সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন

অবশেষে রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গে পালানো সেই ২ গৃহবধূ উদ্ধার, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২১ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের বালির নিশ্চিন্দায় প্রেমিকদের হাত ধরে ২ গৃহবধূর ঘর ছাড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, ওই ২ বধূর সঙ্গে যে রাজমিস্ত্রিদের ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছে তা আঁচ করতে পেরেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। এমনকি রাজমিস্ত্রির কিনে দেওয়া ফোনেই যোগাযোগ রাখতেন গৃহবধূ। অবশেষে কলকাতার বালি থেকে নিখোঁজ ওই দুই গৃহবধূর সন্ধান পেল পুলিশ। বুধবার ভোরে আসানসোল স্টেশন থেকে সন্তানসহ নিখোঁজ দুই গৃহবধূ এবং তাদের দুই প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিশ্চিন্দার আনন্দনগরে কর্মকার পরিবারের বাড়িটি নির্মিয়মান। দোতলা বাড়িটির প্রাথমিক নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে ৬ মাস আগে। তার আগে দীর্ঘদিন ওই বাড়ির নির্মাণে যুক্ত ছিলেন ২ রাজমিস্ত্রি সুভাষ ও শেখর। মুর্শিদাবাদের সুতির বাসিন্দা সুভাষের সঙ্গে প্রথমে বড় বউ অনন্যা কর্মকারের প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে অনন্যার কাছে ব্যক্তিগত কোনো মোবাইল ফোন ছিল না। তাই বাড়ি ছাড়ার আগে তাকে একটি মোবাইল ফোন কিনে দিয়ে যান ওই যুবক। সেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন ওই রাজমিস্ত্রি। এরপর ধীরে ধীরে আরেক রাজমিস্ত্রি শেখরের সঙ্গে ছোট বউ রিয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গে একাধিকবার এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় ২ বধূকে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মনে খটকা লেগেছিল। ২ বধূ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর দুয়ে দুয়ে চার করছেন তারা। গত ১৫ ডিসেম্বর শীতের পোশাক কিনতে শ্রীরামপুর যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন অনন্যা ও রিয়া। সঙ্গে ছিল রিয়ার ৭ বছরের ছেলে আয়ুষ। তারপর থেকে তাদের খোঁজ পাননি পরিবারের সদস্যরা। অনন্যার কাছে ছিল একমাত্র মোবাইল ফোনটি। বিকালে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। রাতে নিশ্চিন্দা থানায় কর্মকার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে অনন্যার মোবাইল ফোনের কললিস্ট পরীক্ষা করে সুভাষের নম্বর পাওয়া যায়।

এরপর সুতিতে সুভাষের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৬ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তারা। পুলিশ জানিয়েছে, দুই রাজমিস্ত্রির সঙ্গে মুম্বাই পালিয়েছিলেন তারা। কিন্তু হাতে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় সেখানে গিয়ে অর্থকষ্টে পড়েন। পুলিশের কাছে খবর ছিল মুম্বাই থেকে এ রাজ্যে ফিরছেন তারা। সেই মতো পুলিশ অপেক্ষা করছিল আসানসোল স্টেশনে। বুধবার ভোরে দুই বধূ এবং তাদের প্রেমিকরা নামতেই তাদের আটক করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদের ফিরিয়ে এনেছেন নিশ্চিন্দা থানার পুলিশ।

সূত্র : আজকাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবশেষে রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গে পালানো সেই ২ গৃহবধূ উদ্ধার, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের বালির নিশ্চিন্দায় প্রেমিকদের হাত ধরে ২ গৃহবধূর ঘর ছাড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, ওই ২ বধূর সঙ্গে যে রাজমিস্ত্রিদের ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছে তা আঁচ করতে পেরেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। এমনকি রাজমিস্ত্রির কিনে দেওয়া ফোনেই যোগাযোগ রাখতেন গৃহবধূ। অবশেষে কলকাতার বালি থেকে নিখোঁজ ওই দুই গৃহবধূর সন্ধান পেল পুলিশ। বুধবার ভোরে আসানসোল স্টেশন থেকে সন্তানসহ নিখোঁজ দুই গৃহবধূ এবং তাদের দুই প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিশ্চিন্দার আনন্দনগরে কর্মকার পরিবারের বাড়িটি নির্মিয়মান। দোতলা বাড়িটির প্রাথমিক নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে ৬ মাস আগে। তার আগে দীর্ঘদিন ওই বাড়ির নির্মাণে যুক্ত ছিলেন ২ রাজমিস্ত্রি সুভাষ ও শেখর। মুর্শিদাবাদের সুতির বাসিন্দা সুভাষের সঙ্গে প্রথমে বড় বউ অনন্যা কর্মকারের প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে অনন্যার কাছে ব্যক্তিগত কোনো মোবাইল ফোন ছিল না। তাই বাড়ি ছাড়ার আগে তাকে একটি মোবাইল ফোন কিনে দিয়ে যান ওই যুবক। সেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন ওই রাজমিস্ত্রি। এরপর ধীরে ধীরে আরেক রাজমিস্ত্রি শেখরের সঙ্গে ছোট বউ রিয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গে একাধিকবার এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় ২ বধূকে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মনে খটকা লেগেছিল। ২ বধূ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর দুয়ে দুয়ে চার করছেন তারা। গত ১৫ ডিসেম্বর শীতের পোশাক কিনতে শ্রীরামপুর যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন অনন্যা ও রিয়া। সঙ্গে ছিল রিয়ার ৭ বছরের ছেলে আয়ুষ। তারপর থেকে তাদের খোঁজ পাননি পরিবারের সদস্যরা। অনন্যার কাছে ছিল একমাত্র মোবাইল ফোনটি। বিকালে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। রাতে নিশ্চিন্দা থানায় কর্মকার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে অনন্যার মোবাইল ফোনের কললিস্ট পরীক্ষা করে সুভাষের নম্বর পাওয়া যায়।

এরপর সুতিতে সুভাষের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৬ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তারা। পুলিশ জানিয়েছে, দুই রাজমিস্ত্রির সঙ্গে মুম্বাই পালিয়েছিলেন তারা। কিন্তু হাতে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় সেখানে গিয়ে অর্থকষ্টে পড়েন। পুলিশের কাছে খবর ছিল মুম্বাই থেকে এ রাজ্যে ফিরছেন তারা। সেই মতো পুলিশ অপেক্ষা করছিল আসানসোল স্টেশনে। বুধবার ভোরে দুই বধূ এবং তাদের প্রেমিকরা নামতেই তাদের আটক করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদের ফিরিয়ে এনেছেন নিশ্চিন্দা থানার পুলিশ।

সূত্র : আজকাল।