওনা দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ১০ লাখ টাকা।ব্যাংক ঋণ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের পাওনাসহ মোট ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয় দুদকের ওই মামলায়।
এ বিষয়ে আসামি পক্ষের আইনজীবী আবু মোহাম্মদ সোয়েম বলেন, মেয়র তার ইটভাটার যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানির জন্য অগ্রণী ব্যাংক থেকে ঋণ নেন।তিনি ওই যন্ত্রপাতি বন্দর থেকে কিছু উত্তোলন করলেও অর্থ সংকটে অবশিষ্ট যন্ত্রপাতি উত্তোলন করতে পারেননি।আমরা উচ্চ আদালতে যাব।
নীলফামারী জজ আদালতের সরকার পক্ষের আইনজীবী কামরুজ্জামান শাসন বলেন, ডোমার পৌরসভার মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানু তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য অগ্রণী ব্যাংক নীলফামারী শাখা থেকে যে ঋণ নিয়েছিলেন সেটাকে যেভাবে ব্যবহার করার কথা তা তিনি করেননি।এ বিষয়ে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই মামলায় তিনি মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন।