সংবাদ শিরোনাম ::
গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা

টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের মালামাল বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দক্ষিণ কামদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ লোহার বেঞ্চ ও টিনসহ অন্য আসবাবপত্র বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্কুলটির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। এতে বলা হয়েছে, ‘স্কুলের প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের লোহার বেঞ্চসহ মালামাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। যা ফৌজদারি দণ্ডবিধির শাস্তিমূলক অপরাধ। বেআইনিভাবে সরকারি মালামাল বিক্রির দায়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার সন্তোষজনক কারণ ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে দাখিল করতে বলা হলো।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের ওই বিদ্যালয়টির মালামাল গত সোমবার বিকেলে নলছিটি গার্লস স্কুল রোডের একটি ভাঙারির দোকানে বিক্রি করেন প্রধান শিক্ষক তারিকুল ইসলাম। স্কুলের জরাজীর্ণ ও পুরাতন মালামাল প্রকাশ্যে নিলামের কথা থাকলেও তা না করে তিনি ওই মালামাল বিক্রি করে দেন। কত টাকার মালামাল বিক্রি করা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে অনুমোদন নিয়ে ওই মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রির টাকা স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, নিলাম কমিটিকে অবহিত না করে স্কুলের মালামাল বিক্রি করায় ইতোমধ্যে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে একজন সহকারী শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঘটনা সঠিক হলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের মালামাল বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক।

আপডেট সময় : ০৭:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দক্ষিণ কামদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ লোহার বেঞ্চ ও টিনসহ অন্য আসবাবপত্র বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্কুলটির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। এতে বলা হয়েছে, ‘স্কুলের প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের লোহার বেঞ্চসহ মালামাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। যা ফৌজদারি দণ্ডবিধির শাস্তিমূলক অপরাধ। বেআইনিভাবে সরকারি মালামাল বিক্রির দায়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার সন্তোষজনক কারণ ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে দাখিল করতে বলা হলো।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের ওই বিদ্যালয়টির মালামাল গত সোমবার বিকেলে নলছিটি গার্লস স্কুল রোডের একটি ভাঙারির দোকানে বিক্রি করেন প্রধান শিক্ষক তারিকুল ইসলাম। স্কুলের জরাজীর্ণ ও পুরাতন মালামাল প্রকাশ্যে নিলামের কথা থাকলেও তা না করে তিনি ওই মালামাল বিক্রি করে দেন। কত টাকার মালামাল বিক্রি করা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে অনুমোদন নিয়ে ওই মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রির টাকা স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, নিলাম কমিটিকে অবহিত না করে স্কুলের মালামাল বিক্রি করায় ইতোমধ্যে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে একজন সহকারী শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঘটনা সঠিক হলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।