সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ইটের আঘাতে আওয়ারুন বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের উপর এখলাছপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আওয়ারুন বেগম ওই গ্রামের আব্দুল খালিকের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার নিহতের ছেলে সিএনজি অটোরিকশা চালক বলাই মিয়া অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ার সময় পানি ছিটকে সুমনের গায়ে পড়ে। এরই জের ধরে বলাই মিয়াকে থাপ্পড় মারেন সুমন।
মঙ্গলবার (২৮ জুন) বাড়ির পাশ্ববর্তী কালভার্টে সুমনকে পেয়ে থাপ্পড় মারার জন্য উচিত শিক্ষা দিতে চান বলাই মিয়া। এসময় আওয়ারুন বেগম ঘটনাস্থলে এসে ঝগড়া থামাতে চেষ্টা করেন এবং ছেলেকে সরিয়ে নেন। এক পর্যায়ে সুমন ক্ষুব্ধ হয়ে ইট নিয়ে বলাই মিয়াকে আঘাত করতে গেলে ইট এসে পড়ে আওয়ারুন বেগমের বুকে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান তিনি।
খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তুচ্চ ঘটনা নিয়ে নিহতের ছেলে বলাই মিয়া ও সুমন মিয়ার ঝগড়া হয়। ওই নারী ঝগড়া থামাতে দু’জনকে সরিয়ে দেন। তার ছেলেকে দূরে সরিয়ে নিলেও এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ সুমন একটি ইট দিয়ে বলাই মিয়ার উপর নিক্ষেপ করেন। তার নিক্ষিপ্ত ইট আওয়ারুন বেগমের বুকে আঘাত করে।
এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। তাছাড়া ঘটনার সঙ্গে আর কারো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:২৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটের গোলাপগঞ্জে ঝগড়াস্থলে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ইটের আঘাতে আওয়ারুন বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের উপর এখলাছপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আওয়ারুন বেগম ওই গ্রামের আব্দুল খালিকের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার নিহতের ছেলে সিএনজি অটোরিকশা চালক বলাই মিয়া অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ার সময় পানি ছিটকে সুমনের গায়ে পড়ে। এরই জের ধরে বলাই মিয়াকে থাপ্পড় মারেন সুমন।
মঙ্গলবার (২৮ জুন) বাড়ির পাশ্ববর্তী কালভার্টে সুমনকে পেয়ে থাপ্পড় মারার জন্য উচিত শিক্ষা দিতে চান বলাই মিয়া। এসময় আওয়ারুন বেগম ঘটনাস্থলে এসে ঝগড়া থামাতে চেষ্টা করেন এবং ছেলেকে সরিয়ে নেন। এক পর্যায়ে সুমন ক্ষুব্ধ হয়ে ইট নিয়ে বলাই মিয়াকে আঘাত করতে গেলে ইট এসে পড়ে আওয়ারুন বেগমের বুকে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান তিনি।
খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তুচ্চ ঘটনা নিয়ে নিহতের ছেলে বলাই মিয়া ও সুমন মিয়ার ঝগড়া হয়। ওই নারী ঝগড়া থামাতে দু’জনকে সরিয়ে দেন। তার ছেলেকে দূরে সরিয়ে নিলেও এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ সুমন একটি ইট দিয়ে বলাই মিয়ার উপর নিক্ষেপ করেন। তার নিক্ষিপ্ত ইট আওয়ারুন বেগমের বুকে আঘাত করে।
এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। তাছাড়া ঘটনার সঙ্গে আর কারো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।