রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়া পৌরশহরে লোকালয়ে দলছুট একটি মুখপোড়া ( কালো মুখো) হনুমান কখনও গাছে, আবার কখনও মানুষের মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ হনুমানটি দেখার জন্য কৌতূহলী মানুষ ভিড় করছেন। ২৮ আগস্ট শনিবার সাঝের বেলায় পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রফিকুল আলমের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ওপর হনুমানটিকে দেখা গেছে। রাস্তার পাশে টাইলস দিয়ে বাঁধানো কবরস্থানের ওপর আয়েশী ভঙ্গিতে বসে থাকা হনুমানটিকে দেখতে এসময় উৎসুক মানুষের ভিড় পড়ে যায়। বিশেষ করে শিশুরা হনুমানটিকে দেখে দারুন আনন্দ অনুভব করে।
গত বেশ কিছুদিন ধরে বন্দরবাজারসহ পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে এ হনুমানটি ঘুরে বেড়াচ্ছে। এছাড়া পৌরসভা লাগোয়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা, খেজুরবাড়ি এবং সদর ইউনিয়নের মাছরং ও কুন্দিহার গ্রামে হনুমানটিকে মাঝে মধ্যে দেখা যায়। তবে পৌর শহরেই এর বিচরণ বেশী। হনুমানটি কারও কোন ক্ষতি করছে না। বৃহৎ আকারের লেজবিশিষ্ট এ হনুমানটি কীভাবে এবং কোথা থেকে এ এলাকায় এসেছে, তা কেউ বলতে পারছেন না। হনুমানটি কৌতূহলী লোকজনের উৎপাত থেকে বাঁচতে কখনও গাছের উঁচু ডালে আবার কখনও মানুষের মাঝে আশ্রয় নিচ্ছে। হনুমানটিকে খাওয়ানোর জন্য ভালোবেসে কেউ কেউ কলা, বিস্কুট, পাউরুটি দিচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপুল চন্দ্র নাগ বলেন, কোনো প্রাণী অসুস্থ হয়ে গেলে পশু হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে এখানে কোনো প্রাণী সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা নেই। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা বলেন , মুখপোড়া হনুমান বৃক্ষচারী শান্তি প্রিয় প্রাণী। চলাফেরা, ঘুম, খাবার সংগ্রহ, খেলাধুলা ও বিশ্রামসহ সব কিছু এরা গাছে সম্পন্ন করে। মূলত এরা গাছের পাতা খেয়ে জীবনধারণ করে। তবে মানুষের দেওয়া পাউরুটি বিস্কুট ও কলাসহ বিভিন্ন ফলমূল খেতে এরা পছন্দ করে। এ প্রাণী নিজে নিজে আসে, আবার নিজে নিজে চলে যায়। তবে শান্তিপ্রিয় এ প্রাণীটিকে কেউ যেন ক্ষতিসাধন না করে সে বিষয়ে খেয়াল রাখা হবে। এলাকার মানুষকেও এ ব্যাপারে মানবিক ও সচেতন হতে হবে। ###
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ বেল্লাল তালুকদার
প্রধান কার্যালয় ফ্লাট#এ ৫ ট্রফিকাল হোম ৫৫/৫৬ শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন রোড মগবাজার রমনা ঢাকা-১২১৭
মোবাইল নং- 01712573978
ই-মেইল:- ajkercrimenews@gmail.com
Copyright © 2026 আজকের ক্রাইম নিউজ. All rights reserved.