সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

সিলেটে বন্যায় গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুন ২০২২ ৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: দু দফা বন্যায় গোঠা সিলেট জুড়ে গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে অনেক পশু নিখোজ ও মৃত্যু হয়েছে যাহা প্রকৃত পরিসংখ্যান করে বের করা কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে। তবে ধারনা করা যাচ্ছে যে, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় কমপক্ষে ১০ হাজার গবাদী পশুর ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে মরা ও ভেসে যাওয়া পশুর সংখ্যা হবে ৫ হাজারেরও বেশী। একটি সূত্র জানা, শুধু সিলেট জেলায় হাঁস-মুরগিসহ ৫ হাজারের বেশি গবাদিপশু মারা গেছে। আর ডুবে গেছে গবাদিপশুর ৭১০ টি খামার।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের হিসেব অনুযায়ী, পানির ¯্রােতে ভেসে গিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত হাস-মুরগীসহ ৪ হাজার গবাদিপশু মারা গেছে। সিলেট জেলা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় সিলেট জেলায় ৭১০ টি খামার ডুবে গেছে। পানিতে ভেসে গেছে ১ হাজার ৯৯১ টন খড় ও ২ হাজার ৯৫৯ টন ঘাস। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত জেলায় প্রাণিসম্পদের ক্ষতির পরিমাণ ১১ কোটি ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।
চলমান বন্যায় প্রাণিসম্পদের সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুনামগঞ্জ। জেলাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে পশুর সাথে ভেসে গেছে মানুষও। পরে মিলেছে লাশ। এদিকে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট উপজেলায় পশু সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে প্রাণিসম্পদ বিষজ্ঞরা বলছেন আসন্ন কোরবানী ঈদে সিলেটে কোরবানীযোগ্য পশুর কোন সঙ্কট হবেনা। কারণ কিছু গবাদী পশু বিশেষ করে গরু-ছাগল বন্যায় ও খাদ্যা ভাবে অসুস্থ হয়েছে। চিকিৎসা দিলে ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়া কুরবানীযোগ্য পশুর চাহিদা পূরণে অতীতের ন্যায় এবারও বিভিন্ন জায়গা থেকে সিলেটে পশু আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সিলেটে পশুসম্পদ অধিদফতরের বিভাগীয় অফিসের তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৪জুন) পর্যন্ত বিভাগে ১১টি গরু, ৬টি মহিষ, ২৬টি ছাগল, ১৭টি ভেড়া, ৫ হাজারের বেশী মোরগ ও দেড় হাজারের বেশী হাস মারা গেছে। যদিও বাস্তবে এর হিসাব অনেক বেশী হবে। বন্যার শুরু দিকে অনেকের ভেসে যাওয়া লাশ এখন ভাসছে। পানি আর কমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট হবে।
সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো রুস্তুম আলী বলেন, আমরা আপাতত জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া গবাদিপশুকে চিকিৎসা দিচ্ছি। পানি নেমে গেলে যাতে সংক্রামক রোগ দেখা না দেয়, এজন্য ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্লাবিত এলাকায় গোখাদ্য সরবরাহেরও চেষ্টা করছি আমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটে বন্যায় গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৭:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুন ২০২২

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: দু দফা বন্যায় গোঠা সিলেট জুড়ে গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে অনেক পশু নিখোজ ও মৃত্যু হয়েছে যাহা প্রকৃত পরিসংখ্যান করে বের করা কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে। তবে ধারনা করা যাচ্ছে যে, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় কমপক্ষে ১০ হাজার গবাদী পশুর ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে মরা ও ভেসে যাওয়া পশুর সংখ্যা হবে ৫ হাজারেরও বেশী। একটি সূত্র জানা, শুধু সিলেট জেলায় হাঁস-মুরগিসহ ৫ হাজারের বেশি গবাদিপশু মারা গেছে। আর ডুবে গেছে গবাদিপশুর ৭১০ টি খামার।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের হিসেব অনুযায়ী, পানির ¯্রােতে ভেসে গিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত হাস-মুরগীসহ ৪ হাজার গবাদিপশু মারা গেছে। সিলেট জেলা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় সিলেট জেলায় ৭১০ টি খামার ডুবে গেছে। পানিতে ভেসে গেছে ১ হাজার ৯৯১ টন খড় ও ২ হাজার ৯৫৯ টন ঘাস। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত জেলায় প্রাণিসম্পদের ক্ষতির পরিমাণ ১১ কোটি ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।
চলমান বন্যায় প্রাণিসম্পদের সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুনামগঞ্জ। জেলাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে পশুর সাথে ভেসে গেছে মানুষও। পরে মিলেছে লাশ। এদিকে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট উপজেলায় পশু সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে প্রাণিসম্পদ বিষজ্ঞরা বলছেন আসন্ন কোরবানী ঈদে সিলেটে কোরবানীযোগ্য পশুর কোন সঙ্কট হবেনা। কারণ কিছু গবাদী পশু বিশেষ করে গরু-ছাগল বন্যায় ও খাদ্যা ভাবে অসুস্থ হয়েছে। চিকিৎসা দিলে ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়া কুরবানীযোগ্য পশুর চাহিদা পূরণে অতীতের ন্যায় এবারও বিভিন্ন জায়গা থেকে সিলেটে পশু আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সিলেটে পশুসম্পদ অধিদফতরের বিভাগীয় অফিসের তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৪জুন) পর্যন্ত বিভাগে ১১টি গরু, ৬টি মহিষ, ২৬টি ছাগল, ১৭টি ভেড়া, ৫ হাজারের বেশী মোরগ ও দেড় হাজারের বেশী হাস মারা গেছে। যদিও বাস্তবে এর হিসাব অনেক বেশী হবে। বন্যার শুরু দিকে অনেকের ভেসে যাওয়া লাশ এখন ভাসছে। পানি আর কমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট হবে।
সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো রুস্তুম আলী বলেন, আমরা আপাতত জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া গবাদিপশুকে চিকিৎসা দিচ্ছি। পানি নেমে গেলে যাতে সংক্রামক রোগ দেখা না দেয়, এজন্য ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্লাবিত এলাকায় গোখাদ্য সরবরাহেরও চেষ্টা করছি আমরা।