সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

বাবুগঞ্জে খাদ্য গুদামের ভেতরেই বস্তা বদল,৮ শ’ বস্তা চালসহ গ্রেপ্তার ওসিএলএসডি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জানুয়ারী ২০২২ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক প্রতিবেদক ‍॥ কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদামের ভেতরে বসে সরকারি চালের বস্তা ভেঙে প্লাস্টিকের বস্তায় প্যাকেট করার সময় ৮০০ বস্তা চালসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) ফরিদা খাতুন (৩২)। একইসঙ্গে তার অপকর্মের সহযোগী মোফাজ্জেল খানকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৮০০ বস্তায় ভর্তি ২০ মে. টন সরকারি চাল ছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিলযুক্ত ৫০৭ টি সরকারি চালের খালি বস্তা এবং জোড়া কবুতর ও ডলফিন মার্কার ১ হাজার পিস মিনিকেট চালের খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রুবিনা পারভীন বাদী হয়ে ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুন, তার সহযোগী মোফাজ্জেল খান এবং স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রসুল জমাদ্দারসহ ৫ জনকে আসামী করে বাবুগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, ইউএনও এবং ওসির নেতৃত্বে উপজেলা খাদ্য গুদামে ওই যৌথ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুনের বাড়ি ভোলা পৌরসভা এলাকার দরগা রোডে এবং অপর আসামী বাবুগঞ্জ উপজেলার রাজগুরু গ্রামের বাসিন্দা মোফাজ্জেল খান খাদ্য গুদামের সরকারি চাল পাচার সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, খাদ্য বিভাগের উপ-পরিদর্শক ফরিদা খাতুন বাবুগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) হিসেবে যোগদান করে তার স্বামী কবির হোসেনকে ভোলা থেকে নিয়ে আসেন। স্বামীর মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় ২ বছর ধরে তিনি উপজেলা খাদ্য গুদামের সরকারি চাল রাতের আঁধারে বস্তা বদল করে দেশের বিভিন্ন স্থানে চালের বড় আড়তে নিয়ে বিক্রি করতেন। ভিজিডি, টিআর, কাবিখাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে সরকারি বরাদ্দের চালের ডিও তিনি চেয়ারম্যান-মেম্বার এবং প্রকল্প সভাপতিদের কাছ কিনে সরকারি ৩নং খাদ্য গুদামে রাখতেন এবং সরকারি সিলযুক্ত ওই পাটের বস্তার চাল রাতের আঁধারে বিভিন্ন নামিদামী কোম্পানির প্লাস্টিকের বস্তায় প্যাকেটের পরে ট্রাকভর্তি করে পাচার করতেন। এছাড়াও সরকারি ধান ক্রয় কর্মসূচিতে তিনি বাবুগঞ্জের কৃষকদের কাছ থেকে ধান না কিনে স্বামীর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চল থেকে কম দামে নিম্নমানের ধান সংগ্রহ করে সরকারি অর্থ লোপাট করতেন। নির্বিঘেœ এসব অপকর্ম চালাতে তিনি স্থানীয় ৮-১০ জন দালালকে সঙ্গে নিয়ে বাবুগঞ্জে একটি শক্তিশালী চোরাই সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। খাদ্য মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ পেয়ে তাকে হাতেনাতে ধরার সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানান জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক।

বরিশাল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, বাবুগঞ্জের ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুনের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে তাকে হাতেনাতে ধরার পরিকল্পনা করে খাদ্য মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী সোর্সের মাধ্যমে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে বাবুগঞ্জের ইউএনও এবং থানার ওসিকে নিয়ে উপজেলা খাদ্য গুদামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সরকারি সিলযুক্ত ৫০ কেজির চালের বস্তা বদল করে জোড়া কবুতর ও ডলফিন মার্কা নামের ২টি কোম্পানির প্লাস্টিকের মিনিকেট চালের ২৫ কেজির বস্তায় ভরে প্যাকেট করার সময় ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুন ও তার সহযোগী মোফাজ্জেল খানকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে দিয়ে থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজ্জু করা হয়।

বাবুগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আমীনুল ইসলাম বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে উপজেলা খাদ্য গুদামে উপস্থিত হয়ে ৩নং গুদামে পাচারের উদ্দেশ্যে সাজিয়ে রাখা ৮০০ বস্তায় প্রায় ২০ মে. টন সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারের সুবিধার্থে সরকারি সিলযুক্ত বস্তা বদল করে মিনিকেট চালের বস্তায় ভরে চালগুলো সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। এছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিলযুক্ত ৫০৭টি খালি চটের বস্তা এবং বাজারের সেরা মিনিকেট চাল লেখা ১ হাজার পিস প্লাস্টিকের খালি বস্তা খাদ্য গুদাম থেকে একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়। এসময় ডিসি ফুড ও এসি ল্যান্ডকে নিয়ে উক্ত গুদামটি সিলগালা করা হয়েছে।’

বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থল খাদ্য গুদাম থেকে হাতনাতে ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুন ও তার সহযোগী মোফাজ্জেল খানকে আটক করা হয় এবং ৮০০ বস্তা চালসহ অপরাধের বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়। খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রুবিনা পারভীনের লিখিত অভিযোগ পেয়ে ৫ জন নামীয় এবং ২-৩ জন অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে ৭ জানুয়ারী বাবুগঞ্জ থানার ২ নং মামলা রুজ্জু করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ২ আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।’ #

