সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

সংখ্যালঘুদের হত্যা, ধর্ষণের মনগড়া গল্প ছড়ানো হচ্ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সাম্প্রতিক ধর্মীয় সহিংসতায় কেউ খুন বা ধর্ষিত হননি। কিছু উৎসাহী মিডিয়া ও ব্যক্তি ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত করার জন্য সংখ্যালঘুদের হত্যা ও ধর্ষণের মনগড়া গল্প ছড়াচ্ছে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ছয়জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন মুসলমান এবং তারা হিন্দুদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করার সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এ ছাড়া দু’জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী মারা গেছেন। তাদের একজনের সাধারণ মৃত্যু হয়েছে, অন্যজন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো মন্দিরেও অগ্নিসংযোগ করা হয়নি। তবে দেবদেবীর প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে, কিছু স্থানে বাড়ি-ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে এবং সবাই ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। দুর্ভাগ্যবশত, কিছু উৎসাহী মিডিয়া এবং ব্যক্তি ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত করার জন্য সংখ্যালঘুদের হত্যা ও ধর্ষণের মনগড়া (বিবৃতির ভাষায় কুকড-আপ স্টোরি) গল্প ছড়াচ্ছে।

কুমিল্লার ঘটনার উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপে কোনো উপাসক বা আয়োজক না থাকা অবস্থায় একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি পবিত্র কোরআনের একটি কপি একজন দেবীর পায়ের কাছে রেখে যায় এবং অন্য একজন তার একটি ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। যা ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং এ ঘটনাকে ভাঙচুর-লুটপাটের দিকে নিয়ে যায়।

বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য সরকার অর্থ দিয়েছে। বিভিন্ন বাড়িতেও স্বতন্ত্রভাবে পূজামণ্ডপের বিস্তার ঘটেছে। তবে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা পূজামণ্ডপ পর্যবেক্ষণে জন্য পুলিশ বাহিনীর অপ্রতুলতা রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা এড়াতে পূজামণ্ডপ আয়োজকদের উচিত তাদের মণ্ডপগুলোর প্রতি সব সময় খেয়াল রাখা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংখ্যালঘুদের হত্যা, ধর্ষণের মনগড়া গল্প ছড়ানো হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৫:২০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সাম্প্রতিক ধর্মীয় সহিংসতায় কেউ খুন বা ধর্ষিত হননি। কিছু উৎসাহী মিডিয়া ও ব্যক্তি ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত করার জন্য সংখ্যালঘুদের হত্যা ও ধর্ষণের মনগড়া গল্প ছড়াচ্ছে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ছয়জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন মুসলমান এবং তারা হিন্দুদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করার সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এ ছাড়া দু’জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী মারা গেছেন। তাদের একজনের সাধারণ মৃত্যু হয়েছে, অন্যজন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো মন্দিরেও অগ্নিসংযোগ করা হয়নি। তবে দেবদেবীর প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে, কিছু স্থানে বাড়ি-ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে এবং সবাই ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। দুর্ভাগ্যবশত, কিছু উৎসাহী মিডিয়া এবং ব্যক্তি ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত করার জন্য সংখ্যালঘুদের হত্যা ও ধর্ষণের মনগড়া (বিবৃতির ভাষায় কুকড-আপ স্টোরি) গল্প ছড়াচ্ছে।

কুমিল্লার ঘটনার উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপে কোনো উপাসক বা আয়োজক না থাকা অবস্থায় একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি পবিত্র কোরআনের একটি কপি একজন দেবীর পায়ের কাছে রেখে যায় এবং অন্য একজন তার একটি ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। যা ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং এ ঘটনাকে ভাঙচুর-লুটপাটের দিকে নিয়ে যায়।

বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য সরকার অর্থ দিয়েছে। বিভিন্ন বাড়িতেও স্বতন্ত্রভাবে পূজামণ্ডপের বিস্তার ঘটেছে। তবে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা পূজামণ্ডপ পর্যবেক্ষণে জন্য পুলিশ বাহিনীর অপ্রতুলতা রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা এড়াতে পূজামণ্ডপ আয়োজকদের উচিত তাদের মণ্ডপগুলোর প্রতি সব সময় খেয়াল রাখা।