সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

বরিশাল নদীবন্দরের টিকিট না ছিঁড়ে বিক্রি, সরানো হচ্ছে সব কর্মকর্তাকে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২ ১০০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশাল নদীবন্দরে প্রবেশ টিকিট না ছিঁড়ে আবারও বিক্রি করায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) তিন শুল্ক আদায়কারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

একই সঙ্গে বরিশাল কার্যালয়ের বন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একে একে বন্দরের সব কর্মকর্তাকে সরানো হবে বলে জানা গেছে।

গত শনিবার বিআইডব্লিউটিএ’র কেন্দ্রীয় অফিস থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। বদলির আদেশ পাওয়ার পর রবিবার বরিশাল ছেড়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। বিআইডব্লিউটিএর বন্দর ও পরিবহন শাখার পরিচালক কাজী ওয়াকিল নওয়াজ এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাময়িক বরখাস্তকৃতরা হলেন—বরিশাল নদীবন্দরে শুল্ক আদায়কারী ফারুক সরদার, মাসুদ হোসেন খান ও মনির হোসেন। বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ অফিস সূত্র জানায়, বরিশাল নৌবন্দরে প্রবেশ টিকিট কালোবাজারে বিক্রির বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই খবরের সূত্র ধরে গত ২৮ জুন স্থানীয় দুদক অফিসের কর্মকর্তারা অভিযান চালান।

এ সময় নদীবন্দরের ২ নম্বর কাউন্টারে বিক্রি করা ৮৬৩টি টিকিট ড্রয়ার ও ঝুলিয়ে রাখা ব্যাগ থেকে জব্দ করা হয়। ওইসব টিকিট যাত্রীদের কাছে আবারও বিক্রি করার জন্য রাখা হয়েছিল।

একই সময় এক নম্বর কাউন্টারে বিক্রি হওয়া টিকিটের দামের চেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যায়। একই টিকিট একাধিকবার বিক্রি করায় বাড়তি টাকা আদায় করা হয়েছে বলে দুদক কর্মকর্তাদের ধারণা। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র কেন্দ্রীয় দফতরে প্রতিবেদন দেওয়ার পর নড়েচড়ে বসেন সেখানকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বরিশাল নৌবন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এর আগে বিআইডব্লিউটিএর তদন্তে এ ঘটনা ধরা পড়ার পর ওইসব কর্মচারীকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু তারা তাদের দুর্নীতিতে অটল থাকে। যা পরে দুদক এর অভিযানে ধরা পড়ে। শাস্তিস্বরূপ তিন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আমাকে স্ট্যান্ডরিলিজ করা হয়। এছাড়া আরও যারা কর্মরত রয়েছে তাদেরকেও এখান থেকে বদলি করা হবে বলে কেন্দ্রীয় অফিস সূত্র জানিয়েছে।’

বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আবুল হাসেম বলেন, ‘এই দুর্নীতি নতুন নয়। এজন্য সরকারে কোষাগারে তেমন টাকাও জমা পড়ে না। দেরিতে হলেও বিষয়টি ধরা পড়েছে। এ ধরনের অপরাধে যাতে কেউ জড়িত না হয় সেজন্য কঠোর শাস্তি দাবি করছি।’

বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক ওয়াকিল নেওয়াজ জানান, পর্যায়ক্রমে বরিশাল নৌবন্দর থেকে সব কর্মচারীকে বদলির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বরিশাল অফিসে নতুন লোক দিতে বিলম্ব হওয়ায় সবাইকে ‍একবারে সরানো যাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল নদীবন্দরের টিকিট না ছিঁড়ে বিক্রি, সরানো হচ্ছে সব কর্মকর্তাকে

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশাল নদীবন্দরে প্রবেশ টিকিট না ছিঁড়ে আবারও বিক্রি করায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) তিন শুল্ক আদায়কারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

একই সঙ্গে বরিশাল কার্যালয়ের বন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একে একে বন্দরের সব কর্মকর্তাকে সরানো হবে বলে জানা গেছে।

গত শনিবার বিআইডব্লিউটিএ’র কেন্দ্রীয় অফিস থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। বদলির আদেশ পাওয়ার পর রবিবার বরিশাল ছেড়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। বিআইডব্লিউটিএর বন্দর ও পরিবহন শাখার পরিচালক কাজী ওয়াকিল নওয়াজ এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাময়িক বরখাস্তকৃতরা হলেন—বরিশাল নদীবন্দরে শুল্ক আদায়কারী ফারুক সরদার, মাসুদ হোসেন খান ও মনির হোসেন। বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ অফিস সূত্র জানায়, বরিশাল নৌবন্দরে প্রবেশ টিকিট কালোবাজারে বিক্রির বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই খবরের সূত্র ধরে গত ২৮ জুন স্থানীয় দুদক অফিসের কর্মকর্তারা অভিযান চালান।

এ সময় নদীবন্দরের ২ নম্বর কাউন্টারে বিক্রি করা ৮৬৩টি টিকিট ড্রয়ার ও ঝুলিয়ে রাখা ব্যাগ থেকে জব্দ করা হয়। ওইসব টিকিট যাত্রীদের কাছে আবারও বিক্রি করার জন্য রাখা হয়েছিল।

একই সময় এক নম্বর কাউন্টারে বিক্রি হওয়া টিকিটের দামের চেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যায়। একই টিকিট একাধিকবার বিক্রি করায় বাড়তি টাকা আদায় করা হয়েছে বলে দুদক কর্মকর্তাদের ধারণা। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র কেন্দ্রীয় দফতরে প্রতিবেদন দেওয়ার পর নড়েচড়ে বসেন সেখানকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বরিশাল নৌবন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এর আগে বিআইডব্লিউটিএর তদন্তে এ ঘটনা ধরা পড়ার পর ওইসব কর্মচারীকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু তারা তাদের দুর্নীতিতে অটল থাকে। যা পরে দুদক এর অভিযানে ধরা পড়ে। শাস্তিস্বরূপ তিন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আমাকে স্ট্যান্ডরিলিজ করা হয়। এছাড়া আরও যারা কর্মরত রয়েছে তাদেরকেও এখান থেকে বদলি করা হবে বলে কেন্দ্রীয় অফিস সূত্র জানিয়েছে।’

বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আবুল হাসেম বলেন, ‘এই দুর্নীতি নতুন নয়। এজন্য সরকারে কোষাগারে তেমন টাকাও জমা পড়ে না। দেরিতে হলেও বিষয়টি ধরা পড়েছে। এ ধরনের অপরাধে যাতে কেউ জড়িত না হয় সেজন্য কঠোর শাস্তি দাবি করছি।’

বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক ওয়াকিল নেওয়াজ জানান, পর্যায়ক্রমে বরিশাল নৌবন্দর থেকে সব কর্মচারীকে বদলির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বরিশাল অফিসে নতুন লোক দিতে বিলম্ব হওয়ায় সবাইকে ‍একবারে সরানো যাচ্ছে না।