সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

প্রেম ভেঙে যাওয়ার ক্ষোভে শিশুকে গলা টিপে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
হবিগঞ্জের মাধবপুরে লিজা আক্তার নামের এক শিশুকে হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি তাকবির হাসান (২০)। তিনি জানিয়েছেন, প্রেমিকার সঙ্গে তাকে দেখে ফেলায় শিশুটিকে হত্যা করেন তিনি। পরে মরদেহ বাঁশঝাড়ে ফেলে দেওয়া হয়।

রোববার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঝুমু সরকারের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তাকবির হাসান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওসি আব্দুল আহাদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি জানান, তাকবিরের সঙ্গে একই গ্রামের এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক চলাকালীন একদিন সন্ধ্যায় তারা দেখা করতে গেলে নিহত শিশু লিজা আক্তার (৯) তাদের দেখে ফেলে। সে ঘটনাটি তার মাকে জানিয়ে দেয়। এরপর থেকে মেয়েটির সঙ্গে তাকবিরের প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত বছরের ২১ জুলাই শিশু লিজাকে গলা টিপে হত্যা করেন তাকবির। পরে তার মরদেহ বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশঝাড়ে ফেলে রেখে আত্মগোপনে চলে যান। মরদেহ উদ্ধারের পর লিজার বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

নিহত শিশু লিজা আক্তারের বাড়ি মাধবপুর উপজেলার আইলাবই গ্রামে। আসামি তাকবির ওই গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, শিশু লিজা আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের পাঁচ মাস পর শনিবার (২৩ জুলাই) প্রধান আসামি তাকবির হাসানকে খুলনার খালিসপুর থেকে গ্রেফতার করে পিবিআই। তিনি ঘটনার পর খুলনায় পালিয়ে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে কাজ নেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রেম ভেঙে যাওয়ার ক্ষোভে শিশুকে গলা টিপে হত্যা

আপডেট সময় : ১১:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স
হবিগঞ্জের মাধবপুরে লিজা আক্তার নামের এক শিশুকে হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি তাকবির হাসান (২০)। তিনি জানিয়েছেন, প্রেমিকার সঙ্গে তাকে দেখে ফেলায় শিশুটিকে হত্যা করেন তিনি। পরে মরদেহ বাঁশঝাড়ে ফেলে দেওয়া হয়।

রোববার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঝুমু সরকারের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তাকবির হাসান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওসি আব্দুল আহাদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি জানান, তাকবিরের সঙ্গে একই গ্রামের এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক চলাকালীন একদিন সন্ধ্যায় তারা দেখা করতে গেলে নিহত শিশু লিজা আক্তার (৯) তাদের দেখে ফেলে। সে ঘটনাটি তার মাকে জানিয়ে দেয়। এরপর থেকে মেয়েটির সঙ্গে তাকবিরের প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত বছরের ২১ জুলাই শিশু লিজাকে গলা টিপে হত্যা করেন তাকবির। পরে তার মরদেহ বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশঝাড়ে ফেলে রেখে আত্মগোপনে চলে যান। মরদেহ উদ্ধারের পর লিজার বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

নিহত শিশু লিজা আক্তারের বাড়ি মাধবপুর উপজেলার আইলাবই গ্রামে। আসামি তাকবির ওই গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, শিশু লিজা আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের পাঁচ মাস পর শনিবার (২৩ জুলাই) প্রধান আসামি তাকবির হাসানকে খুলনার খালিসপুর থেকে গ্রেফতার করে পিবিআই। তিনি ঘটনার পর খুলনায় পালিয়ে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে কাজ নেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই।