সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

লাখ টাকা ঘুস দাবি, সেই এসআই হারুন ক্লোজড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

বরগুনার বেতাগী থানায় দায়িত্বরত এসআই হারুনের বিরুদ্ধে লাখ টাকা ঘুস দাবির ঘটনায় তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেতাগী থানার ওসি মো. শাহআলম হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে ভূমিহীন সেই সজলের ভেরিফিকেশনের ফাইনাল রিপোর্টে লাখ টাকা ঘুস দাবির ঘটনায় তাকে বরগুনা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে এমন ঘটনায় আরও চিন্তিত হয়ে পড়েছে সজলের পরিবার। তাদের নানাভাবে জানানো হচ্ছে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় ছেলে সজলের চাকরির সমস্যা হতে পারে। তাই সজলের পরিবার আবারো প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

এ ঘটনায় ঘুস দাবির অন্যতম সাক্ষী হোসনাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, শুরু থেকেই আমার ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের মারফতেই ঘুস চেয়েছেন এসআই হারুন। বাধ্য হয়ে বিষয়টি আপনাদের (সাংবাদিকদের) জানিয়েছি। তবে সংবাদ প্রকাশের পর এসআই হারুন ক্লোজড হওয়াটা জরুরি ছিল। তা না হলে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা থাকত না।

এ ব্যাপারে জানতে এসআই হারুন অর-রশিদকে ফোন করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বেতাগী থানার ওসি মো. শাহআলম হাওলাদার বলেন, এসআই হারুনকে বুধবার রাতেই বরগুনা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভূমিহীন হওয়ার জটিলতার রেশ কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চাকরি পায় সেই সজল। তবে চাকরির ফাইনাল পুলিশ ভেরিফিকেশনে লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন বেতাগী থানায় দায়িত্বরত এসআই হারুন অর-রশিদ। হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও তার এলাকার এক আওয়ামী লীগ নেতার মারফতে এক লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন বেতাগী থানার এসআই মো. হারুন অর-রশিদ ফরাজী।

পরে সজলের বাবা বেতাগী থানায় পুলিশ ট্রেনিংয়ে যোগদানের নোটিশপত্র আনতে গেলে তার কাছে পরিমাণ কমিয়ে সর্বশেষ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে দৈনিক যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর এসআই হারুন অর-রশিদ ফরাজীকে বরগুনা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাখ টাকা ঘুস দাবি, সেই এসআই হারুন ক্লোজড

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

বরগুনার বেতাগী থানায় দায়িত্বরত এসআই হারুনের বিরুদ্ধে লাখ টাকা ঘুস দাবির ঘটনায় তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেতাগী থানার ওসি মো. শাহআলম হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে ভূমিহীন সেই সজলের ভেরিফিকেশনের ফাইনাল রিপোর্টে লাখ টাকা ঘুস দাবির ঘটনায় তাকে বরগুনা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে এমন ঘটনায় আরও চিন্তিত হয়ে পড়েছে সজলের পরিবার। তাদের নানাভাবে জানানো হচ্ছে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় ছেলে সজলের চাকরির সমস্যা হতে পারে। তাই সজলের পরিবার আবারো প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

এ ঘটনায় ঘুস দাবির অন্যতম সাক্ষী হোসনাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, শুরু থেকেই আমার ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের মারফতেই ঘুস চেয়েছেন এসআই হারুন। বাধ্য হয়ে বিষয়টি আপনাদের (সাংবাদিকদের) জানিয়েছি। তবে সংবাদ প্রকাশের পর এসআই হারুন ক্লোজড হওয়াটা জরুরি ছিল। তা না হলে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা থাকত না।

এ ব্যাপারে জানতে এসআই হারুন অর-রশিদকে ফোন করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বেতাগী থানার ওসি মো. শাহআলম হাওলাদার বলেন, এসআই হারুনকে বুধবার রাতেই বরগুনা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভূমিহীন হওয়ার জটিলতার রেশ কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চাকরি পায় সেই সজল। তবে চাকরির ফাইনাল পুলিশ ভেরিফিকেশনে লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন বেতাগী থানায় দায়িত্বরত এসআই হারুন অর-রশিদ। হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও তার এলাকার এক আওয়ামী লীগ নেতার মারফতে এক লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন বেতাগী থানার এসআই মো. হারুন অর-রশিদ ফরাজী।

পরে সজলের বাবা বেতাগী থানায় পুলিশ ট্রেনিংয়ে যোগদানের নোটিশপত্র আনতে গেলে তার কাছে পরিমাণ কমিয়ে সর্বশেষ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে দৈনিক যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর এসআই হারুন অর-রশিদ ফরাজীকে বরগুনা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।