সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

জাল মেডিকেল সনদ দাখিল করে মামলা, বাদীকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১ ১২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

জাল মেডিকেল সনদ দাখিল করে আদালতে মামলা করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাদীর বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম মাহফুজ আলম বাদীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জাল সনদের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে বিচারক মো. মাসুম বিল্লাহ অভিযুক্তকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

হাজতে যাওয়া অভিযুক্ত হলো-বাকেরগঞ্জ উপজেলার রূপারজোর এলাকার জয়নাল সরদারের ছেলে লুৎফর রহমান।

তিনি গত ৪ এপ্রিল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় বিচার আদালতে একই এলাকার পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ভাবী রেহেনা বেগমকে গত ৩০ মার্চ অভিযুক্তরা মারধর করে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন বাদী লুৎফর।
নালিশির সাথে সাথে ফিরিস্তি হিসেবে শের-ই বাংলা মেডিকেলের ডা. মাহবুবুর রহমান নামে স্বাক্ষর করা একটি মেডিকেল সনদ দাখিল করেন বাদী। পুলিশ ব্যতীত মেডিকেল ভিকটিমের সনদ পাওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বে বাদী সনদ দাখিল করায় আদালত রহস্য দেখতে পায়।

বাদী লুৎফর রহমানকে জিজ্ঞেস করলে তিনি নিজ হাতে এই সনদ সংগ্রহ করেছেন বলে আদালতে জবাব দেন। আদালত ডাক্তারি সনদ যাচাই করতে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বরাবর প্রেরণ করেন।
পরিচালকের নির্দেশ মতে শেবাচিম হাসপাতালের ডা. মাহবুবুর রহমান আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে যাচাই করতে পাঠানো সনদে সিল ও স্বাক্ষর তার নয় এবং কোনো ভিকটিমকে মেডিকেল সনদ দেওয়া হয় না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ডাক্তারি প্রতিবেদনে লুৎফর রহমান জাল ডাক্তারি সনদ দাখিল করেছে বলে প্রমাণ পায় আদালত।
এজন্য তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আদালতের পক্ষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মাহফুজ আলম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহর আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযুক্ত লুৎফর রহমানকে সিডব্লিউ মূলে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জাল মেডিকেল সনদ দাখিল করে মামলা, বাদীকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৮:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

জাল মেডিকেল সনদ দাখিল করে আদালতে মামলা করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাদীর বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম মাহফুজ আলম বাদীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জাল সনদের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে বিচারক মো. মাসুম বিল্লাহ অভিযুক্তকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

হাজতে যাওয়া অভিযুক্ত হলো-বাকেরগঞ্জ উপজেলার রূপারজোর এলাকার জয়নাল সরদারের ছেলে লুৎফর রহমান।

তিনি গত ৪ এপ্রিল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় বিচার আদালতে একই এলাকার পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ভাবী রেহেনা বেগমকে গত ৩০ মার্চ অভিযুক্তরা মারধর করে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন বাদী লুৎফর।
নালিশির সাথে সাথে ফিরিস্তি হিসেবে শের-ই বাংলা মেডিকেলের ডা. মাহবুবুর রহমান নামে স্বাক্ষর করা একটি মেডিকেল সনদ দাখিল করেন বাদী। পুলিশ ব্যতীত মেডিকেল ভিকটিমের সনদ পাওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বে বাদী সনদ দাখিল করায় আদালত রহস্য দেখতে পায়।

বাদী লুৎফর রহমানকে জিজ্ঞেস করলে তিনি নিজ হাতে এই সনদ সংগ্রহ করেছেন বলে আদালতে জবাব দেন। আদালত ডাক্তারি সনদ যাচাই করতে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বরাবর প্রেরণ করেন।
পরিচালকের নির্দেশ মতে শেবাচিম হাসপাতালের ডা. মাহবুবুর রহমান আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে যাচাই করতে পাঠানো সনদে সিল ও স্বাক্ষর তার নয় এবং কোনো ভিকটিমকে মেডিকেল সনদ দেওয়া হয় না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ডাক্তারি প্রতিবেদনে লুৎফর রহমান জাল ডাক্তারি সনদ দাখিল করেছে বলে প্রমাণ পায় আদালত।
এজন্য তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আদালতের পক্ষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মাহফুজ আলম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহর আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযুক্ত লুৎফর রহমানকে সিডব্লিউ মূলে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।