সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের কক্ষ থেকে ৫৭ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জুলাই ২০২২ ১০৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ দুস্থ ও অসহায় কার্ডধারীদের চাল না দিয়ে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে। পরে ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমের একটি কক্ষের তালা ভেঙে ভিজিএফের ৫৭ বস্তা চাল উদ্ধার করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার।

শুক্রবার (৮ জুলাই) দিনগত ১২ টায় উপজেলার দিওড় ইউনিয়ন পরিষদের দুটি কক্ষের তালা ভেঙে ওই চাল উদ্ধার করা হয়। ইউএনও পরিমল কুমার সরকার মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ওই ইউনিয়নের দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও প্রত্যককে পাঁচ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। এছাড়া ওই ইউনিয়নের বেশকিছু অসহায় দুস্থ কার্ডধারীকে চাল না দিয়ে শেষ হয়েছে বলে ফিরিয়ে দেন চেয়ারম্যান। পরে স্থানীয়রা এর প্রতিবাদ করে পরিষদ ভবন ঘেরাও করেন।

নাম প্রকাশ না করে এক কার্ডধারী অভিযোগ করেন, সকাল থেকে পরিষদ ভবনে দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। বিকেলের দিকে চেয়ারম্যান জানান, সরকারের বরাদ্ধকৃত চাল শেষ হয়ে গেছে। পরে বাজার থেকে কয়েক বস্তা চাল কিনে এনে কয়েক কার্ডধারীদের পাঁচ কেজি করে চাল দেন তিনি। কিন্তু সেই সময় দুস্থদের বরাদ্দের চাল পরিষদের অন্য ঘরে আত্মসাতের উদ্দেশে লুকিয়ে রাখেন চেয়ারম্যান।

স্থানীয় সোহেল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে চাল বিতরণ করছেন আর সেই চাল চেয়ারম্যান আত্মসাৎ করছেন। এটা গরিব মানুষের পেটে লাথি দিয়ে সরকারের ইমেজ নষ্ট করা। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

চাল উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে বিরামপুরের ইউএনও পরিমল কুমার সরকার বলেন, উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের ভিজিএফের চাল বিতরণ না করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরে পরিষদ ভবনের একটি বদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে ৫৭ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে কয়েকদফা কল করা হলেও চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া তাকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়েও পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের কক্ষ থেকে ৫৭ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জুলাই ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ দুস্থ ও অসহায় কার্ডধারীদের চাল না দিয়ে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে। পরে ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমের একটি কক্ষের তালা ভেঙে ভিজিএফের ৫৭ বস্তা চাল উদ্ধার করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার।

শুক্রবার (৮ জুলাই) দিনগত ১২ টায় উপজেলার দিওড় ইউনিয়ন পরিষদের দুটি কক্ষের তালা ভেঙে ওই চাল উদ্ধার করা হয়। ইউএনও পরিমল কুমার সরকার মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ওই ইউনিয়নের দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও প্রত্যককে পাঁচ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। এছাড়া ওই ইউনিয়নের বেশকিছু অসহায় দুস্থ কার্ডধারীকে চাল না দিয়ে শেষ হয়েছে বলে ফিরিয়ে দেন চেয়ারম্যান। পরে স্থানীয়রা এর প্রতিবাদ করে পরিষদ ভবন ঘেরাও করেন।

নাম প্রকাশ না করে এক কার্ডধারী অভিযোগ করেন, সকাল থেকে পরিষদ ভবনে দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। বিকেলের দিকে চেয়ারম্যান জানান, সরকারের বরাদ্ধকৃত চাল শেষ হয়ে গেছে। পরে বাজার থেকে কয়েক বস্তা চাল কিনে এনে কয়েক কার্ডধারীদের পাঁচ কেজি করে চাল দেন তিনি। কিন্তু সেই সময় দুস্থদের বরাদ্দের চাল পরিষদের অন্য ঘরে আত্মসাতের উদ্দেশে লুকিয়ে রাখেন চেয়ারম্যান।

স্থানীয় সোহেল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে চাল বিতরণ করছেন আর সেই চাল চেয়ারম্যান আত্মসাৎ করছেন। এটা গরিব মানুষের পেটে লাথি দিয়ে সরকারের ইমেজ নষ্ট করা। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

চাল উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে বিরামপুরের ইউএনও পরিমল কুমার সরকার বলেন, উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের ভিজিএফের চাল বিতরণ না করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরে পরিষদ ভবনের একটি বদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে ৫৭ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে কয়েকদফা কল করা হলেও চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া তাকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়েও পাওয়া যায়নি।