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে খাদ্য গুদামের ভেতরেই বস্তা বদল,৮ শ’ বস্তা চালসহ গ্রেপ্তার ওসিএলএসডি

আপডেট সময় : ১২:১৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জানুয়ারী ২০২২

ডেস্ক প্রতিবেদক ‍॥ কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদামের ভেতরে বসে সরকারি চালের বস্তা ভেঙে প্লাস্টিকের বস্তায় প্যাকেট করার সময় ৮০০ বস্তা চালসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) ফরিদা খাতুন (৩২)। একইসঙ্গে তার অপকর্মের সহযোগী মোফাজ্জেল খানকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৮০০ বস্তায় ভর্তি ২০ মে. টন সরকারি চাল ছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিলযুক্ত ৫০৭ টি সরকারি চালের খালি বস্তা এবং জোড়া কবুতর ও ডলফিন মার্কার ১ হাজার পিস মিনিকেট চালের খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রুবিনা পারভীন বাদী হয়ে ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুন, তার সহযোগী মোফাজ্জেল খান এবং স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রসুল জমাদ্দারসহ ৫ জনকে আসামী করে বাবুগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, ইউএনও এবং ওসির নেতৃত্বে উপজেলা খাদ্য গুদামে ওই যৌথ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুনের বাড়ি ভোলা পৌরসভা এলাকার দরগা রোডে এবং অপর আসামী বাবুগঞ্জ উপজেলার রাজগুরু গ্রামের বাসিন্দা মোফাজ্জেল খান খাদ্য গুদামের সরকারি চাল পাচার সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, খাদ্য বিভাগের উপ-পরিদর্শক ফরিদা খাতুন বাবুগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) হিসেবে যোগদান করে তার স্বামী কবির হোসেনকে ভোলা থেকে নিয়ে আসেন। স্বামীর মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় ২ বছর ধরে তিনি উপজেলা খাদ্য গুদামের সরকারি চাল রাতের আঁধারে বস্তা বদল করে দেশের বিভিন্ন স্থানে চালের বড় আড়তে নিয়ে বিক্রি করতেন। ভিজিডি, টিআর, কাবিখাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে সরকারি বরাদ্দের চালের ডিও তিনি চেয়ারম্যান-মেম্বার এবং প্রকল্প সভাপতিদের কাছ কিনে সরকারি ৩নং খাদ্য গুদামে রাখতেন এবং সরকারি সিলযুক্ত ওই পাটের বস্তার চাল রাতের আঁধারে বিভিন্ন নামিদামী কোম্পানির প্লাস্টিকের বস্তায় প্যাকেটের পরে ট্রাকভর্তি করে পাচার করতেন। এছাড়াও সরকারি ধান ক্রয় কর্মসূচিতে তিনি বাবুগঞ্জের কৃষকদের কাছ থেকে ধান না কিনে স্বামীর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চল থেকে কম দামে নিম্নমানের ধান সংগ্রহ করে সরকারি অর্থ লোপাট করতেন। নির্বিঘেœ এসব অপকর্ম চালাতে তিনি স্থানীয় ৮-১০ জন দালালকে সঙ্গে নিয়ে বাবুগঞ্জে একটি শক্তিশালী চোরাই সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। খাদ্য মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ পেয়ে তাকে হাতেনাতে ধরার সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানান জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক।

বরিশাল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, বাবুগঞ্জের ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুনের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে তাকে হাতেনাতে ধরার পরিকল্পনা করে খাদ্য মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী সোর্সের মাধ্যমে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে বাবুগঞ্জের ইউএনও এবং থানার ওসিকে নিয়ে উপজেলা খাদ্য গুদামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সরকারি সিলযুক্ত ৫০ কেজির চালের বস্তা বদল করে জোড়া কবুতর ও ডলফিন মার্কা নামের ২টি কোম্পানির প্লাস্টিকের মিনিকেট চালের ২৫ কেজির বস্তায় ভরে প্যাকেট করার সময় ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুন ও তার সহযোগী মোফাজ্জেল খানকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে দিয়ে থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজ্জু করা হয়।

বাবুগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আমীনুল ইসলাম বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে উপজেলা খাদ্য গুদামে উপস্থিত হয়ে ৩নং গুদামে পাচারের উদ্দেশ্যে সাজিয়ে রাখা ৮০০ বস্তায় প্রায় ২০ মে. টন সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারের সুবিধার্থে সরকারি সিলযুক্ত বস্তা বদল করে মিনিকেট চালের বস্তায় ভরে চালগুলো সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। এছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিলযুক্ত ৫০৭টি খালি চটের বস্তা এবং বাজারের সেরা মিনিকেট চাল লেখা ১ হাজার পিস প্লাস্টিকের খালি বস্তা খাদ্য গুদাম থেকে একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়। এসময় ডিসি ফুড ও এসি ল্যান্ডকে নিয়ে উক্ত গুদামটি সিলগালা করা হয়েছে।’

বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থল খাদ্য গুদাম থেকে হাতনাতে ওসিএলএসডি ফরিদা খাতুন ও তার সহযোগী মোফাজ্জেল খানকে আটক করা হয় এবং ৮০০ বস্তা চালসহ অপরাধের বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়। খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রুবিনা পারভীনের লিখিত অভিযোগ পেয়ে ৫ জন নামীয় এবং ২-৩ জন অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে ৭ জানুয়ারী বাবুগঞ্জ থানার ২ নং মামলা রুজ্জু করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ২ আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।’ #