সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৫ জনের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা//

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অগাস্ট ২০২১ ৮২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাণিজ্য ডেস্ক
দেশিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানসহ পাঁচ জনের দেশ ত্যাগের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। অপর আসামিরা হলেন-আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ।
জানা যায়, গুলশান থানার প্রতারণা ও ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এ আদেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) গ্রাহকের পণ্য অথবা পরিশোধ করা অগ্রিম অর্থ ফেরত না দেওয়ায় ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে দায়ের করা অর্থ আত্মসাত মামলায় দুই মালিককে কারাগারে পাঠান আদালত। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দায়ের করা এক হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় জামিন নিতে গেলে ই-অরেঞ্জের মালিকদের মধ্যে সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানকে কারাগারে পাঠান আদালত।
পণ্যের নগদ টাকা পরিশোধের পর নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও অর্ডারকৃত পণ্য বুঝে না পেয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা করেন একজন গ্রাহক। মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) সকালে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলাটি করা হয়।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির একজন গ্রাহক বাদী হয়ে একটি প্রতারণা মামলা করেছেন।
আসামিরা হলেন- মাসুকুর রহমান, আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ, সোনিয়া মেহজাবিনসহ ই-অরেঞ্জের মালিকরা। এজাহারে সবাইকে ই-অরেঞ্জের মালিক বলে দাবি করা হয়েছে।
ওসি বলেন, মামলার মূল বাদী তাহেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির প্রতারণার শিকার দাবি করছেন এমন ৩৭ ব্যক্তির স্বাক্ষরও মামলার এজাহারে রয়েছে।
এর আগে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিকানা পরিবর্তনসহ কর্তৃপক্ষের কোনো খোঁজ না পেয়ে বিক্ষোভ করেন ই-অরেঞ্জে অর্ডার করে পণ্য বুঝে না পাওয়া ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
সোমবার (১৬ আগস্ট) গুলশান-১ এর ১৩৭ নম্বর রোডে অবস্থিত ই-অরেঞ্জের কার্যালয় রোড এবং গুলশান-২ চত্বর আটকে আন্দোলন করেন ভুক্তভোগীরা।
বিক্ষুব্ধ ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারের চেয়ে অনেক কম মূল্যে মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য অনেক পণ্যের বিপরীতে প্রায় ২০০ কোটি টাকার অর্ডার নেওয়ার পর ই-অরেঞ্জের মালিক ও কর্মকর্তারা লাপাত্তা। তাই লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেও এখন তাদের দিন কাটছে দুশ্চিন্তায়। নিরূপায় হয়ে সোমবার দিনভর ক্রেতারা বিক্ষোভ করেছেন ই-অরেঞ্জের গুলশানের কার্যালয়ের সামনে।
তারা বলছেন, বারবার ডেলিভারির প্রতিশ্রুতির পরও পণ্য না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন। এমন অবস্থায় ১৯ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে ডেলিভারির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ই-অরেঞ্জ।
প্রসঙ্গত, সারা দেশ থেকে অন্তত ২ লাখ ক্রেতা ই-অরেঞ্জের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য অর্ডার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৫ জনের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা//

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অগাস্ট ২০২১

বাণিজ্য ডেস্ক
দেশিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানসহ পাঁচ জনের দেশ ত্যাগের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। অপর আসামিরা হলেন-আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ।
জানা যায়, গুলশান থানার প্রতারণা ও ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এ আদেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) গ্রাহকের পণ্য অথবা পরিশোধ করা অগ্রিম অর্থ ফেরত না দেওয়ায় ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে দায়ের করা অর্থ আত্মসাত মামলায় দুই মালিককে কারাগারে পাঠান আদালত। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দায়ের করা এক হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় জামিন নিতে গেলে ই-অরেঞ্জের মালিকদের মধ্যে সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানকে কারাগারে পাঠান আদালত।
পণ্যের নগদ টাকা পরিশোধের পর নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও অর্ডারকৃত পণ্য বুঝে না পেয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা করেন একজন গ্রাহক। মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) সকালে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলাটি করা হয়।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির একজন গ্রাহক বাদী হয়ে একটি প্রতারণা মামলা করেছেন।
আসামিরা হলেন- মাসুকুর রহমান, আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ, সোনিয়া মেহজাবিনসহ ই-অরেঞ্জের মালিকরা। এজাহারে সবাইকে ই-অরেঞ্জের মালিক বলে দাবি করা হয়েছে।
ওসি বলেন, মামলার মূল বাদী তাহেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির প্রতারণার শিকার দাবি করছেন এমন ৩৭ ব্যক্তির স্বাক্ষরও মামলার এজাহারে রয়েছে।
এর আগে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিকানা পরিবর্তনসহ কর্তৃপক্ষের কোনো খোঁজ না পেয়ে বিক্ষোভ করেন ই-অরেঞ্জে অর্ডার করে পণ্য বুঝে না পাওয়া ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
সোমবার (১৬ আগস্ট) গুলশান-১ এর ১৩৭ নম্বর রোডে অবস্থিত ই-অরেঞ্জের কার্যালয় রোড এবং গুলশান-২ চত্বর আটকে আন্দোলন করেন ভুক্তভোগীরা।
বিক্ষুব্ধ ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারের চেয়ে অনেক কম মূল্যে মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য অনেক পণ্যের বিপরীতে প্রায় ২০০ কোটি টাকার অর্ডার নেওয়ার পর ই-অরেঞ্জের মালিক ও কর্মকর্তারা লাপাত্তা। তাই লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেও এখন তাদের দিন কাটছে দুশ্চিন্তায়। নিরূপায় হয়ে সোমবার দিনভর ক্রেতারা বিক্ষোভ করেছেন ই-অরেঞ্জের গুলশানের কার্যালয়ের সামনে।
তারা বলছেন, বারবার ডেলিভারির প্রতিশ্রুতির পরও পণ্য না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন। এমন অবস্থায় ১৯ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে ডেলিভারির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ই-অরেঞ্জ।
প্রসঙ্গত, সারা দেশ থেকে অন্তত ২ লাখ ক্রেতা ই-অরেঞ্জের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য অর্ডার করেছে।