অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, হুমকিতে নুনগলা নদী তীরের ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি
- আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে নুনগলা নদী তীরের ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি। বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের দক্ষিণ হেসামদ্দি (কলাতলা) গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া নুনগলা নদী থেকে ইজারা ছাড়াই অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করছে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি । ফলে হুমকির মুখে পড়েছে নদী পার্শ্ববর্তী ফসলি জমি ও বসতভিটা এবং রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
ইতোপূর্বে নদী ভাঙনের কারণে গ্রামবাসীর বসতভিটা ও ফসলি জমি একাধিকবার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছিল।বিগত কয়েক বছর আগে গ্রামবাসীর বসতভিটার জমি ও ফসলি জমি নদীর তীরে জেগে ওঠে এবং ঐ জমিতে এখন বিভিন্ন ফসল ফলছে। যার উপর ভিত্তি করে অত্র এলাকার মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে। সরেজমিনে দেখা যায় গ্রামবাসীর ফসলি জমি এখনও নদীর
তীরবর্তী চর।
নদীর তীরবর্তী স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর তীরের জমি হতে গত একমাস যাবত ইজারা ছাড়াই অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছেন কাইয়ুম চারু মেম্বার, শাহ আলম মাদবর মেম্বার, সেলিম বয়াতি, জাকির সরদার, মোস্তফা হাওলাদারসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।
বালু উত্তোলনে গ্রামবাসী বাধা দিলে বালু উত্তোলনকারিরা গ্রামবাসীর উপর হামলা করে ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। গ্রামবাসীরা ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না ও চরম আতংকে দিন পার করছে। হুমকিতে রয়েছে গ্রামবাসীর ফসলি জমি, নদী ও পরিবেশ। সত্তোর্ধ বয়সী রমজান আলী বলেন আমাদের জমি কেটে নিয়ে যাচ্ছে কিছু বলতে পারছিনা। বাধা দিতে গেলে আমাদের উপর হামলা করে আমরা এখন অসহায়ের মত শুধু চেয়ে দেখছি আর বুকটা ফেটে যাচ্ছে। রমজান আলীর কথার সাথে তাল মিলিয়ে কয়েকজন বয়োজেষ্ঠ্যরা বলেন, আমরা আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের সহায়তা চাই। আমরা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন দিয়েছি। বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের অধীর অপেক্ষায় আমরা গ্রামবাসী।
এভাবে বালু উত্তোলন করলে অচিরেই গ্রামের ফসলি জমি, ভিটে ও বাড়িঘর ধসে আবার নদীর্গভে বিলীন হয়ে যাবে ও নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্বক হুমকিতে পড়বে এবং রাজস্ব হারাবে সরকার।


























