সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

বরিশাল আমার কর্ম জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়–বিএমপি কমিশনার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল বরিশালে যোগদান করেন মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার। প্রথম কর্ম দিবস থেকে শুরু করে ২০২২সালের মে মাসে বদলী জনিত বিদায় পর্যন্ত বিএমপি কমিশনার দীর্ঘ ৩ বছর ২৪ দিন দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।

১ বছর দ্বায়িত্ব পালন করার মাঝেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে মহামারী করোনার প্রকোপ। পুলিশের চাকুরী মানেই চ্যালেঞ্জিং পেশা কারণ দুই পক্ষকে একসাথে সন্তুষ্ট রাখা যায় না। এরপর আবার যদি দেখা দেয় মহামারী অথবা প্রাকৃতিক বিপর্যায় তখন শতভাগ সেবা প্রদান করা অনেকটাই কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

তবে সবকিছু উপেক্ষা করে বিএমপি কমিশনার প্রায় শতভাগ সফল একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলে মনে করেন রাজনীতিবিদ,সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন জিরো টলারেন্স।সকল ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে বসবাসের জন্য বরিশালকে করেছেন এক অভয় অরণ্য। লকডাউনকালীন সময় পরিচয় গোপন রেখে রাতের আঁধারে সাহায্য প্রত্যাশী কর্মহীন অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন খাদ্য সহায়তা।

এছাড়াও করোনায় আক্রান্ত শ্বাসকষ্ট রোগীদের ফ্রী অক্সিজেন সেবা চালু করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন সমগ্র বরিশালবাসীর। মহামারীর মধ্যেও সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত চালু রেখেছেন বিট পুলিশিং এবং ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠান।

জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে ছুটে গেছেন প্রতিটি থানা ও বিট অফিস পরিদর্শনে। প্রো-এ্যাকটিভ পুলিশিং চালু করে অপরাধ দানা বাধার আগেই সেটা নির্মূল করার চেষ্টা করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।গত ৩ বছরে প্রায় সবগুলো ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএমপি কমিশনার। সৃষ্টিশীল চিন্তা আর দূরদর্শী নেতৃত্বগুনে ভুক্তভোগী ও সহকর্মীদের তিনি ছিলেন এক আস্থার প্রতীক।

বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার এর বদলী জনিত বিদায়ের খবরে অশ্রুসিক্ত হয়েছে কোতোয়ালি, বন্দর, কাউনিয়া ও এয়ারপোর্ট থানায় বসবাসকারী সেবা গৃহীতা ভুক্তভোগীরা।কাউনিয়া থানার বাসিন্দা মোঃ মিজানুর রহমান নামের সেবা গ্রহণ করা এক ভুক্তভোগী বলেন,,, বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন স্যার একজন ভাল মনের মানুষ। যে কোন বিষয় তার কাছে আমরা নির্ভয়ে অভিযোগ করার সুযোগ পেয়েছি এবং তিনি সেটার যথাযথ প্রতিকার করেছেন। আমরা ধন্য যে তার মতো সৎ সাহসী ও নিষ্ঠাবান একজন পুলিশ কমিশনার পেয়েছিলাম। তিনি তার নিজ কর্মগুনে আমাদের মনের মধ্যে রয়ে যাবেন মাস বছর পেরিয়ে হয়তো যুগের পর যুগ।

এ বিষয় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শরীফ মোঃ আনিছুর রহমান (আনিস শরীফ) বলেন,, জনগণের সেবার মান সমুন্নত রেখে পেশাদারিত্বের সাথে সেবা প্রদানে জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান ছিলেন একজন দক্ষ ও চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। আমাদের জনপ্রতিনিধিদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। সাধারণ মানুষ ও পুলিশ সদস্যদের কাছে তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত অভিভাবক । তার নিজ কর্মগুনেই তিনি আজ অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বলে আমি বিশ্বাস করি।দোয়া করি তিনি যেন সারা জীবন এভাবে মানুষের জন্য কাজ করতে পারেন।

