সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

জাল সহির মাধ‍্যমে কেরু এ‍্যান্ড কোম্পানির লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো:কামরুজ্জামান দর্শনা থানা প্রতিনিধি

কয়েক লক্ষ টাকার সার কীটনাশক হাতিয়ে নিয়ে কেরু চিনিকলের ইক্ষু বিভাগের( দৈনিক হাজিরা) চুক্তিভিত্তিক করণীক ( এল, সি, সি) জুয়েল লাপাত্তা । এ ঘটনায় তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে।
জানা গেছে, কেরু চিনিকলের শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম প্রিন্স ক্ষমতায় থাকা কালীন তার সহদর জহুরুল ইসলাম জুয়েলকে চুক্তিভিত্তিক করণীকের চাকরি দেয়। মিলসগেট পূর্ব সাবজোনে তার কর্মস্থল। স্বাভাবিকভাবেই সাবজোন অফিসে চাষীদের মাঝে ঋনের মাধ্যমে সার বিতরনের জন্য সাপ্লাই অর্ডার বই সংরক্ষিত থাকে। এছাড়াও সিডিএদের কাছে এই বই থাকে। সিডিএ রাই এই সাপ্লাই অর্ডারের মাধ্যমে চাষির স্বাক্ষর সহ সিডিএ ও কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর গ্রহনের পর সাপ্লাই অর্ডারের কপি চাষিকে প্রদান করে থাকে। এরপর চাষি সার গোডাউনে তা দাখিল করে সার উত্তোলন করতে পারে। সিডিএরা বিভিন্ন সময় সাপ্লাই অর্ডার বই সাবজোন অফিসে রেখে চায়ের দোকানে কিংবা অন্য কোন কাজে আশেপাশে চলে যায়। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাবজোনের অধিকাংশ সিডিএ’ র সাপ্লাই অর্ডার বইয়ের পাতা চুরি করে সেখানে ভুয়া চাষি সেজে সিডিএ এবং কর্মকর্তাদের জাল স্বাক্ষর করে কৌশলে প্রায় ৮/৯ লক্ষ টাকার সার, কীটনাশক উত্তোলন করে বিক্রি করে দিয়ে প্রায় ৮/১০ দিন লাপাত্তা হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে জুয়েলের সহযোগী হিসাবে একজন ব্যাংকারের সংশ্লিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছে। তিনি জুয়লের ঘনিষ্ঠতম বন্ধু। ২০২০-২১ আখ মাড়াই মৌশুম থেকে জুয়েল এমন কাজ করে আসলেও তা চলতি ২০২১-২২ রোপন মৌশুমে এসে একে একে প্রকাশ পেতে থাকে। একটি সূত্র থেকে জানা যায় জুয়েলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষ।
ইতি পূর্বেও কেরু চিনিকলে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চিনিকলের একজন নিম্নমানের কর্মচারী। তার বিরুদ্ধেও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছেন। চিনিকলগুলো যখন ধারাবাহিক লোকসানের কারনে সরকার ইতিমধ্যে ২০২০-২১ মাড়াই মৌশুম থেকে ১৫ টি চিনিকলের মধ্যে ৬ টি চিনিকল বন্ধ করে দিয়েছে তারপরও থেমে নেই লুটপাট। টেন্ডারে মালামাল ক্রয় থেকে সর্বত্র চলছে দুর্ণীতি। এ যেন হরিলুটের কারখানায় পরিণত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জাল সহির মাধ‍্যমে কেরু এ‍্যান্ড কোম্পানির লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

আপডেট সময় : ০৭:১০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২১

মো:কামরুজ্জামান দর্শনা থানা প্রতিনিধি

কয়েক লক্ষ টাকার সার কীটনাশক হাতিয়ে নিয়ে কেরু চিনিকলের ইক্ষু বিভাগের( দৈনিক হাজিরা) চুক্তিভিত্তিক করণীক ( এল, সি, সি) জুয়েল লাপাত্তা । এ ঘটনায় তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে।
জানা গেছে, কেরু চিনিকলের শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম প্রিন্স ক্ষমতায় থাকা কালীন তার সহদর জহুরুল ইসলাম জুয়েলকে চুক্তিভিত্তিক করণীকের চাকরি দেয়। মিলসগেট পূর্ব সাবজোনে তার কর্মস্থল। স্বাভাবিকভাবেই সাবজোন অফিসে চাষীদের মাঝে ঋনের মাধ্যমে সার বিতরনের জন্য সাপ্লাই অর্ডার বই সংরক্ষিত থাকে। এছাড়াও সিডিএদের কাছে এই বই থাকে। সিডিএ রাই এই সাপ্লাই অর্ডারের মাধ্যমে চাষির স্বাক্ষর সহ সিডিএ ও কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর গ্রহনের পর সাপ্লাই অর্ডারের কপি চাষিকে প্রদান করে থাকে। এরপর চাষি সার গোডাউনে তা দাখিল করে সার উত্তোলন করতে পারে। সিডিএরা বিভিন্ন সময় সাপ্লাই অর্ডার বই সাবজোন অফিসে রেখে চায়ের দোকানে কিংবা অন্য কোন কাজে আশেপাশে চলে যায়। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাবজোনের অধিকাংশ সিডিএ’ র সাপ্লাই অর্ডার বইয়ের পাতা চুরি করে সেখানে ভুয়া চাষি সেজে সিডিএ এবং কর্মকর্তাদের জাল স্বাক্ষর করে কৌশলে প্রায় ৮/৯ লক্ষ টাকার সার, কীটনাশক উত্তোলন করে বিক্রি করে দিয়ে প্রায় ৮/১০ দিন লাপাত্তা হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে জুয়েলের সহযোগী হিসাবে একজন ব্যাংকারের সংশ্লিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছে। তিনি জুয়লের ঘনিষ্ঠতম বন্ধু। ২০২০-২১ আখ মাড়াই মৌশুম থেকে জুয়েল এমন কাজ করে আসলেও তা চলতি ২০২১-২২ রোপন মৌশুমে এসে একে একে প্রকাশ পেতে থাকে। একটি সূত্র থেকে জানা যায় জুয়েলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষ।
ইতি পূর্বেও কেরু চিনিকলে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চিনিকলের একজন নিম্নমানের কর্মচারী। তার বিরুদ্ধেও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছেন। চিনিকলগুলো যখন ধারাবাহিক লোকসানের কারনে সরকার ইতিমধ্যে ২০২০-২১ মাড়াই মৌশুম থেকে ১৫ টি চিনিকলের মধ্যে ৬ টি চিনিকল বন্ধ করে দিয়েছে তারপরও থেমে নেই লুটপাট। টেন্ডারে মালামাল ক্রয় থেকে সর্বত্র চলছে দুর্ণীতি। এ যেন হরিলুটের কারখানায় পরিণত হয়েছে।