সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আ. লীগ নেতার মাদক সেবনের ভিডিও ফেসবুকে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১ ১০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ফেনীর দাগনভূঞায় মো. শাহজাহান নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার মাদক সেবনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। শাহাজাহান দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন, ‌‘শাহাজাহান ঢাকায় ও এলাকাতে নিয়মিত মাদক সেবন করেন। তাকে মাদকের ব্যবসার গডফাদার বলেও চেনেন অনেকে। তবে আওয়ামী লীগ করেন বলে ভয়ে কেউ তাকে কিছু বলতে পারেন না। ক্ষমতার দাপটে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করেন তিনি।’

রাজাপুর ইউনিয়ন আ. লীগের এক নেতা জানান, মাদক সেবন শাহজাহানের রুটিন ওয়ার্ক। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করায় ২০০০ সালে সে ১নং ওয়ার্ড আ. লীগ সভাপতি খায়েজুল হকের ছেলে যুবলীগ নেতা ইকবালকে মেরে তার পা ভেঙে দেয়। এ ছাড়াও সে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে অনেক আ. লীগ নেতাকর্মীকে বিভিন্নভাবে নাযেহাল করেছেন। তিনি ২০০৮ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আ. লীগ মনোনীত প্রার্থী দিদারুল কবির রতনের (ছাতা প্রতিক) এর বিরুদ্ধে অবস্থান করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছোট ভাই সেলিমের (রিকশা প্রতীক) পক্ষে ভোট করেন। এ ছাড়া ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে রাজাপুর ইউনিয়নে আ. লীগ দলীয় প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের বিপক্ষে নির্বাচনে অংশ নেন।

এ বিষয়ে রাজাপুর ইউনিয়ন আ. লীগ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জানান, ছবি ও ভিডিওটি আমি ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি উপজেলা ও জেলা আ. লীগের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করব।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শাহজান বলেন, ‘আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি চক্র আমার ছবি ও ভিডিও এডিট করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে আমি দাগনভূঞা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।’

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জিডির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ জানান, কোনো মাদক সেবনকারী আ. লীগের পদ-পদবীতে থাকার অধিকার রাখেন না। শাহজাহানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার সত্যতা প্রমাণ হলে জেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির সঙ্গে পরামর্শ করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আ. লীগ নেতার মাদক সেবনের ভিডিও ফেসবুকে

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

ফেনীর দাগনভূঞায় মো. শাহজাহান নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার মাদক সেবনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। শাহাজাহান দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন, ‌‘শাহাজাহান ঢাকায় ও এলাকাতে নিয়মিত মাদক সেবন করেন। তাকে মাদকের ব্যবসার গডফাদার বলেও চেনেন অনেকে। তবে আওয়ামী লীগ করেন বলে ভয়ে কেউ তাকে কিছু বলতে পারেন না। ক্ষমতার দাপটে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করেন তিনি।’

রাজাপুর ইউনিয়ন আ. লীগের এক নেতা জানান, মাদক সেবন শাহজাহানের রুটিন ওয়ার্ক। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করায় ২০০০ সালে সে ১নং ওয়ার্ড আ. লীগ সভাপতি খায়েজুল হকের ছেলে যুবলীগ নেতা ইকবালকে মেরে তার পা ভেঙে দেয়। এ ছাড়াও সে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে অনেক আ. লীগ নেতাকর্মীকে বিভিন্নভাবে নাযেহাল করেছেন। তিনি ২০০৮ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আ. লীগ মনোনীত প্রার্থী দিদারুল কবির রতনের (ছাতা প্রতিক) এর বিরুদ্ধে অবস্থান করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছোট ভাই সেলিমের (রিকশা প্রতীক) পক্ষে ভোট করেন। এ ছাড়া ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে রাজাপুর ইউনিয়নে আ. লীগ দলীয় প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের বিপক্ষে নির্বাচনে অংশ নেন।

এ বিষয়ে রাজাপুর ইউনিয়ন আ. লীগ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জানান, ছবি ও ভিডিওটি আমি ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি উপজেলা ও জেলা আ. লীগের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করব।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শাহজান বলেন, ‘আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি চক্র আমার ছবি ও ভিডিও এডিট করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে আমি দাগনভূঞা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।’

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জিডির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ জানান, কোনো মাদক সেবনকারী আ. লীগের পদ-পদবীতে থাকার অধিকার রাখেন না। শাহজাহানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার সত্যতা প্রমাণ হলে জেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির সঙ্গে পরামর্শ করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।