সংবাদ শিরোনাম ::
ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী”

কিস্তির টাকা না পেয়ে পিটিয়ে গ্রাহকের হাত ভেঙে দিলেন এনজিও কর্মকর্তা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স :: নোয়াখালী পৌর এলাকায় কিস্তির টাকা না পেয়ে মো. বাদশা (৩৫) নামের এক গ্রাহককে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী পৌরসভার গোপাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত মো. বাদশাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোসাইটি ফর সোস্যাল সার্ভিসের (এসএসএস) শাখা ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেন ও কিস্তি আদায়কারী গোলাম কিবরিয়ার উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন মো. বাদশার স্ত্রী ফাতেমা বেগম।

ফাতেমা বলেন, গত বছরের আগস্টে এসএসএস এনজিওর উজিয়ালপুর সদর শাখা থেকে ৩০ হাজার টাকা কিস্তিতে ঋণ নেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ৮০০ টাকা করে ৪৬ কিস্তিতে মোট ৩৬ হাজার ৩০০ টাকা পরিশোধ করার কথা। এরমধ্যে কিস্তির ৮০ শতাংশের বেশি পরিশোধ করা হয়েছে।

ফাতেমা জানান, বুধবার টাকা না থাকায় সাপ্তাহিক কিস্তির ৮০০ টাকা দিতে পারিনি। এতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন এনজিও কর্মকর্তারা। অল্প সময়ের মধ্যে টাকা আসলে দেওয়া হবে জানালেও তারা স্বামীর সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে হাত ভেঙে দেন ওই কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. বাদশা জানান, শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর তাকে প্রথমে থাপ্পড় মারলে তিনি পড়ে যান। এরপর মাটি থেকে উঠতে গেলে আবার লাথি দিয়ে পুনরায় মাটিতে ফেলে দেন পাশে থাকা গোলাম কিবরিয়া। দ্বিতীয়বার পড়ে যাওয়ায় বাম হাত ভেঙে যায়। এবং পা’সহ শরীরের কয়েকটি স্থানে জখম হয় তার। পরে পরিবারের লোকজন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার সকালে এসএসএসর নোয়াখালী সদরের উজিয়ালপুর শাখায় গিয়ে ব্যবস্থাপক আলমগীরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে কিস্তি আদায়কারী গোলাম কিবরিয়া জানান, ওই গ্রাহক তাদের সঙ্গে খারাপ আচারণ করায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কিস্তির টাকা না পেয়ে পিটিয়ে গ্রাহকের হাত ভেঙে দিলেন এনজিও কর্মকর্তা।

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স :: নোয়াখালী পৌর এলাকায় কিস্তির টাকা না পেয়ে মো. বাদশা (৩৫) নামের এক গ্রাহককে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী পৌরসভার গোপাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত মো. বাদশাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোসাইটি ফর সোস্যাল সার্ভিসের (এসএসএস) শাখা ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেন ও কিস্তি আদায়কারী গোলাম কিবরিয়ার উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন মো. বাদশার স্ত্রী ফাতেমা বেগম।

ফাতেমা বলেন, গত বছরের আগস্টে এসএসএস এনজিওর উজিয়ালপুর সদর শাখা থেকে ৩০ হাজার টাকা কিস্তিতে ঋণ নেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ৮০০ টাকা করে ৪৬ কিস্তিতে মোট ৩৬ হাজার ৩০০ টাকা পরিশোধ করার কথা। এরমধ্যে কিস্তির ৮০ শতাংশের বেশি পরিশোধ করা হয়েছে।

ফাতেমা জানান, বুধবার টাকা না থাকায় সাপ্তাহিক কিস্তির ৮০০ টাকা দিতে পারিনি। এতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন এনজিও কর্মকর্তারা। অল্প সময়ের মধ্যে টাকা আসলে দেওয়া হবে জানালেও তারা স্বামীর সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে হাত ভেঙে দেন ওই কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. বাদশা জানান, শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর তাকে প্রথমে থাপ্পড় মারলে তিনি পড়ে যান। এরপর মাটি থেকে উঠতে গেলে আবার লাথি দিয়ে পুনরায় মাটিতে ফেলে দেন পাশে থাকা গোলাম কিবরিয়া। দ্বিতীয়বার পড়ে যাওয়ায় বাম হাত ভেঙে যায়। এবং পা’সহ শরীরের কয়েকটি স্থানে জখম হয় তার। পরে পরিবারের লোকজন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার সকালে এসএসএসর নোয়াখালী সদরের উজিয়ালপুর শাখায় গিয়ে ব্যবস্থাপক আলমগীরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে কিস্তি আদায়কারী গোলাম কিবরিয়া জানান, ওই গ্রাহক তাদের সঙ্গে খারাপ আচারণ করায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।