সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

ঝালকাঠিতে মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা, স্বামী-স্ত্রী আটক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :: ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান ও সচিব আবুহেনা মো. রাশেদ ইকবালের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করায় ওই প্রতিষ্ঠানের হিসাব রক্ষক রেখা বেগম ও ইলেকট্রিশিয়ান সিরাজুল ইসলাম টুলু ওরফে লিজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। আটককৃতরা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান বাদি হয়ে সোমবার রাতে আটক দুই কর্মচারীসহ তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। এরআগে ওইদিন সন্ধ্যায় পৌর ভবনে পুলিশ ডেকে ওই দুইজনকে তাদের কাছে সোপর্দ করেন তিনি।

মামলার অপর আসামি হলেন নলছিটি উপজেলার সারদল গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে এবিএম জাহিদুল ইসলাম। তিনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুগন্ধা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে ইলেকট্রিশিয়ান টুলু ও ঠিকাদার জাহিদুল ইসলাম মেয়র ও সচিবের স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংকের পৌরসভার যৌথ স্বাক্ষরের হিসাব নাম্বার থেকে ৪ লাখ টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করেন। কিন্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আনসার আলি খান স্বাক্ষরে সন্দেহ প্রকাশ করে বিষয়টি মেয়রকে অবহিত করেন। বিপদ আঁচ করতে পেরে অন্য একটি চেক স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে আসার কথা বলে কৌশলে ব্যাংক সটকে পড়েন তারা। ওইদিন বিকেলে হিসাব রক্ষক রেখা বেগম ও ইলেকট্রিশিয়ান সিরাজুল ইসলাম টুলুকে চেক বই ও ব্যাংকে নিয়ে যাওয়া চেকটিসহ পৌর ভবনে আসতে বললে তারা সেখানে উপস্থিত হয়। পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগিতায় ওই জাল স্বাক্ষর সম্বলিত চেকটি উদ্ধার করা হয়। ওই সময চেক বইটি মেয়রকে ফেরত দেন হিসাব রক্ষক রেখা বেগম।

পৌর মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান বলেন, ‘আমার ও সচিবের স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংকের নলছিটি শাখা থেকে মেসার্স সুগন্ধা এন্টারপ্রাইজের নামে ৪ লাখ টাকা উত্তোলনের সময় ব্যবস্থাপকের সন্দেহ হওয়ায় আমাকে খবর দেয়। এরপর কৌশলে তাদেরকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছি।

নলছিটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ.এম মাহমুদ বলেন, ওই দুইজনকে মঙ্গলবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ মামলার বাকি আসামিকে আটকে অভিযান চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা, স্বামী-স্ত্রী আটক।

আপডেট সময় : ১০:৩২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :: ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান ও সচিব আবুহেনা মো. রাশেদ ইকবালের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করায় ওই প্রতিষ্ঠানের হিসাব রক্ষক রেখা বেগম ও ইলেকট্রিশিয়ান সিরাজুল ইসলাম টুলু ওরফে লিজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। আটককৃতরা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান বাদি হয়ে সোমবার রাতে আটক দুই কর্মচারীসহ তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। এরআগে ওইদিন সন্ধ্যায় পৌর ভবনে পুলিশ ডেকে ওই দুইজনকে তাদের কাছে সোপর্দ করেন তিনি।

মামলার অপর আসামি হলেন নলছিটি উপজেলার সারদল গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে এবিএম জাহিদুল ইসলাম। তিনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুগন্ধা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে ইলেকট্রিশিয়ান টুলু ও ঠিকাদার জাহিদুল ইসলাম মেয়র ও সচিবের স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংকের পৌরসভার যৌথ স্বাক্ষরের হিসাব নাম্বার থেকে ৪ লাখ টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করেন। কিন্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আনসার আলি খান স্বাক্ষরে সন্দেহ প্রকাশ করে বিষয়টি মেয়রকে অবহিত করেন। বিপদ আঁচ করতে পেরে অন্য একটি চেক স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে আসার কথা বলে কৌশলে ব্যাংক সটকে পড়েন তারা। ওইদিন বিকেলে হিসাব রক্ষক রেখা বেগম ও ইলেকট্রিশিয়ান সিরাজুল ইসলাম টুলুকে চেক বই ও ব্যাংকে নিয়ে যাওয়া চেকটিসহ পৌর ভবনে আসতে বললে তারা সেখানে উপস্থিত হয়। পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগিতায় ওই জাল স্বাক্ষর সম্বলিত চেকটি উদ্ধার করা হয়। ওই সময চেক বইটি মেয়রকে ফেরত দেন হিসাব রক্ষক রেখা বেগম।

পৌর মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান বলেন, ‘আমার ও সচিবের স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংকের নলছিটি শাখা থেকে মেসার্স সুগন্ধা এন্টারপ্রাইজের নামে ৪ লাখ টাকা উত্তোলনের সময় ব্যবস্থাপকের সন্দেহ হওয়ায় আমাকে খবর দেয়। এরপর কৌশলে তাদেরকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছি।

নলছিটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ.এম মাহমুদ বলেন, ওই দুইজনকে মঙ্গলবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ মামলার বাকি আসামিকে আটকে অভিযান চলছে।