সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

বানারীপাড়ায় লোকালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে মুখপোড়া হনুমান।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়া পৌরশহরে লোকালয়ে দলছুট একটি মুখপোড়া ( কালো মুখো) হনুমান কখনও গাছে, আবার কখনও মানুষের মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ হনুমানটি দেখার জন্য কৌতূহলী মানুষ ভিড় করছেন। ২৮ আগস্ট শনিবার সাঝের বেলায় পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রফিকুল আলমের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ওপর হনুমানটিকে দেখা গেছে। রাস্তার পাশে টাইলস দিয়ে বাঁধানো কবরস্থানের ওপর আয়েশী ভঙ্গিতে বসে থাকা হনুমানটিকে দেখতে এসময় উৎসুক মানুষের ভিড় পড়ে যায়। বিশেষ করে শিশুরা হনুমানটিকে দেখে দারুন আনন্দ অনুভব করে।

গত বেশ কিছুদিন ধরে বন্দরবাজারসহ পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে এ হনুমানটি ঘুরে বেড়াচ্ছে। এছাড়া পৌরসভা লাগোয়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা, খেজুরবাড়ি এবং সদর ইউনিয়নের মাছরং ও কুন্দিহার গ্রামে হনুমানটিকে মাঝে মধ্যে দেখা যায়। তবে পৌর শহরেই এর বিচরণ বেশী। হনুমানটি কারও কোন ক্ষতি করছে না। বৃহৎ আকারের লেজবিশিষ্ট এ হনুমানটি কীভাবে এবং কোথা থেকে এ এলাকায় এসেছে, তা কেউ বলতে পারছেন না। হনুমানটি কৌতূহলী লোকজনের উৎপাত থেকে বাঁচতে কখনও গাছের উঁচু ডালে আবার কখনও মানুষের মাঝে আশ্রয় নিচ্ছে। হনুমানটিকে খাওয়ানোর জন্য ভালোবেসে কেউ কেউ কলা, বিস্কুট, পাউরুটি দিচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপুল চন্দ্র নাগ বলেন, কোনো প্রাণী অসুস্থ হয়ে গেলে পশু হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে এখানে কোনো প্রাণী সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা নেই। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা বলেন , মুখপোড়া হনুমান বৃক্ষচারী শান্তি প্রিয় প্রাণী। চলাফেরা, ঘুম, খাবার সংগ্রহ, খেলাধুলা ও বিশ্রামসহ সব কিছু এরা গাছে সম্পন্ন করে। মূলত এরা গাছের পাতা খেয়ে জীবনধারণ করে। তবে মানুষের দেওয়া পাউরুটি বিস্কুট ও কলাসহ বিভিন্ন ফলমূল খেতে এরা পছন্দ করে। এ প্রাণী নিজে নিজে আসে, আবার নিজে নিজে চলে যায়। তবে শান্তিপ্রিয় এ প্রাণীটিকে কেউ যেন ক্ষতিসাধন না করে সে বিষয়ে খেয়াল রাখা হবে। এলাকার মানুষকেও এ ব্যাপারে মানবিক ও সচেতন হতে হবে। ###

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় লোকালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে মুখপোড়া হনুমান।

আপডেট সময় : ০৬:২৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়া পৌরশহরে লোকালয়ে দলছুট একটি মুখপোড়া ( কালো মুখো) হনুমান কখনও গাছে, আবার কখনও মানুষের মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ হনুমানটি দেখার জন্য কৌতূহলী মানুষ ভিড় করছেন। ২৮ আগস্ট শনিবার সাঝের বেলায় পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রফিকুল আলমের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ওপর হনুমানটিকে দেখা গেছে। রাস্তার পাশে টাইলস দিয়ে বাঁধানো কবরস্থানের ওপর আয়েশী ভঙ্গিতে বসে থাকা হনুমানটিকে দেখতে এসময় উৎসুক মানুষের ভিড় পড়ে যায়। বিশেষ করে শিশুরা হনুমানটিকে দেখে দারুন আনন্দ অনুভব করে।

গত বেশ কিছুদিন ধরে বন্দরবাজারসহ পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে এ হনুমানটি ঘুরে বেড়াচ্ছে। এছাড়া পৌরসভা লাগোয়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা, খেজুরবাড়ি এবং সদর ইউনিয়নের মাছরং ও কুন্দিহার গ্রামে হনুমানটিকে মাঝে মধ্যে দেখা যায়। তবে পৌর শহরেই এর বিচরণ বেশী। হনুমানটি কারও কোন ক্ষতি করছে না। বৃহৎ আকারের লেজবিশিষ্ট এ হনুমানটি কীভাবে এবং কোথা থেকে এ এলাকায় এসেছে, তা কেউ বলতে পারছেন না। হনুমানটি কৌতূহলী লোকজনের উৎপাত থেকে বাঁচতে কখনও গাছের উঁচু ডালে আবার কখনও মানুষের মাঝে আশ্রয় নিচ্ছে। হনুমানটিকে খাওয়ানোর জন্য ভালোবেসে কেউ কেউ কলা, বিস্কুট, পাউরুটি দিচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপুল চন্দ্র নাগ বলেন, কোনো প্রাণী অসুস্থ হয়ে গেলে পশু হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে এখানে কোনো প্রাণী সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা নেই। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা বলেন , মুখপোড়া হনুমান বৃক্ষচারী শান্তি প্রিয় প্রাণী। চলাফেরা, ঘুম, খাবার সংগ্রহ, খেলাধুলা ও বিশ্রামসহ সব কিছু এরা গাছে সম্পন্ন করে। মূলত এরা গাছের পাতা খেয়ে জীবনধারণ করে। তবে মানুষের দেওয়া পাউরুটি বিস্কুট ও কলাসহ বিভিন্ন ফলমূল খেতে এরা পছন্দ করে। এ প্রাণী নিজে নিজে আসে, আবার নিজে নিজে চলে যায়। তবে শান্তিপ্রিয় এ প্রাণীটিকে কেউ যেন ক্ষতিসাধন না করে সে বিষয়ে খেয়াল রাখা হবে। এলাকার মানুষকেও এ ব্যাপারে মানবিক ও সচেতন হতে হবে। ###