বাবুগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদানের জন্য প্রস্তুতি চলছে।
- আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মাদ আলী
বাবুগঞ্জ ( বরিশাল) ঃ সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হচ্ছে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের মার্চের প্রথমদিকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এখন পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণার পর সারা দেশের ন্যায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ১৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পাঠদানের উপযোগী করা হচ্ছে।
তবে নিম্নাঞ্চলের কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জোয়ারের পানিতে তলিয়ে থাকায় ক্লাস নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষকরা।
তাছাড়া বাবুগঞ্জ উপজেলার প্রায় ২০টির অধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের কাজ চলমান রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ অস্থায়ী ভাবে টিনসেট দিয়ে ক্লাসরুম তৈরি করা হলেও করোনাকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনুপযোগী রয়েছে । তাছাড়া ভবনের কাজ পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গুলো নির্মানকাজ ফেলে রাখায় অনেক প্রতিষ্ঠান এখন গরুর খোয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৩৪ টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৫ টি, মাদ্রাসা ১৮টি ও কলেজ রয়েছে ৪ টি। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আনন্দে ভাসছে শিক্ষার্থীরা। তবে উপজেলার কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন তৈরির কাজ চলমান। সেখানে পাঠদানের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিনের সেট ঘর তৈরি করা হয়েছে।
দক্ষিণ ভূতের দিয়া( নতুনচর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নূরুল ইসলাম জানান, ‘শিক্ষা অফিসের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সব কার্যক্রম ইতিমধ্যেই গ্রহণ করেছি। তবে শ্রেণি কক্ষ ও বিদ্যালয়ের আঙিনা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ক্লাস নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে। তাছাড়া আমাদের স্কুলের ভবনের কাজ চলমান রয়েছে। অস্থায়ী যে টিনসেটের রুম তৈরি করা হয়েছিল তা এখন পানিতে তলিয়ে থাকে।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নূরুল হক বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেয়ে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।
সকল ছাত্র-ছত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্কের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করি, আমরা ১২ তারিখ বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু করতে পারব। তবে বাবুগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলের প্রতিষ্ঠান গুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সেইসব প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আকবর কবির বলেন, ‘আমাদের ১৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ সেপ্টেম্বর আমরা পাঠদান শুরু করতে পারব। যেখানে বিদ্যালয়ে ভবনের কাজ চলছে সেখানে টিনের সেট ঘরে ক্লাস নেওয়া হবে।’


























