ইউএনও’র বাসভবনে হামলা: ২ মামলায় আসামি ৬ শতাধিক, গ্রেপ্তার ১৫।
- আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২১ ৭৯ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স::বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে পুলিশের ওপর হামলা, সংঘর্ষ ও সরকারি কাজে বাধাদান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি বাসভবনে হামলার অভিযোগে দায়ের হওয়া দুটি মামলায় সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহজালাল মল্লিক বাদী হয়ে একটি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। দুটি মামলায় সরকারি কাজে বাধাদান, হামলা ও হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। দুই মামলায় ১৫ জন আসামি গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এসআই শাহজালাল মল্লিকের করা মামলায় সাদিক আবদুল্লাহ ছাড়াও ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্না, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত ও আতিকুল্লাহ মুনিম, ছাত্রলীগ নেতা অনিক সেরনিয়াবাত, রইজ আহমেদ মান্না, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব আহমেদ খান, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিন মাহমুদ তারেক, ছাত্রলীগ নেতা মঈন, মো. অলিউল্লাহ, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য হারুন-অর রশিদ, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস, ২৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওছার হোসেন শিপন, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, আওয়ামী লীগ নেতা মোজাম্মেল হোসেন ফিরোজ, ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা শেখ দাস সহ ৯৪ জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অপরদিকে, মুনিবুর রহমানের দায়ের করা মামলায় সাদিক আবদুল্লাহ ছাড়াও আওয়ামী লীগ নেতা হাসান মাহমুদ বাবু, ছাত্রলীগ নেতা রাজিব হোসেন খান, সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত, আতিকুল্লাহ মুনিম, মহানগর ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক সুমন সেরনিয়াবাত, সঞ্জীব সরদার, মুনির সিকদার, ফাইজুল সেরনিয়াবাত, ছাত্রলীগ নেতা রইজ আহমেদ মান্না, সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জগলুল মোর্শেদ প্রিন্সসহ ২৮ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
দুটি মামলায় হাসান মাহমুদ বাবু ও মোজাম্মেল হক ফিরোজসহ ১৩জনকে গ্রেপ্তার করে আজ সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করেছে পুলিশ। এছাড়া আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২ মামলার আরও ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন করেছে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ।
সংবাদ সম্মেলনে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর বলেন, গুলি করলো আনসার ও পুলিশ। বেধড়ক লাঠচার্জ করলো পুলিশ। আর মামলা হলো আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসায় কিংবা পুলিশের ওপর কোনো হামলা করেনি। পুলিশ এবং প্রশাসন নিজেরা হামলার দায় এড়াতে আওয়ামী লীগের কয়েক শ’ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। তিনি দুটি মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেফতার নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি রাখেন।’


























