সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

ভুয়া সার্টিফিকেটে মাদরাসার পিয়ন থেকে কলেজ অধ্যক্ষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

ভুয়া সার্টিফিকেটে বরগুনার আমতলী বকুল নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছেন মো. ফোরকান মিয়া। বিএ পাশের জাল সার্টিফিকেট দিয়ে ১৩ বছর চাকরি করে নিজেই পদত্যাগ করেছিলেন। নতুন পরিচালনা কমিটির সহযোগিতায় আবারও তিনি অধ্যক্ষের চেয়ারে বসেছেন।

মো. ফোরকান মিয়া ছিলেন বরগুনা আলিয়া মাদরাসার পিয়ন। এমন অভিযোগ এনে রোববার (২৫ জুলাই) বিকেলে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, বকুল নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাবেক তথাকথিত অধ্যক্ষ মো. ফোরকান মিয়া ১৯৯৩ সালে আমতলী ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হন। সেই বছরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আমতলী ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ পাসের একখানা সার্টিফিকেট সৃষ্টি করে বরিশাল বিএম কলেজ থেকে এমএ পাস করেন।

পরে জাল সার্টিফিকেটের বিষয় জানাজানি হলে বকুল নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রণব কুমার সরকার তার বিএ পাসের সার্টিফিকেটের বৈধতা যাচাইর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর আবেদন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর বকুল নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়ে অবহিত করেন। মো. ফোরকান মিয়ার ব্যাচেলর অব আর্টস ১৯৯২ সেকেন্ড ডিভিশন সনদটি জাল।

উক্ত সনদটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিস হতে ইস্যু করা হয়নি। এছাড়া আমতলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মজিবর রহমান একই বছর ৩ অক্টোবর একটি প্রত্যয়ন দেন মো. ফোরকান মিয়া, পিতা মো. সেকান্দার আলী হাওলাদার, গ্রাম হুলাটানা, উপজেলা আমতলী, জেলা বরগুনা, ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে বিএ পাস শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে ১৯৯২ সালে অনুষ্ঠিত ১৯৯৩ সালের নিয়মিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সরবরাহকৃত টেবুলেশন শিটে মন্তব্য কলামে তদন্ত স্থগিত লেখা আছে এবং ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী শিক্ষা ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের নম্বরের ঘরগুলো খালি দেখা যায়। তার পরীক্ষার রোল নম্বর ৬৫৮ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৫৩৭৫০।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরও বলেন, মো. ফোরকান মিয়া জাল সার্টিফিকেট দিয়ে দীর্ঘদিন চাকরি করার পর তিনি ওই কলেজে অধ্যক্ষও হয়েছেন। পরে মো. ফোরকান মিয়া অধ্যক্ষের পদ থেকে ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর লজ্জায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভুয়া সার্টিফিকেটে মাদরাসার পিয়ন থেকে কলেজ অধ্যক্ষ

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

ভুয়া সার্টিফিকেটে বরগুনার আমতলী বকুল নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছেন মো. ফোরকান মিয়া। বিএ পাশের জাল সার্টিফিকেট দিয়ে ১৩ বছর চাকরি করে নিজেই পদত্যাগ করেছিলেন। নতুন পরিচালনা কমিটির সহযোগিতায় আবারও তিনি অধ্যক্ষের চেয়ারে বসেছেন।

মো. ফোরকান মিয়া ছিলেন বরগুনা আলিয়া মাদরাসার পিয়ন। এমন অভিযোগ এনে রোববার (২৫ জুলাই) বিকেলে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, বকুল নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাবেক তথাকথিত অধ্যক্ষ মো. ফোরকান মিয়া ১৯৯৩ সালে আমতলী ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হন। সেই বছরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আমতলী ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ পাসের একখানা সার্টিফিকেট সৃষ্টি করে বরিশাল বিএম কলেজ থেকে এমএ পাস করেন।

পরে জাল সার্টিফিকেটের বিষয় জানাজানি হলে বকুল নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রণব কুমার সরকার তার বিএ পাসের সার্টিফিকেটের বৈধতা যাচাইর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর আবেদন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর বকুল নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়ে অবহিত করেন। মো. ফোরকান মিয়ার ব্যাচেলর অব আর্টস ১৯৯২ সেকেন্ড ডিভিশন সনদটি জাল।

উক্ত সনদটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিস হতে ইস্যু করা হয়নি। এছাড়া আমতলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মজিবর রহমান একই বছর ৩ অক্টোবর একটি প্রত্যয়ন দেন মো. ফোরকান মিয়া, পিতা মো. সেকান্দার আলী হাওলাদার, গ্রাম হুলাটানা, উপজেলা আমতলী, জেলা বরগুনা, ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে বিএ পাস শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে ১৯৯২ সালে অনুষ্ঠিত ১৯৯৩ সালের নিয়মিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সরবরাহকৃত টেবুলেশন শিটে মন্তব্য কলামে তদন্ত স্থগিত লেখা আছে এবং ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী শিক্ষা ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের নম্বরের ঘরগুলো খালি দেখা যায়। তার পরীক্ষার রোল নম্বর ৬৫৮ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৫৩৭৫০।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরও বলেন, মো. ফোরকান মিয়া জাল সার্টিফিকেট দিয়ে দীর্ঘদিন চাকরি করার পর তিনি ওই কলেজে অধ্যক্ষও হয়েছেন। পরে মো. ফোরকান মিয়া অধ্যক্ষের পদ থেকে ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর লজ্জায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।