এ বিষয় বরিশাল “ল” কলেজ এর সাবেক অধ্যাক্ষ এবং জর্জ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সিদ্ধার্থ শংকর চ্যাটার্জি বলেন,,,জীবনে অনেক পুলিশ অফিসার দেখেছি কিন্তু জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান সম্পূর্ণ আলাদা একজন মানুষ। এত বড় একজন পুলিশ অফিসার কিন্তু কথা ও কাজে সেটা কখনো মনে হয় না। ধনী-গরীব যে কোন মানুষ তার কাছে গেলে আন্তরিকতার সাথে সেবা প্রদানে তৎপর থাকতেন। জনসাধারণকে শতভাগ নির্ভেজাল সেবা নিশ্চিত করতে সকল থানা পুলিশকে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করেছেন। কোন ধরনের কোন অন্যায় অনিয়ম দেখলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।বিএমপি কমিশনার আমার দৃষ্টিতে একজন সৎ সাহসী ও দক্ষতা সম্পান্ন পুলিশ কর্মকর্তা আমি তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি।

এ বিষয় বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নেতা এসএম জাকির হোসেন বলেন,,,বিএমপি কমিশনার হিসেবে অনেকেই এসেছেন দ্বায়িত্ব পালন করে আবার চলেও গেছেন তবে জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান আস্থা অর্জন করে মানুষের মন জয় করেছেন।কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের ভালোবাসা কেড়ে নিয়েছেন। আমরা নগরবাসী কর্মগুনের প্রশংসা করি এবং সব সময় তার সাফল্য কামনা করি।

বরিশালের কর্ম জীবন নিয়ে বিএমপি কমিশনার (অতিরিক্ত আইজিপি) মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার বরিশাল নিউজ২৪কে বলেন ,,,বরিশাল আমার কর্ম জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং এখানের মানুষের ভালবাসায় আমি অশ্রুসিক্ত ও আনন্দিত। জনসাধারণের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে আমার সহকর্মীদের পাশাপাশি রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজসহ সবাই সহযোগিতা করেছে এজন্য প্রথমেই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

বিএমপি কমিশনার আরও বলেন,,,,আমি বরিশালে যোগদান করার পর থেকেই সব সময় কাজ করেছি জনগণের নিরাপত্তা ও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে তবে কতটুকু পেরেছি জানি না তবে চেষ্টার কোন কমতি ছিল না।সবচেয়ে বড় কথা বরিশালের মানুষ খুব আন্তরিক তাদের মাঝে চাকুরী করে খুব ভালো লেগেছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমাকে যে দ্বায়িত্ব প্রদান করা হবে আমি যেন সেটা নিষ্ঠার সাথে সঠিকভাবে পালন করতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল আমার কর্ম জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়–বিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল বরিশালে যোগদান করেন মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার। প্রথম কর্ম দিবস থেকে শুরু করে ২০২২সালের মে মাসে বদলী জনিত বিদায় পর্যন্ত বিএমপি কমিশনার দীর্ঘ ৩ বছর ২৪ দিন দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।

১ বছর দ্বায়িত্ব পালন করার মাঝেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে মহামারী করোনার প্রকোপ। পুলিশের চাকুরী মানেই চ্যালেঞ্জিং পেশা কারণ দুই পক্ষকে একসাথে সন্তুষ্ট রাখা যায় না। এরপর আবার যদি দেখা দেয় মহামারী অথবা প্রাকৃতিক বিপর্যায় তখন শতভাগ সেবা প্রদান করা অনেকটাই কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

তবে সবকিছু উপেক্ষা করে বিএমপি কমিশনার প্রায় শতভাগ সফল একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলে মনে করেন রাজনীতিবিদ,সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন জিরো টলারেন্স।সকল ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে বসবাসের জন্য বরিশালকে করেছেন এক অভয় অরণ্য। লকডাউনকালীন সময় পরিচয় গোপন রেখে রাতের আঁধারে সাহায্য প্রত্যাশী কর্মহীন অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন খাদ্য সহায়তা।

এছাড়াও করোনায় আক্রান্ত শ্বাসকষ্ট রোগীদের ফ্রী অক্সিজেন সেবা চালু করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন সমগ্র বরিশালবাসীর। মহামারীর মধ্যেও সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত চালু রেখেছেন বিট পুলিশিং এবং ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠান।

জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে ছুটে গেছেন প্রতিটি থানা ও বিট অফিস পরিদর্শনে। প্রো-এ্যাকটিভ পুলিশিং চালু করে অপরাধ দানা বাধার আগেই সেটা নির্মূল করার চেষ্টা করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।গত ৩ বছরে প্রায় সবগুলো ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএমপি কমিশনার। সৃষ্টিশীল চিন্তা আর দূরদর্শী নেতৃত্বগুনে ভুক্তভোগী ও সহকর্মীদের তিনি ছিলেন এক আস্থার প্রতীক।

বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার এর বদলী জনিত বিদায়ের খবরে অশ্রুসিক্ত হয়েছে কোতোয়ালি, বন্দর, কাউনিয়া ও এয়ারপোর্ট থানায় বসবাসকারী সেবা গৃহীতা ভুক্তভোগীরা।কাউনিয়া থানার বাসিন্দা মোঃ মিজানুর রহমান নামের সেবা গ্রহণ করা এক ভুক্তভোগী বলেন,,, বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন স্যার একজন ভাল মনের মানুষ। যে কোন বিষয় তার কাছে আমরা নির্ভয়ে অভিযোগ করার সুযোগ পেয়েছি এবং তিনি সেটার যথাযথ প্রতিকার করেছেন। আমরা ধন্য যে তার মতো সৎ সাহসী ও নিষ্ঠাবান একজন পুলিশ কমিশনার পেয়েছিলাম। তিনি তার নিজ কর্মগুনে আমাদের মনের মধ্যে রয়ে যাবেন মাস বছর পেরিয়ে হয়তো যুগের পর যুগ।

এ বিষয় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শরীফ মোঃ আনিছুর রহমান (আনিস শরীফ) বলেন,, জনগণের সেবার মান সমুন্নত রেখে পেশাদারিত্বের সাথে সেবা প্রদানে জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান ছিলেন একজন দক্ষ ও চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। আমাদের জনপ্রতিনিধিদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। সাধারণ মানুষ ও পুলিশ সদস্যদের কাছে তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত অভিভাবক । তার নিজ কর্মগুনেই তিনি আজ অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বলে আমি বিশ্বাস করি।দোয়া করি তিনি যেন সারা জীবন এভাবে মানুষের জন্য কাজ করতে পারেন।

এ বিষয় বরিশাল “ল” কলেজ এর সাবেক অধ্যাক্ষ এবং জর্জ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সিদ্ধার্থ শংকর চ্যাটার্জি বলেন,,,জীবনে অনেক পুলিশ অফিসার দেখেছি কিন্তু জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান সম্পূর্ণ আলাদা একজন মানুষ। এত বড় একজন পুলিশ অফিসার কিন্তু কথা ও কাজে সেটা কখনো মনে হয় না। ধনী-গরীব যে কোন মানুষ তার কাছে গেলে আন্তরিকতার সাথে সেবা প্রদানে তৎপর থাকতেন। জনসাধারণকে শতভাগ নির্ভেজাল সেবা নিশ্চিত করতে সকল থানা পুলিশকে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করেছেন। কোন ধরনের কোন অন্যায় অনিয়ম দেখলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।বিএমপি কমিশনার আমার দৃষ্টিতে একজন সৎ সাহসী ও দক্ষতা সম্পান্ন পুলিশ কর্মকর্তা আমি তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি।

এ বিষয় বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নেতা এসএম জাকির হোসেন বলেন,,,বিএমপি কমিশনার হিসেবে অনেকেই এসেছেন দ্বায়িত্ব পালন করে আবার চলেও গেছেন তবে জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান আস্থা অর্জন করে মানুষের মন জয় করেছেন।কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের ভালোবাসা কেড়ে নিয়েছেন। আমরা নগরবাসী কর্মগুনের প্রশংসা করি এবং সব সময় তার সাফল্য কামনা করি।

বরিশালের কর্ম জীবন নিয়ে বিএমপি কমিশনার (অতিরিক্ত আইজিপি) মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার বরিশাল নিউজ২৪কে বলেন ,,,বরিশাল আমার কর্ম জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং এখানের মানুষের ভালবাসায় আমি অশ্রুসিক্ত ও আনন্দিত। জনসাধারণের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে আমার সহকর্মীদের পাশাপাশি রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজসহ সবাই সহযোগিতা করেছে এজন্য প্রথমেই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

বিএমপি কমিশনার আরও বলেন,,,,আমি বরিশালে যোগদান করার পর থেকেই সব সময় কাজ করেছি জনগণের নিরাপত্তা ও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে তবে কতটুকু পেরেছি জানি না তবে চেষ্টার কোন কমতি ছিল না।সবচেয়ে বড় কথা বরিশালের মানুষ খুব আন্তরিক তাদের মাঝে চাকুরী করে খুব ভালো লেগেছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমাকে যে দ্বায়িত্ব প্রদান করা হবে আমি যেন সেটা নিষ্ঠার সাথে সঠিকভাবে পালন করতে পারি।