সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

প্রেম করে বিয়ে, ১৪ বছর পর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
প্রেম করে বিয়ের ১৪ বছর পর স্ত্রীকে হত্যার দায়ে রাজু আহম্মেদ (৩১) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিকেলে তাকে আদালতে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গ্রেফতার রাজু আহম্মেদ জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের মো. আবু বকরের ছেলে।

গাজীপুর পিবিআইর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করে আত্মীয়দের খবর দেয়। পরে এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. সুজা মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

তিনি বলেন, রাজু আহমেদ সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় লিবার্টি গার্মেন্টসে ডায়িংয়ের কিউসি হিসেবে চাকরি করেন এবং তার স্ত্রীর জরিফুল (৩৫) মৌচাক নিটে চাকরি করেন। ২০০৭ সালে তারা প্রেম করে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে আট বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। পাশের রুমের এক ভাড়াটিয়ার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে রাজুর স্ত্রী। বিষয়টি টের পেয়ে চলতি মাসের ১ তারিখ ওই বাসা ছেড়ে দেন তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে রাজুর সঙ্গে তার স্ত্রীর বেতনের টাকা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় তিনি রাজুর বাবা-মাকে নিয়ে গালিগালাজ করেন। আসামি স্ত্রীর ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। পরদিন দুপুরে খাবারের বিরতিতে জরিফুলকে কৌশলে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে নিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য পকেটে থাকা ব্লেড দিয়ে ডান হাতের কব্জির নিচে কেটে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রেম করে বিয়ে, ১৪ বছর পর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা।

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
প্রেম করে বিয়ের ১৪ বছর পর স্ত্রীকে হত্যার দায়ে রাজু আহম্মেদ (৩১) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিকেলে তাকে আদালতে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গ্রেফতার রাজু আহম্মেদ জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের মো. আবু বকরের ছেলে।

গাজীপুর পিবিআইর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করে আত্মীয়দের খবর দেয়। পরে এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. সুজা মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

তিনি বলেন, রাজু আহমেদ সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় লিবার্টি গার্মেন্টসে ডায়িংয়ের কিউসি হিসেবে চাকরি করেন এবং তার স্ত্রীর জরিফুল (৩৫) মৌচাক নিটে চাকরি করেন। ২০০৭ সালে তারা প্রেম করে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে আট বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। পাশের রুমের এক ভাড়াটিয়ার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে রাজুর স্ত্রী। বিষয়টি টের পেয়ে চলতি মাসের ১ তারিখ ওই বাসা ছেড়ে দেন তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে রাজুর সঙ্গে তার স্ত্রীর বেতনের টাকা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় তিনি রাজুর বাবা-মাকে নিয়ে গালিগালাজ করেন। আসামি স্ত্রীর ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। পরদিন দুপুরে খাবারের বিরতিতে জরিফুলকে কৌশলে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে নিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য পকেটে থাকা ব্লেড দিয়ে ডান হাতের কব্জির নিচে কেটে দেন।