সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় ‘আত্মহত্যা’ করলেন বাড়ির একমাত্র মেয়ে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

গ্রামের সকলেই তাকে একডাকে ‘ভালো মেয়ে’ বলে চিনতেন। পড়াশোনার পাট চোকানোর পর দীর্ঘ দিন ধরেই তার জন্য পাত্রের খোঁজ চলছিল। বিয়ের জন্য মেয়ের একটিই ‘শর্ত’ ছিল- পাত্রকে সরকারি চাকরিজীবী হতে হবে! তবে ‘শর্তপূরণ’ না হওয়ায় কোনো পাত্রকেই মনে ধরছিল না বছর ছাব্বিশের মেয়েটির। বৃহস্পতিবার সকালে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সে মেয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেন বলে তার পরিবারের দাবি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদের কান্দিতে সে মেয়ের ‘আত্মহত্যা’ করার কথা শুনে পাড়াপড়শিদের দাবি, সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না মেলায় মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তার নাম শিল্পী ঘোষ। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কান্দির খড়গ্রামের গুরুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা শিল্পী ঘোষের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

তারাই খড়গ্রাম থানায় খবর দেন। পুলিশ কর্মকর্তারা গলায় গামছার ফাঁসে শিল্পীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শিল্পীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
কান্দি মহকুমা হাসপাতাল মর্গে শিল্পীর দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিল্পী আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছে তার পরিবার। এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে খড়গ্রাম থানা।

ভাইয়ের একমাত্র মেয়ের মৃত্যুতে হতবাক শিল্পীর কাকা সঞ্জীব মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘‘স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করার পর থেকেই শিল্পীর জন্য পাত্রের খোঁজ করছিলেন ভাই।

তবে জমিজায়গা, টাকাপয়সা রয়েছে, এমন পাত্রদের দেখাশোনা করা হলেও সরকারি চাকরিজীবী পাত্র ছাড়া বিয়েতে রাজি হয়নি শিল্পী। ’’
এ ঘটনায় শোকাহত শিল্পীর গ্রামের বাসিন্দা চন্দন ঘোষও। তার দাবি, কোনো প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল না শিল্পীর। চন্দনের কথায়, ‘‘শিল্পী আমার বোনের মতো ছিল। গ্রামের সকলে ওকে একডাকে ভালো মেয়ে বলে চেনে। ওর বিরুদ্ধে গ্রামের কারও কোনো অনুযোগ পর্যন্ত নেই। অনেক দিন ধরে পর বিয়ের জন্য দেখাশোনা চললেও সরকারি পাত্র ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হয়নি শিল্পী। হয়তো সে জন্য ওর মানসিক চাপ বাড়ছিল। হয়ত চেয়েছিল, বিয়ের পর ভালোভাবে থাকবে। তবে কপালে না থাকলে যা হয়!’’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় ‘আত্মহত্যা’ করলেন বাড়ির একমাত্র মেয়ে

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

গ্রামের সকলেই তাকে একডাকে ‘ভালো মেয়ে’ বলে চিনতেন। পড়াশোনার পাট চোকানোর পর দীর্ঘ দিন ধরেই তার জন্য পাত্রের খোঁজ চলছিল। বিয়ের জন্য মেয়ের একটিই ‘শর্ত’ ছিল- পাত্রকে সরকারি চাকরিজীবী হতে হবে! তবে ‘শর্তপূরণ’ না হওয়ায় কোনো পাত্রকেই মনে ধরছিল না বছর ছাব্বিশের মেয়েটির। বৃহস্পতিবার সকালে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সে মেয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেন বলে তার পরিবারের দাবি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদের কান্দিতে সে মেয়ের ‘আত্মহত্যা’ করার কথা শুনে পাড়াপড়শিদের দাবি, সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না মেলায় মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তার নাম শিল্পী ঘোষ। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কান্দির খড়গ্রামের গুরুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা শিল্পী ঘোষের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

তারাই খড়গ্রাম থানায় খবর দেন। পুলিশ কর্মকর্তারা গলায় গামছার ফাঁসে শিল্পীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শিল্পীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
কান্দি মহকুমা হাসপাতাল মর্গে শিল্পীর দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিল্পী আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছে তার পরিবার। এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে খড়গ্রাম থানা।

ভাইয়ের একমাত্র মেয়ের মৃত্যুতে হতবাক শিল্পীর কাকা সঞ্জীব মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘‘স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করার পর থেকেই শিল্পীর জন্য পাত্রের খোঁজ করছিলেন ভাই।

তবে জমিজায়গা, টাকাপয়সা রয়েছে, এমন পাত্রদের দেখাশোনা করা হলেও সরকারি চাকরিজীবী পাত্র ছাড়া বিয়েতে রাজি হয়নি শিল্পী। ’’
এ ঘটনায় শোকাহত শিল্পীর গ্রামের বাসিন্দা চন্দন ঘোষও। তার দাবি, কোনো প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল না শিল্পীর। চন্দনের কথায়, ‘‘শিল্পী আমার বোনের মতো ছিল। গ্রামের সকলে ওকে একডাকে ভালো মেয়ে বলে চেনে। ওর বিরুদ্ধে গ্রামের কারও কোনো অনুযোগ পর্যন্ত নেই। অনেক দিন ধরে পর বিয়ের জন্য দেখাশোনা চললেও সরকারি পাত্র ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হয়নি শিল্পী। হয়তো সে জন্য ওর মানসিক চাপ বাড়ছিল। হয়ত চেয়েছিল, বিয়ের পর ভালোভাবে থাকবে। তবে কপালে না থাকলে যা হয়!’’